প্রতি নিঃশ্বাসে প্রায় দুটি সিগারেটের ক্ষতির স্বীকার ঢাকার মানুষ
ঢাকা, বাংলাদেশের রাজধানী। একদিকে দেশব্যাপী উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দু, অন্যদিকে আবহাওয়া সংকটের জন্য এক বিপজ্জনক শহর। বায়ুদূষণ, তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মিলিয়ে ঢাকার আবহাওয়া আজ সংকটময় অবস্থায় পৌঁছেছে।
কংক্রিটের এই শহরে শীতকালে বায়ুদূষণের মাত্রা সবচেয়ে বেশি হয়। পত্রিকার আবহাওয়ার খবরে চোখ রাখলেই দেখা যায় বায়ু দূষণে শীর্ষ অবস্থানে ঢাকা। এই সময় বাতাসে ধূলিকণা ও ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান বেড়ে যায়, যা মানবস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়ায়।
শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা, ফুসফুসের সংক্রমণ, এবং হৃদরোগ অজান্তেই মানুষের শরীরে বাসা বাঁধছে। ঢাকার শিশুরা দূষণের সবচেয়ে বড় শিকার, কারণ তাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে। বায়ু দূষনের প্রভাব পড়ছে মানুষর মনেও। দূষিত আবহাওয়া মানুষকে করে তুলছে অপরাধ প্রবণ। চলুন এই লেখারর মাধ্যমে দেখার চেষ্টা করি ঢাকার আবহাওয়ার আদ্যোপান্ত।
দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার শহর ঢাকা
বায়ুর আইকিউ এয়ার মান ৩০০ পার হলেই তাকে ‘দুর্যোগপূর্ণ’ বলা হয়। সেই হিসেবে প্রায় সময়ই ‘দুর্যোগপূর্ণ’ থাকে ঢাকার বাতাস। ২০২৫ সালের শুরুর দিকে এমন আবহাওয়ায় কর্মব্যস্ত থেকেছে ঢাকাবাসী। আইকিউ এয়ার মানসূচক অনুযায়ী, গত ০৫ জানুয়ারি ২০২৫ এ ঢাকার আবহাওয়ায় বায়ুর মান ৩০০–এর বেশি ছিল।
ক্যাপসের গবেষণায় দেখা গেছে, গত বছরের ডিসেম্বরে বায়ুর গড় মান ছিল ২৮৮। যা ছিলো ২০১৬ এর পরে সবচেয়ে নাজুক অবস্থা। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে বায়ুর মান ছিল ১৯৫। গত ৯ বছরে ডিসেম্বর মাসে ঢাকার বায়ুর মান ছিল ২১৯.৫৪। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে এই মান ৩১ ভাগের বেশি বেড়ে গেছে। আর ২০২৩-এর তুলনায় বেড়েছে ২৬ ভাগের বেশি।
ঢাকায় বায়ু দূষণের কারণ
ভৌগোলিক কারণে প্রতিবছর শীতের সময় ঢাকার বায়ুদূষণ বেড়ে যায় প্রবলভাবে। এবার শীত শুরুর বেশ আগে থেকেই রাজধানীর বাতাসে দূষণের পরিমাণ বেড়ে গেছে এবং দূষণের দিক থেকে প্রায়ই প্রথম হচ্ছে দেশের রাজধানী শহর ঢাকা। এরজন্য যথেষ্ট কারণও আছে।
নির্মাণকাজ
রাজধানীতে সারাবছরই ছোট-বড় অজস্র ভবন নির্মাণ এবং রাস্তা মেরামতের কাজ চলে। এর পাশাপাশি গত কয়েকবছরে যোগ হয়েছে মেট্রো-রেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েসহ বিভিন্ন বড় প্রকল্প। যেকোনো ধরনের নির্মাণ কাজ করার সময় বায়ু দূষণ রোধে পরিবেশ অধিদপ্তরের সুনির্দিষ্ট কিছু নির্দেশনা থাকলেও বাস্তবে সেসব নিয়ম পালনের তোয়াক্কা করতে দেখা যায় না।
এতে করে রাস্তা ও ভবন নির্মাণ বা মেরামতের সময় ধুলাবালি যেন বাতাসের সঙ্গে মিশে বায়ুকে প্রতিনিয়ত দূষিত করে চলছে। ঢাকায় যানজট ও নির্মাণাধীন প্রকল্পের কারণে যে পরিমাণ বায়ুদূষণ হয়, তা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বায়ুমানের চেয়ে ১৫০% বেশি।
ইটভাটা ও শিল্প কারখানা
ইটভাটা ও শিল্প কারখানার ধোঁয়াও ঢাকার বায়ুকে দূষিত করার অন্যতম কারণ। দূষণ বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান, ক্যাপস-এর ‘দেশব্যাপী ৬৪ জেলার বায়ু দূষণ সমীক্ষা ২০২১’ অনুযায়ী, ঢাকার আশেপাশের প্রায় ১২০০ টি ইটভাটা, ছোট-বড় কয়েক হাজার শিল্প কারখানা আছে, যেগুলো দূষণের অন্যতম কারণ।
বাংলাদেশের বেশিরভাগ ইটভাটা এখনও সনাতন পদ্ধতিতে চলছে। এইসব ইটভাটায় জ্বালানি হিসেবে কয়লা, কাঠ ব্যবহার করা হয়। এখান থেকে প্রচুর ছাই তৈরি হয় এবং কার্বন মনোঅক্সাইড, সালফার অক্সাইড ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের মতো দূষিত কণা বাতাসের সাথে মেশে। ফলে প্রতিনিয়ত দূষিত হয় ঢাকার বাতাস। ঢাকায় ইটভাটার কারণে যে দূষণ হয় তা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বায়ুমানের ১৩৬% বেশি।
যানবাহন
শহরের যে কোনো রাস্তায় কিছুক্ষণ দাঁড়ালেই দেখা যাবে, চারপাশকে কালো ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন করে বিকট শব্দে ছুটে চলছে বিভিন্ন ফিটনেসবিহীন যানবাহন, বিশেষ করে বাস ও ট্রাক। একটা বাসের ‘ইকোনমিক লাইফ’ সাধারণত ১০-১৫ বছর পর্যন্ত হয়ে থাকে। উন্নত দেশগুলোতে বাসের ইকোনমিক লাইফ শেষ হওয়ার পর সেগুলোকে সড়ক থেকে সরিয়ে ফেলা হয়। কারণ কোনো যানবাহনের অর্থনৈতিক আয়ুষ্কাল শেষ হয়ে গেলে সেগুলো ঠিকভাবে জ্বালানি পোড়াতে পারে না এবং তখন সেগুলোর ধোঁয়ার সাথে ক্ষতিকর রাসায়নিক নির্গত হয়। তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে রাজধানী ঢাকা শহরে অবলীলায় চলাচল করে ফিটনেসবিহীন হাজারো যানবাহন।
বর্জ্য পোড়ানো ও মিথেন গ্যাস
বর্জ্য পোড়ানোর ফলে যে ধোঁয়া তৈরি হয় সেটাও ঢাকার বায়ু দূষণের অন্যতম কারণ। ক্যাপস-এর গবেষণা অনুযায়ী, ঢাকার যেসব এলাকায় বর্জ্য পোড়ানো হয়, সেইসব এলাকাতেই বায়ু দূষণ বেশি হচ্ছে। ময়লার স্তূপ যেখানে থাকে, সেখানে মিথেন গ্যাস উৎপন্ন হয়। অনেকসময় এই মিথেন গ্যাসের দুর্গন্ধ থেকে বাঁচার জন্য পরিচ্ছন্ন কর্মীরা আগুন জ্বালায়।
ট্রান্স-বাউন্ডারি এয়ার পলিউশন
বর্ষাকালে বাংলাদেশের বায়ু ভালো থাকলেও জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারির দিকে দিল্লি, হরিয়ানা, মধ্যপ্রদেশসহ ভারতের বিভিন্ন জায়গা থেকে ‘ট্রান্স-বাউন্ডারি ইফেক্ট’ হিসেবে বাংলাদেশে দূষিত বায়ু প্রবেশ করে।
ঢাকার দূষিত বায়ু ও স্বাস্থ্য ঝুকি
ঢাকা শহরের বায়ু দূষণের প্রধান কারণগুলো হলো যানবাহনের ধোঁয়া, নির্মাণ কার্যক্রম থেকে উৎপন্ন ধুলা, ইটভাটার ধোঁয়া, শিল্পকারখানার বর্জ্য, এবং আবর্জনা পোড়ানো। ঢাকার বায়ুতে সূক্ষ্ম বস্তুকণার ঘনত্ব এবং এর কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকির মাত্রা দৈনিক প্রায় দুইটি সিগারেট পানের সমতুল্য।
স্বাস্থ্যঝুঁকি
বায়ু দূষণ শ্বাসযন্ত্রের সমস্যার অন্যতম প্রধান কারণ। এর ফলে অ্যাজমা, ব্রঙ্কাইটিস, ও শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে। দূষিত বায়ুতে দীর্ঘদিন থাকার ফলে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে। দীর্ঘমেয়াদী বায়ু দূষণের কারণে ফুসফুসের ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। দূষিত বায়ুতে থাকা রাসায়নিক পদার্থ চোখে জ্বালা, ত্বকের অ্যালার্জি এবং চর্মরোগ সৃষ্টি করে। বায়ুদূষণের ফলে মানসিক চাপ, স্মৃতিভ্রংশ, এবং স্নায়ুতন্ত্রের বিভিন্ন রোগও দেখা দিতে পারে।
দূষিত বায়ু ও শিশু স্বাস্থ্য
বায়ু দূষণ শিশুদের স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। যেহেতু শিশুরা প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় বেশি শ্বাস গ্রহণ করে এবং তাদের শারীরিক গঠন এখনও পরিপূর্ণভাবে বিকশিত হয়নি, তাই তারা দূষণের ক্ষতিকর প্রভাবের প্রতি আরও সংবেদনশীল। তাই তারা দূষিত বায়ুর কবলে পড়ে খুব দ্রুত অসুস্থ হয়ে পড়ে।
দূষিত বায়ুতে থাকা সূক্ষ্ম বস্তুকণা (PM2.5) এবং রাসায়নিক পদার্থ শিশুদের শ্বাসযন্ত্রে প্রদাহ সৃষ্টি করে। বায়ুদূষণ শিশুদের ফুসফুসের পূর্ণ বিকাশে বাধা দেয়, যা দীর্ঘমেয়াদে শ্বাসযন্ত্রের কার্যক্ষমতা কমায়। এছাড়াও হাঁপানি, ব্রঙ্কাইটিস এবং শ্বাসকষ্টের সমস্যা বাড়ায়।
এছাড়াও প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া, শিশুদের মানসিক বিকাশ এবং স্নায়ুতন্ত্রের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলা এবং একটা শিশুর কম ওজন নিয়ে জন্মগ্রহণ করার মতো কারণও হতে পারে বায়ু দূষণ।
বায়ু দূষণ ও মানসিক স্বাস্থ্য
বায়ু দূষণে কারণে মানুষের শরীরের পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও বিরূপ প্রভাব ফেলে। বায়ু দূষণের ফলে মানসিক চাপ তৈরি হয়, যা মানুষের ‘ওয়েল বিইং’ বা ভালো থাকাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
বায়ুদূষণই যে বড় ধরণের মানসিক রোগ তৈরি করে বিষয়টা এমন নয়। যারা অল্পতে উদ্বিগ্ন হন তাদের মানসিক চাপ, উদ্বেগ বা বিষণ্ণতা বায়ু দূষণের ফলে তীব্র হয়ে ওঠে। যার কারণে মনোযোগে সমস্যা হতে পারে, মেজাজ খিটখিটে হতে পারে, উৎপাদনশীলতাও কমে যেতে পারে।
এমনকি বায়ু দূষণ মানুষের বুদ্ধিও কমিয়ে দিতে পারে বলে গবেষকরা জানিয়েছে।
ঢাকার দূষিত বায়ু ও অর্থনৈতিক প্রভাব
বায়ু দূষণের কারণে শুধু মানুষের শারীরিক বা মানসিক ক্ষতিই করে ব্যাপারটা এমন নয়। একটি দেশে অর্থনীতেও নেতিবাচক প্রভাব ফেল। বায়ু দূষণজনিত রোগের চিকিৎসায় বিপুল অর্থ ব্যয় হয় প্রতিবছর। বাংলাদেশে এ ব্যয়ের পরিমাণ জিডিপির ৪-৫% বলে ধারণা করা হয়। বায়ু দূষণের কারণে শ্রমিকদের উৎপাদনশীলতা কমে যাওয়া, স্বাস্থ্যগত সমস্যার কারণে কর্মক্ষমতা কমে যাচ্ছে, যা অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
এছাড়াও দূষণ রোধে ব্যবস্থা নিতে পরিবেশ সংরক্ষণ খাতে সরকারের বড় অঙ্কের বিনিয়োগ প্রয়োজন হচ্ছে। বিশ্বব্যাংকের রিপোর্ট অনুসারে, বায়ু দূষণের কারণে বাংলাদেশ প্রতি বছর প্রায় ৬.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হারাচ্ছে।
ঢাকার বায়ু দূষণ রোধে করণীয়
ঢাকা শহর ক্রমাগত মানুষের বসবাসের অযোগ্য শহরে পরিণত হচ্ছে। অযোগ্য শহরের পাশাপাশি ঢাকার বাতাসও মানুষের বসবাসের অনুপযোগী হয়ে উঠেছে। তাই এ দূষণ রোধ করতে না পারলে ঢাকায় সত্যি সত্যি বসবাসের অযোগ্য শহর হয়ে উঠবে।
ঢাকার বায়ু দূষণ রোধে কিছু করণীয় দিক রয়েছে। যেমন ইটভাটার নিয়ন্ত্রণ ও আধুনিকায়ন, যানবাহনের ধোঁয়া নিয়ন্ত্রণ, ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলাচল বন্ধ করা, নির্মাণকাজের ধুলাবালি নিয়ন্ত্রণ করা, সবুজায়ন বৃদ্ধি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন করা এবং যথাযথ আইন প্রয়োগ ও সচেতনতা বৃদ্ধিকরা।
বায়ু দূষণ রোধে প্রযুক্তি
বায়ু দূষণ রোধে প্রযুক্তির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রযুক্তি দূষণ নিয়ন্ত্রণে দ্রুত ও কার্যকরী সমাধান ভূমিকা রাখতে পারে। বায়ু বিশুদ্ধকরণ প্রযুক্তি, যেমন HEPA ফিল্টার এবং প্লাজমা পিউরিফায়ার, ঘরোয়া ও শিল্পাঞ্চলে দূষণ কমাতে সাহায্য করে। স্মার্ট সেন্সর ও মনিটরিং প্রযুক্তি বায়ুতে দূষক পদার্থ পর্যবেক্ষণ করে দূষণ-প্রবণ এলাকায় সতর্কতা দেয় এবং যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করে দেয়।
শিল্প-কারখানায় ক্লিনার প্রোডাকশন টেকনোলজি ব্যবহার করে ধোঁয়া ও গ্যাসীয় দূষক কমানো সম্ভব। পরিবেশবান্ধব যানবাহন, যেমন বৈদ্যুতিক বাস ও ট্রেন, এবং নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার করে জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে নির্গত দূষণ কমানো যায়।
এছাড়া, বায়ু পরিশোধন টাওয়ার শহরের বায়ু বিশুদ্ধ করতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। এসব প্রযুক্তির সম্মিলিত প্রয়োগ বায়ু দূষণ মোকাবিলায় একটি শক্তিশালী উপায় হিসেবে কাজ করবে।
বায়ু দূষণ রোধে পরিবেশ রক্ষা আইন
দূষণের মাত্রা কমানোর জন্য বাংলাদেশে বায়ু দূষণ রোধে বেশ কিছু আইন এবং নীতিমালা রয়েছে। এই আইনগুলোর লক্ষ্য হল পরিবেশ সংরক্ষণ, স্বাস্থ্য রক্ষা এবং পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন নিশ্চিত করা। উল্লেখযোগ্য কিছু আইনগুলো হলো পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, (১৯৯৫)পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা (১৯৯৭), পরিবেশ দূষণ (প্রতিরোধ) আইন (২০০১), জাতীয় পরিবেশ নীতি, (১৯৯২),ঢাকা শহর উন্নয়ন নীতিমালা পরিবেশ আদালত আইন (২০০০)। এই আইন ও বিধিমালগুলো পরিবেশ দূষণের মাত্রা, পরিবেশ সংরক্ষণ, দূষণ নিয়ন্ত্রণ, শাস্তি ও জরিমানা, পরিবেশ রক্ষার নীতিমালা নিয়ে কাজ করে।
ঢাকার বায়ু দূষণ একটি গুরুতর পরিবেশগত সমস্যা, যা জনস্বাস্থ্য ও জীবনযাত্রার মানকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করছে। যানবাহন, শিল্প কারখানা, ইটভাটা এবং নির্মাণ কাজের ধুলাবালি ঢাকার বায়ু দূষণের প্রধান কারণ। এই দূষণ শুধুমাত্র শারীরিক স্বাস্থ্য সমস্যার সৃষ্টি করে না, বরং মানসিক ও অর্থনৈতিক ক্ষতির কারণও। দূষণ কমাতে সরকারের পাশাপাশি ব্যক্তিগত ও সামাজিক উদ্যোগের প্রয়োজন। আইন এবং প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে দূষণ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব, তবে এর জন্য কার্যকর আইন প্রয়োগ, নাগরিক সচেতনতা এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। এসব পদক্ষেপ নিলে ঢাকার বায়ু দূষণের মাত্রা কমিয়ে একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ সৃষ্টি করা সম্ভব।
সোর্স
- World Bank Report 2023
- UNEP Global Environment Outlook
- WHO Air Quality Guidelines
- https://www.bbc.com/bengali/articles/cl5vzpwg894o
- https://www-bbc-com.cdn.ampproject.org/v/s/www.bbc.com/bengali/articles/c72yexnwvgvo.amp?amp_gsa=1&_js_v=a9&usqp=mq331AQIUAKwASCAAgM%3D#amp_ct=1735828925023&_tf=From%20%251%24s&aoh=17358289083035&referrer=https%3A%2F%2Fwww.google.com&share=https%3A%2F%2Fwww.bbc.com%2Fbengali%2Farticles%2Fc72yexnwvgvo
- https://www-ittefaq-com-bd.cdn.ampproject.org/v/s/www.ittefaq.com.bd/amp/712813/%E0%A6%A2%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A7%AF-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A6%9A%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A7%82%E0%A6%B7%E0%A6%BF%E0%A6%A4-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B8-%E0%A6%9B%E0%A6%BF%E0%A6%B2-%E0%A7%A8%E0%A7%A6%E0%A7%A8%E0%A7%AA?amp_gsa=1&_js_v=a9&usqp=mq331AQIUAKwASCAAgM%3D#amp_ct=1735828968883&_tf=From%20%251%24s&aoh=17358289083035&referrer=https%3A%2F%2Fwww.google.com&share=https%3A%2F%2Fwww.ittefaq.com.bd%2F712813%2F%25E0%25A6%25A2%25E0%25A6%25BE%25E0%25A6%2595%25E0%25A6%25BE%25E0%25A7%259F-%25E0%25A7%25AF-%25E0%25A6%25AC%25E0%25A6%259B%25E0%25A6%25B0%25E0%25A7%2587%25E0%25A6%25B0-%25E0%25A6%25AE%25E0%25A6%25A7%25E0%25A7%258D%25E0%25A6%25AF%25E0%25A7%2587-%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%25AC%25E0%25A6%259A%25E0%25A7%2587%25E0%25A7%259F%25E0%25A7%2587-%25E0%25A6%25A6%25E0%25A7%2582%25E0%25A6%25B7%25E0%25A6%25BF%25E0%25A6%25A4-%25E0%25A6%25AE%25E0%25A6%25BE%25E0%25A6%25B8-%25E0%25A6%259B%25E0%25A6%25BF%25E0%25A6%25B2-%25E0%25A7%25A8%25E0%25A7%25A6%25E0%25A7%25A8%25E0%25A7%25AA
- https://www-prothomalo-com.cdn.ampproject.org/v/s/www.prothomalo.com/amp/story/lifestyle/health/y1eu2pdjnb?amp_gsa=1&_js_v=a9&usqp=mq331AQIUAKwASCAAgM%3D#amp_tf=From%20%251%24s&aoh=17358290697642&referrer=https%3A%2F%2Fwww.google.com&share=https%3A%2F%2Fwww.prothomalo.com%2Flifestyle%2Fhealth%2Fy1eu2pdjnb
- https://copenhagenconsensus.com/bangladesh-priorities/unanata-parayaukatai-kaibhaabae-saharaera-baayaukae-baisaudadha-karatae
- https://www-jagonews24-com.cdn.ampproject.org/v/s/www.jagonews24.com/amp/769957?amp_gsa=1&_js_v=a9&usqp=mq331AQIUAKwASCAAgM%3D#amp_tf=From%20%251%24s&aoh=17358294024631&referrer=https%3A%2F%2Fwww.google.com&share=https%3A%2F%2Fwww.jagonews24.com%2Ffeature%2Farticle%2F769957
- https://www-bbc-com.cdn.ampproject.org/v/s/www.bbc.com/bengali/articles/cl5vzpwg894o.amp?amp_gsa=1&_js_v=a9&usqp=mq331AQIUAKwASCAAgM%3D#amp_tf=From%20%251%24s&aoh=17358292576977&referrer=https%3A%2F%2Fwww.google.com&share=https%3A%2F%2Fwww.bbc.com%2Fbengali%2Farticles%2Fcl5vzpwg894o