যে দেশের জাতীয় সম্পদের তালিকায় রয়েছে ২০ লক্ষ বোতলের এক ‘গোল্ডেন কালেকশন’! মলদোভার মাটির নিচের ওয়াইন শহর শুধু একটি পর্যটন কেন্দ্র নয়, এটি দেশটির অর্থনীতি ও পরিচয়ের মূল ভিত্তি।
একবার কল্পনা করুন, আপনি এমন একটি শহরে প্রবেশ করছেন, যার পুরোটাই মাটির নিচে। যেখানে রাস্তা আছে, রাস্তার মোড়ে ট্র্যাফিক সাইন আছে, এমনকি রাস্তার নামও দেওয়া আছে ‘ক্যাবারনেট স্ট্রিট’, ‘সোভিনিয়ন লেন’ বা ‘পিনো এভিনিউ’। কিন্তু এই শহরে কোনো বাড়িঘর নেই, নেই কোনো স্থায়ী বাসিন্দা। তার বদলে রাস্তার দু’পাশে যতদূর চোখ যায়, শুধু সারি সারি ওক কাঠের ব্যারেল আর মিলিয়ন মিলিয়ন ওয়াইনের বোতল সযত্নে রাখা আছে। আপনি এই শহরে পায়ে হেঁটে ঘুরতে পারবেন না, আপনাকে ঘুরতে হবে গাড়িতে করে, কারণ এই শহর লম্বায় ২০০ কিলোমিটারেরও বেশি!
এটি কোনো হলিউডের সিনেমার সেট বা কল্পবিজ্ঞানের গল্প নয়। এটি পূর্ব ইউরোপের ছোট্ট দেশ মলদোভার এক অবিশ্বাস্য বাস্তবতা। দেশটির রাজধানী চিসিনাউ-এর ঠিক নিচেই লুকিয়ে আছে এই বিশাল গুহা শহর। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ওয়াইন সেলার বা গুহা, যা গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসেও জায়গা করে নিয়েছে। এটি মলদোভার ‘গোপন ওয়াইন সাম্রাজ্য’, যা শুধু একটি পর্যটন আকর্ষণই নয়, এটি দেশটির জাতীয় গর্ব, ইতিহাস এবং অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি।
মলদোভার ওয়াইন সংস্কৃতি: হাজার বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্য
মলদোভা হয়তো অনেকের কাছেই একটি অপরিচিত নাম, কিন্তু ওয়াইনের ইতিহাসে এই দেশটি এক কিংবদন্তি। এখানকার ওয়াইন তৈরির ইতিহাস প্রায় ৫,০০০ বছরের পুরনো। দেশটির জলবায়ু এবং উর্বর কালো মাটি (Chernozem) আঙুর চাষের জন্য এতটাই উপযোগী যে, একে ‘গার্ডেন অফ গড’ বা ঈশ্বরের বাগান নামেও ডাকা হয়।
উনিশ শতকে যখন এই অঞ্চল রাশিয়ান সাম্রাজ্যের অংশ ছিল, তখন ফরাসি ওয়াইন নির্মাতাদের এখানে বসতি স্থাপনের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়। তারাই তাদের সাথে করে নিয়ে আসেন ক্যাবারনেট সোভিনিয়ন, পিনো নোয়ার এবং আলিগোটের মতো বিখ্যাত ফরাসি আঙুরের জাত, যা মলদোভার ওয়াইন শিল্পকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যায়। এমনকি রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথের ব্যক্তিগত ওয়াইন সংগ্রহেও মলদোভার ‘নেগ্রু দে পুরকারি’ (Negru de Purcari) নিয়মিত জায়গা পেত বলে কথিত আছে, যা এর আন্তর্জাতিক মানের পরিচায়ক।
সোভিয়েত ইউনিয়নের সময়ে, মলদোভা ছিল পুরো সোভিয়েত ব্লকের ‘ওয়াইনের ভান্ডার’। রাশিয়ার অভিজাত শ্রেণি থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ সবার কাছেই মলদোভার ওয়াইন ছিল অত্যন্ত প্রিয়। তবে তখন মূলত মিষ্টি এবং সেমি-সুইট ওয়াইনই বেশি তৈরি হতো, যা ছিল রাশিয়ানদের পছন্দের।
কিন্তু এই ওয়াইন তৈরির মূল রহস্য লুকিয়ে আছে মাটির নিচে। মলদোভার ভূমি মূলত নরম চুনাপাথরের উপর গঠিত। বহু শতাব্দী ধরে, এই চুনাপাথর খনি থেকে তুলে এনে রাজধানী চিসিনাউসহ দেশের বড় বড় শহরগুলো নির্মাণ করা হয়েছে। এর ফলে, মাটির নিচে তৈরি হয়েছে শত শত কিলোমিটার দীর্ঘ এক বিশাল সুড়ঙ্গের জাল। সময়ের সাথে সাথে, মানুষ আবিষ্কার করে যে এই সুড়ঙ্গগুলো ওয়াইন সংরক্ষণের জন্য এক আদর্শ জায়গা। এর কারণ হলো, মাটির গভীরে হওয়ায় এখানকার তাপমাত্রা সারা বছর প্রায় স্থির থাকে (১২-১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস) এবং আর্দ্রতার পরিমাণও থাকে ৮৫-৯৫ শতাংশ। এই শীতল, অন্ধকার এবং স্থির পরিবেশই হলো ওয়াইনকে বছরের পর বছর ধরে সংরক্ষণ করার এবং তার স্বাদ ও গুণমান আরও বাড়িয়ে তোলার (Aging) জন্য সর্বোত্তম। এভাবেই পরিত্যক্ত চুনাপাথরের খনিগুলো রূপান্তরিত হয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং বিস্ময়কর ওয়াইন গুহায়।
মিলেশটি মিচি (Milestii Mici): গিনেস রেকর্ডের অধিকারী ওয়াইনের গোলকধাঁধা
মলদোভার মাটির নিচের ওয়াইন সাম্রাজ্যের রাজা বলা হয় মিলেশটি মিচি-কে। রাজধানী চিসিনাউ থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত এই ওয়াইন সেলারটি আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ওয়াইন সংগ্রহশালার স্বীকৃতি পেয়েছে।
- বিশালতা ও গঠন: মিলেশটি মিচি-র সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্কের মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ২৫০ কিলোমিটার, যার মধ্যে বর্তমানে প্রায় ৫৫ কিলোমিটার ওয়াইন সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি এতটাই বিশাল যে, এর ভেতরে নিজস্ব ট্র্যাফিক নিয়মকানুন রয়েছে। দর্শনার্থীদের গাড়িতে বা বিশেষ ইলেকট্রিক ট্রেনে করে এই সুড়ঙ্গের রাস্তাগুলো দিয়ে ঘুরতে হয়। সুড়ঙ্গে প্রবেশ করার মুহূর্তেই বাইরের গরম আবহাওয়া থেকে এক শীতল, স্যাঁতস্যাঁতে পরিবেশে প্রবেশ করার অনুভূতি হয়, যেখানে বাতাসে ভেসে বেড়ায় পুরনো ওক কাঠের ব্যারেল, মাটির গন্ধ আর হালকা ওয়াইনের সুবাস।
- রেকর্ডধারী সংগ্রহ: গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অনুযায়ী, মিলেশটি মিচিতে প্রায় ২০ লক্ষ বোতল ওয়াইনের এক বিশাল সংগ্রহ রয়েছে। এটিই পৃথিবীর কোনো একক জায়গায় সবচেয়ে বড় ওয়াইন কালেকশন। এখানকার সবচেয়ে পুরনো ওয়াইনটি ১৯৭৩-৭৪ সালের।
- ‘গোল্ডেন কালেকশন’: এই সেলারের সবচেয়ে মূল্যবান অংশ হলো এর গোল্ডেন কালেকশন’। এই অংশে কয়েক হাজার দুর্লভ এবং অত্যন্ত দামী ওয়াইন সংরক্ষণ করা আছে, যা মলদোভার জাতীয় সম্পদের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। এখানকার প্রতিটি বোতলের গায়ে ধুলো এবং মাকড়সার জালের আস্তরণ যেন সময়ের সাক্ষ্য বহন করে। চুনাপাথরের দেয়ালে খোদাই করা ছোট ছোট কুঠুরিতে শুয়ে থাকা এই বোতলগুলো দেখতে একটি প্রাচীন লাইব্রেরির মতো মনে হয়।
- পর্যটন অভিজ্ঞতা: এখানে বিভিন্ন ধরনের ট্যুর প্যাকেজ রয়েছে, যেখানে দর্শনার্থীরা গাড়িতে করে পুরো সেলার ঘুরে দেখার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের ওয়াইন চেখে দেখার (Wine Tasting) সুযোগ পান। টানেলের ভেতরেই রয়েছে রেস্তোরাঁ এবং টেস্টিং হল, যেখানে ঐতিহ্যবাহী মলদোভান খাবারের (যেমন—’plăcinte’ নামক এক ধরনের পাই বা ‘mămăligă’ নামক কর্নমিল ডিশ) সাথে ওয়াইন পরিবেশন করা হয়।
ক্রিকোভা (Cricova): এক ভূগর্ভস্থ ওয়াইন নগরী
যদি মিলেশটি মিচি হয় ওয়াইনের রাজা, তবে ক্রিকোভা হলো রানী। রাজধানী চিসিনাউ থেকে মাত্র ১৫ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত ক্রিকোভা মলদোভার দ্বিতীয় বৃহত্তম এবং সম্ভবত সবচেয়ে বিখ্যাত ওয়াইন সেলার। এর সুড়ঙ্গের মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ১২০ কিলোমিটার।
- জাতীয় ওয়াইনারি: ক্রিকোভাকে মলদোভার ‘জাতীয় ওয়াইনারি’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে এবং এটি জাতীয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ। এর গুরুত্ব এতটাই যে, মলদোভার সংসদ এখানে একটি বিশেষ আইন পাস করেছে, যা এটিকে দেশের অনন্য সম্পদ হিসেবে রক্ষা করে।
- বিশ্বনেতাদের ব্যক্তিগত সংগ্রহ: ক্রিকোভা শুধু তার ওয়াইনের জন্যই বিখ্যাত নয়, এর আরেকটি বড় আকর্ষণ হলো বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান এবং বিখ্যাত ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত ওয়াইন সংগ্রহ। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (যিনি এখানে তার ৫০তম জন্মদিন পালন করেছিলেন), জার্মানির প্রাক্তন চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মের্কেল থেকে শুরু করে সোভিয়েত মহাকাশচারী ইউরি গ্যাগারিন সহ অনেকেরই ব্যক্তিগত ওয়াইন কালেকশন এখানকার বিশেষ ভল্টে সংরক্ষিত আছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর নাৎসি নেতা হারমান গোরিং-এর ব্যক্তিগত ওয়াইন সংগ্রহটিও যুদ্ধস্মারক হিসেবে এখানে নিয়ে আসা হয়, যা আজও সংরক্ষিত আছে।
- স্পার্কলিং ওয়াইন: ক্রিকোভা তার শ্যাম্পেনের মতো স্পার্কলিং ওয়াইন তৈরির জন্য বিশেষভাবে পরিচিত, যা ঐতিহ্যবাহী ফরাসি পদ্ধতি বা méthode champenoise অনুসরণ করে তৈরি করা হয়। দর্শনার্থীরা এখানে সেই প্রক্রিয়াটি দেখার সুযোগ পান, যেখানে বোতলের ভেতরেই দ্বিতীয়বার ফারমেন্টেশন ঘটানো হয়। ঐতিহ্যগতভাবে, ‘remueurs’ বা রিডলার নামে পরিচিত কর্মীরা (যাদের বেশিরভাগই নারী) প্রতিদিন হাতে করে হাজার হাজার বোতল সামান্য ঘুরিয়ে দিতেন, যা এক অত্যন্ত শ্রমসাধ্য কাজ ছিল।
- ভূগর্ভস্থ বিনোদন কমপ্লেক্স: ক্রিকোভা শুধু একটি সেলার নয়, এটি মাটির নিচে এক পূর্ণাঙ্গ বিনোদন কেন্দ্র। এখানে রয়েছে বিলাসবহুল টেস্টিং রুম, ঐতিহ্যবাহী রেস্তোরাঁ, একটি সিনেমা হল এবং কনফারেন্স রুম, যা পর্যটকদের এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা দেয়। এখানকার টেস্টিং সেশনগুলো পেশাদার সোমেলিয়ার দ্বারা পরিচালিত হয়, যা ওয়াইন সম্পর্কে জানার আগ্রহকে আরও বাড়িয়ে তোলে।
মলদোভার অর্থনীতিতে ওয়াইনের অবদান
ওয়াইন মলদোভার জন্য শুধু একটি পানীয় নয়, এটি দেশটির অর্থনীতির মেরুদণ্ড এবং জাতীয় পরিচয়ের প্রতীক।
- রপ্তানি ও জিডিপি: মলদোভার মোট রপ্তানি আয়ের একটি বড় অংশ আসে ওয়াইন শিল্প থেকে। দেশটির জিডিপিতে এর প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ অবদান বিশাল।
- কর্মসংস্থান: আঙুর চাষ থেকে শুরু করে ওয়াইন উৎপাদন, বোতলজাতকরণ, এবং পর্যটন এই পুরো শিল্পটি দেশের লক্ষ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থানের উৎস।
- চ্যালেঞ্জ ও আধুনিকায়ন: সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর মলদোভার ওয়াইন শিল্প বড় ধরনের সংকটে পড়ে। ২০০৬ এবং ২০১৩ সালে রাশিয়া রাজনৈতিক কারণে মলদোভার ওয়াইনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করলে, দেশটি তার সবচেয়ে বড় বাজার হারায়। এই সংকটই মলদোভার জন্য শাপে বর হয়ে দাঁড়ায়। তারা রাশিয়ার ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং বিশ্ব বাজারের জন্য উচ্চ মানের ওয়াইন তৈরি করতে শুরু করে। আজ মলদোভার ছোট ছোট বুটিক ওয়াইনারিগুলো তাদের নিজস্ব আঙুরের জাত, যেমন ফেতেয়াস্কা এবং রারা ন্যাগ্রা, দিয়ে বিশ্বমানের ওয়াইন তৈরি করে আন্তর্জাতিক পুরস্কার জিতছে।
- ওয়াইন ট্যুরিজম ও জাতীয় উৎসব: মিলেশটি মিচি এবং ক্রিকোভার মতো ওয়াইন সেলারগুলো আজ মলদোভার পর্যটন শিল্পের প্রধান আকর্ষণ। প্রতি বছর অক্টোবর মাসে রাজধানী চিসিনাউতে ‘জাতীয় ওয়াইন দিবস’ পালিত হয়, যা পুরো শহরকে এক বিশাল ওয়াইন উৎসবে পরিণত করে।
মলদোভা ভ্রমণে কেমন খরচ পড়ে এবং অন্যান্য টিপস
ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় মলদোভা ভ্রমণ তুলনামূলকভাবে বেশ সস্তা, যা এটিকে বাজেট ট্র্যাভেলারদের জন্য একটি আকর্ষণীয় গন্তব্য করে তুলেছে।
- ভিসা: বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য মলদোভা ভ্রমণের জন্য আগে থেকেই ভিসা সংগ্রহ করতে হয়।
- যাতায়াত: ঢাকা থেকে সরাসরি মলদোভার ফ্লাইট নেই। ইস্তাম্বুল বা দুবাইয়ের মতো ট্রানজিট হয়ে রাজধানী চিসিনাউ-তে পৌঁছাতে হয়।
- থাকা ও খাওয়া: চিসিনাউ-তে বিভিন্ন মানের হোটেল এবং অ্যাপার্টমেন্ট ভাড়ায় পাওয়া যায়। স্থানীয় খাবার এবং ওয়াইনের দামও বেশ কম।
- ওয়াইন ট্যুর খরচ ও টিপস: মিলেশটি মিচি বা ক্রিকোভার ট্যুর প্যাকেজগুলো বেশ জনপ্রিয়, তাই ভ্রমণের অন্তত কয়েক সপ্তাহ আগে অনলাইনে বুকিং দেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। আর বাইরে যতই গরম থাকুক না কেন, সেলারের ভেতরে তাপমাত্রা ১২-১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি ওঠে না, তাই সাথে একটি জ্যাকেট বা সোয়েটার রাখা আবশ্যক।
মলদোভার মাটির নিচের ওয়াইন শহর প্রকৃতির এক অদ্ভুত দান এবং মানুষের উদ্ভাবনী শক্তির এক অসাধারণ উদাহরণ। পরিত্যক্ত খনিকে কীভাবে একটি দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদে পরিণত করা যায়, তার এক জীবন্ত প্রমাণ এই ওয়াইন টানেলগুলো। এটি শুধু মিলিয়ন মিলিয়ন বোতল ওয়াইনের সংগ্রহশালা নয়, এটি মলদোভার হাজার বছরের ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং প্রতিকূলতার মাঝে টিকে থাকার গল্পকে নিজের বুকে ধারণ করে আছে। আপনি যদি একজন ওয়াইনপ্রেমী, ইতিহাস সন্ধানী বা শুধুমাত্র এক নতুন ধরনের অভিজ্ঞতার খোঁজে থাকেন, তবে মলদোভার এই গোপন ওয়াইন সাম্রাজ্য আপনাকে হতাশ করবে না।
তথ্যসূত্র –
- https://www.countryaah.com/bn/moldova-location/
- https://kids.britannica.com/students/article/Moldova/275886
- https://bn.m.wikivoyage.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A6%A6%E0%A7%8B%E0%A6%AD%E0%A6%BE
- https://idaoffice.org/bn/posts/%25e0%25a6%25ae%25e0%25a6%25b2%25e0%25a6%25a6%25e0%25a7%258b%25e0%25a6%25ad%25e0%25a6%25be-%25e0%25a6%25b8%25e0%25a6%25ae%25e0%25a7%258d%25e0%25a6%25aa%25e0%25a6%25b0%25e0%25a7%258d%25e0%25a6%2595%25e0%25a7%2587-%25e0%25a7%25a7%25e0%25a7%25a6%25e0%25a6%259f%25e0%25a6%25bf-%25e0%25a6%2586%25e0%25a6%2595%25e0%25a6%25b0/
- https://www.travelandtourworld.com.bd/news/article/tag/moldova-wine-tourism/