তালেবানদের ‘বন্ধু’ হিসাবে আখ্যায়িত পাকিস্তানের সাথে এখন তালেবানদের ‘অহিনকুল’ সম্পর্ক।
আফগানিস্তান-তালেবান সম্পর্ক
তালেবান অর্থ ছাত্র। তালেবান আফগানিস্তানের একটি ইসলামপন্থী, জিহাদী রাজনৈতিক আন্দোলন, দেওবন্দি-পশতুন ইসলামিক মৌলবাদী এবং সামরিক বিদ্রোহী সংগঠন। ১৯৯৪ সালে আফগান গৃহযুদ্ধের অন্যতম প্রধান দল হিসাবে তালেবানদের উত্থান ঘটে। এরপর, ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আফগানিস্তানের তিন-চতুর্থাংশ এদের দখলে ছিলো। এই সংগঠনটি তাদের রাষ্ট্রের নাম ‘আফগানিস্তান ইসলামি আমিরাত’ দিয়ে নিজেদের তুলে ধরে।
এরপর, ২০০১-২০২১, এই মোট ২০ বছর আফগানিস্তান যুক্তরাষ্ট্রের দখলে ছিলো। যুক্তরাষ্ট্র থেকে মুক্ত হতে না হতেই ২০২৪ সালের আগস্টে আফগানিস্তানের মাটি দখল করে বসে এই তালেবান গোষ্ঠী।
তালেবান-পাকিস্তান সম্পর্কের ইতিহাস
তালেবানদের গড়ে উঠায় মদদদাতা দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিলো পাকিস্তান।
তালেবান ২০০১ সালের পর থেকে পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে আশ্রয় নেয় এবং সেখানেই নিজেদের শক্তি সঞ্চয় করতে থাকে। পাকিস্তান শুধু নিভৃতে আশ্রয়ই দেয়নি, পাকিস্তানের বহু মাদ্রাসায় বিদ্যার্জন করবার সুযোগ পেয়েছিল তালেবানরা।
যেমন, দারুল উলুম হাক্কানিয়া বিদ্যাপীঠ থেকে তালেবানের প্রতিষ্ঠাতা মোল্লা মুহাম্মদ ওমর বিদ্যার্জন করেন। পাকিস্তানের বড় বড় শহর যেমন- লাহোর, করাচি এবং কোয়েটার মতো শহরে তালেবানদের ছিলো নিরাপদ বিচরণ।
পাকিস্তানের সর্বস্তরের মানুষের সাথে তালেবানদের সংযুক্ত হবার সুযোগও হয়েছিল। বলা চলে, তালেবানের ২০ বছর যাবৎ চলা এ বিদ্রোহ সফল হয়েছিলো একমাত্র পাকিস্তানের নির্দ্বিধায় করা সহায়তার কারণেই।
তাই তালেবানদের কাবুলে ক্ষমতায় আসাতে আর কেউ খুশি হোক না হোক পাকিস্তানের জন্য এটা ছিলো চরম খুশির মুহূর্ত। পাকিস্তান অথরিটি ভেবেছিল যে তালেবান ক্ষমতায় আসীন হলে পাকিস্তান-আফগানিস্তান সম্পর্ক হবে সোনায়-সোহাগা।
আর তাদের এই সম্পর্ক দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতেও শক্তিশালী প্রভাব ফেলতে পারবে। তৎকালীন পাকিস্তান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই বিষয়ে সরাসরি বক্তব্যও দেন এবং আশা প্রকাশ করেন। পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানও তালেবানের ক্ষমতাসীন হওয়াকে ‘দাসত্বের শেকল ভাঙা’ হিসাবে আখ্যা দেন।
কিন্তু সম্ভাবনার এ বন্ধুত্ব তো হয়নি, বরং, দিনে দিনে বেড়েছে তিক্ততা। কিন্তু কেন?
পাকিস্তানের কূটনীতি
পাকিস্তান তালেবানদের অঢেল সুযোগ-সুবিধা ও অনুকূল পরিবেশ দিয়েছে নিজেদের তৈরি করবার জন্য। তালেবান গোষ্ঠীর ক্ষমতা দখলকেও স্বাগত জানিয়েছে পাকিস্তান।
তবে, আন্তর্জাতিক রাজনীতি স্বার্থনির্ভর। অর্থাৎ, কোন দেশ অন্য দেশকে সাহায্য করছে মানে এখানে অধিকাংশক্ষেত্রে নিশ্চয়ই কোন না কোন স্বার্থ লুকিয়ে আছেই।
চলুন পাকিস্তানের তালেবানপ্রীতির পেছনে কূটনীতিক স্বার্থ গুলো কি দেখা যাক-
১) পাকিস্তান সরকারের পরিকল্পনা ছিলো তালেবান গোষ্ঠীকে মদদ দিলে আফগানিস্তানের উপর পরবর্তীতে তারা একচ্ছত্র ক্ষমতা পাবে।
২) তালেবানদের সাহায্য করলে যুক্তরাষ্ট্র থেকে সম্পর্কের ক্ষেত্রে কিছু সুবিধা পাওয়া যেতে পারে।
৩) পাকিস্তান ভেবেছিলো তালেবানদের সমর্থন, সাহস, সুবিধা দিলে পরবর্তীতে তালেবানরা ক্ষমতায় আসীন হবার পর পাকিস্তানের প্রতি অনুগত থাকবে। এবং, এক্ষেত্রে পাকিস্তান একত্রে একটি শক্তিশালী ‘নতুন জোট’ গড়ে তুলতে পারবে।
৪) আফগান-তালেবান ও পাকিস্তান একত্র হলে ভারতকে চাপে রাখাটাও সহজ হবে।
তালেবান-পাকিস্তান দ্বন্দ্ব
তালেবানরা আফগানিস্তানের ক্ষমতায় আসীন হবার পর এদের সকল সশস্ত্র বিদ্রোহ চলে পাকিস্তানের উপর। ২০২২ সালের পর থেকে পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনী ও পুলিশের ওপর জঙ্গি হামলা চালানো হচ্ছে। বিশেষ করে বেলুচিস্তান ও খাইবার প্রদেশে এসব হামলা যেন নিয়মিত ব্যাপার। এই হামলাগুলোর বেশিরভাগেরই দায় টিটিপি (তেহরিক-ই-তালেবান) স্বীকার করে নিয়েছে। টিটিপির আরেক নাম বলা হয় ‘পাকিস্তানি তালেবান’। এদের সাথে আফগানি তালেবানদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিলো। বহু বছর এরা একত্রে মিশন চালিয়েছে।
ধারণা করা হয়, এভাবে নিজ দেশে নিজেদের জঙ্গি হামলায় আফগানি তালেবানরা টিটিপিকে মদদ দিয়েছে। পাকিস্তান এসব জঙ্গি হামলার বিরুদ্ধে আফগানিস্তান সরকারকে পদক্ষেপ নিতে দাবি জানান। তালেবানরা এটি আমলে নেয় নি। তারা উল্টা বলেছে যে, টিটিপি পাকিস্তানেরই সংগঠন তাই এর সমাধান করার দায়িত্ব পাকিস্তানের নিজেরই।
তারা এভাবেও উল্লেখ করেন যে ‘ইসলামাবাদকে তাদের সমস্যাগুলো নিজেই সমাধান করতে হবে’।
এখন পাকিস্তান এরূপ আচরণ দেখে তো বসে থাকবে না। সম্প্রতি তাই পাকিস্তান আফগানিস্তানে হামলা চালিয়ে বদলা নিতে শুরু করেছে। এতে সম্পর্ক একদমই খারাপ হয়ে গিয়েছে দুই দেশের মধ্যে।
অতি সম্প্রতি ২৪ ডিসেম্বর পাকিস্তান বিমান হামলা চালিয়েছে আফগানিস্তানে। এতে মহিলা-শিশু সহ ৫৩ জন আফগানি মারা গিয়েছে। এরপর আফগানি তালেবান ২৮ ডিসেম্বর পাক সেনাদের উপর হামলা করে। এতে ১৯ জন পাক সেনা নিহত হন।
তালেবান ও আফগানিস্তানের সম্পর্ক এতে একেবারেই আদায়-কাঁচকলায় রূপ নিয়েছে বললে ভুল হবে না।
সীমান্ত সংঘর্ষ
পাকিস্তান-আফগানিস্তানের মাঝে সীমান্ত ‘ডুরান্ড লাইন’ নিয়ে দীর্ঘকাল যাবৎ দুই দেশের মাঝে ঝামেলা চলমান। এখানে বিবাদটাকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
প্রথমত, ব্রিটিশ উপনিবেশ চলাকালীন, ১৯৪৭ সালে ডুরান্ড লাইনকে দুই দেশের সীমান্ত হিসাবে নির্ধারণ করা হয়। পাকিস্তান এই সীমান্তকে আনুষ্ঠানিকভাবে মেনে নিলেও আফগানিস্তান কখনোই স্বীকৃতি দেয় নি।
তালেবান গোষ্ঠী ক্ষমতাসীন হবার পর এরাও পূর্ববর্তী সরকারের ন্যায় ডুরান্ডকে সীমান্ত হিসাবে মেনে নিতে অস্বীকার জানায়। পাকিস্তান তালেবানদের এই মনোভাবকে পাকিস্তানের কৌশলের বিপক্ষে একটি চ্যালেঞ্জ হিসাবে গ্রহণ করেছে।
দ্বিতীয়ত, ডুরান্ড একটি সংবেদনশীল জায়গা। এই সীমান্ত দ্বারা আফগানি প্রধান জাতি পশতুনদের ভৌগোলিকভাবে আলাদা করা হয়েছে। তাই, আফগানিস্তানের জন্য এটা আবেগেরও একটি বিষয়।
তৃতীয়ত, পাকিস্তান আফগান সীমান্ত অঞ্চলে টিটিপির নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে তালেবানদের কাছে দাবি করলে তালেবানরা তা আমলে নেয় নি। তাই পাকিস্তান এখন তার সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। এটা আবার আফগানিস্তান ও তালেবানের জন্য একটি বিরক্তিকর ব্যাপার।
তালেবান ভূ-রাজনীতি
এশিয়া অঞ্চলের ভূ-রাজনীতিতে আফগানিস্তান কতখানি গুরুত্বপূর্ণ তা এর ইতিহাস ঘাটলে খুব সহজেই বোঝা যায়। অতি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হিসাবে বারবার বিদেশিদের খপ্পরে পড়তে হয়েছে এই দেশকে। তবে তালেবানদের ক্ষমতায় আসীন হবার পর এই অঞ্চলের ভূ-রাজনীতিতে কিছুটা বদল এসেছে। এখন তালেবানদের সাথে জুড়ে আছে পাকিস্তান, ভারত, চীন দেশের বড় বড় স্বার্থ। সবার মূল আকর্ষণ এখন তালেবান।
পাকিস্তানের সাথে তালেবান ভূ-রাজনীতি
তালেবানের পরীক্ষিত মিত্র হলো পাকিস্তান৷ পাকিস্তান শুরু থেকেই বেশ সাহায্য করেছে তালেবানদের। ভূ-রাজনীতিতে তালেবান-পাকিস্তানের মাঝে যদি মিত্রতা বজায় থাকে, তাহলে ভূ-রাজনীতিতে বেশ শক্তিশালী অবস্থান প্রতিষ্ঠা করতে পারবে এরা।
ভারতের সাথে তালেবান ভূ-রাজনীতি
তালেবান-পাকিস্তানের মধ্যে সুসম্পর্ক ভূ-রাজনীতিতে ভারতকে ধরাশায়ী অবস্থায় ফেলবে। পূর্বে ভারত আফগান সরকারের ঘনিষ্ঠ ছিলো এবং তালেবান বিরোধী ছিলো। কিন্তু তালেবানদের ক্ষমতায় বসা নিয়ে ভারত এখন অব্দি চুপচাপ। ভারত কোন ধরনের প্রতিক্রিয়া না করায় নয়াদিল্লির সাথে তালেবানদের সম্পর্ক এখন পর্যন্ত পরিস্কার নয়।
কিন্তু ভূ-রাজনীতিতে তালেবানদের ক্ষমতায় বসা ভারতকে নিরাপত্তা ও কৌশলগত চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলবে। কেননা ভারতীয় জঙ্গি সংগঠনসমূহ তালেবানদের থেকে মদদ পেলে ভারত সরকারের জন্য পরিস্থিতি সামাল দেয়া ভয়ংকর কঠিন হবে।
চীনের সাথে তালেবান ভূ-রাজনীতি
তালেবানদের ভারতের সাথে সম্পর্ক ধোয়াশা হবার এই সুযোগটাই লুফে নিয়েছে চীন। চীনের কাছে তালেবানদের প্রতিষ্ঠা যেন মেঘ না চাইতে বৃষ্টির মতো।
এরই মধ্যে চীন-তালেবান উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়েছে। চীনের দাবি যে তালেবানরা যেন চীনের জিনজিয়াং প্রদেশের উইঘুর মুসলিমদের পূর্বের মতো মদদ বা আশ্রয় না দেয়। এর বিনিময়ে চীন (বেইজিং) আফগানিস্তানে বিনিয়োগ করবে, যা তালেবানদের জন্য অর্থনৈতিক দিক থেকে লাভজনক হবে। চীনের ‘ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড’ প্রকল্পে সর্বাত্মক সহযোগিতাও দেবার আশ্বাস দিয়েছে তালেবানরা।
রাশিয়ার সাথে তালেবান ভূ-রাজনীতি
রাশিয়ার সাথে তালেবানদের তেমন যোগসাজস নেই, কিন্তু, তালেবানদের উদ্দেশ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে রাশিয়া। রাশিয়া তালেবানদের শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়াকে ‘বাস্তববাদিতা’ বলেছে।
তুরস্ক ও কাতারের সাথে তালেবান ভূ-রাজনীতি
তুরস্ক ও কাতারের সাথে তালেবান সরকারের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আছে। এছাড়াও, তুরস্ক এবং কাতার যেকোন পরিস্থিতিতে তালেবান সরকারকে সহযোগিতা করতে আগ্রহী।
ইরানের সাথে তালেবান ভূ-রাজনীতি
আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসনের সমাপ্তি ও তালেবান শাসনে খুশি প্রতিবেশী দেশ ইরান। বর্তমানে সাড়ে সাত লাখ আফগান শরনার্থী ইরানে অবস্থান করছে।
এখানে একটা জিনিস পরিস্কার যে সন্ত্রাস প্রতিরোধ, এশিয়া অঞ্চলে আধিপত্য বজায় রাখতে হলে তালেবানদের সাথে সুসম্পর্ক রাখাটা ভূ-রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে তালেবানদের নজর আন্দাজ করার কোন উপায়ই নেই।
তালেবানদের টার্গেট কি কি হতে পারে
এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থিত আফগানিস্তান। এর ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়েছে তালেবান। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সাথে দীর্ঘ ২০ বছরের সংগ্রামের ফল তালেবান গোষ্ঠী পেয়েছে।
এরপর তালেবানদের লক্ষ্য যা যা হতে পারে, তা হলো-
১. আফগানিস্তানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার বিষয়টা জোরদার করা, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ, বৈদেশিক শাসন ইত্যাদি। সর্বোপরি আফগানিস্তানের বৈধ সরকার হবার পরিকল্পনা তালেবানদের। বিদ্রোহী গোষ্ঠী থেকে দেশ পরিচালনা করা তালেবানদের জন্য একটা বড় চ্যালেঞ্জ।
২. তালেবানদের এরপরের টার্গেট বা বর্তমান টার্গেট হলো অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে চীনের শরণাপন্ন হওয়া। এখানে তালেবানরা চায় বড় বড় অর্থনৈতিক প্রকল্প সৃষ্টি করতে।
আফগান-পাকিস্তান অহি-নকুল সম্পর্ক কেমন প্রভাব ফেলবে দুই দেশে?
পাকিস্তান আর আফগানিস্তানের মাঝে বিরোধ সৃষ্টি হবার একটা আশঙ্কা দেখা যায়। পাকিস্তানের মতো শক্তিশালী সামরিক বাহিনীকে মোকাবেলা করার মতো অবস্থান বর্তমান আফগানিস্তানের নাই।
এছাড়াও, পাকিস্তান আফগানিস্তানের উপর অন্যভাবেও প্রভাব ফেলতে পারে। চারদিক স্থল বেষ্টিত আফগানিস্তানের যেকোন বাণিজ্য পাকিস্তানের মাধ্যমেই প্রবাহিত হয়।
অন্যদিকে কিন্তু, পাকিস্তানের এসব সামরিক আগ্রাসন আফগানিস্তানের জনগণকে পাকিস্তান বিরোধী করে তুলবে। পাকিস্তানি পশতুন জাতির মধ্যেও এর প্রভাব পড়বে। এতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হবে পাকিস্তানে। তাই এ বিরোধে পাকিস্তানও পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, তালেবানদের এখন সময় এসেছে উদারবাদী চেতনা ধারণ করার। এতে আন্তর্জাতিকভাবে তারাই সুফল পাবে বলে ধারণা করা যায়।
সোর্স:
- https://www.kalbela.com/world/pakistan/151287
- https://www.prothomalo.com/opinion/column/8d09ykdys3
- https://www.somoynews.tv/news/2024-12-28/x0BRu3Q0
- https://www.ittefaq.com.bd/712235/%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0-%E0%A6%98%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%A0-%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A7%87-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0
- https://www.prothomalo.com/world/pakistan/00mk755js6
- https://www.protidinersangbad.com/todays-newspaper/editor-choice/291398
- https://www.orfonline.org/bangla/expert-speak/-realignment-geopolitics-afghanistan-taliban-takeover-what-means-india