পরিসংখ্যান বলে, মাত্র ৯% মানুষ তাদের নিউ ইয়ার রেজ্যুলুশন ফলো করতে পারে এবং এর ভালো ফল পায়। বাকিরা মাঝপথেই থেমে যায়!
নতুন বছর একটা কামব্যাক দিতেই হবে!! কাল থেকে পড়তে বসবো!! কাল থেকে ভালো হয়ে যাব!! কাল থেকেই ওজন কমানোর জন্য নিয়মিত জিম শুরু করব!! নতুন বছর, নতুন আমি!!
বাক্যগুলো কেমন চেনা চেনা লাগছে, তাই না? কারণ, নতুন বছর এলেই এমন হাজারো পোস্টে ফেসবুকের টাইমলাইন ভরে ওঠে। সবাই নিজের জন্য কোনো না কোনো রেজ্যুলুশন ঠিক করি, যাকে আমরা বলি “নিউ ইয়ার রেজ্যুলুশন”। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, এই রেজ্যুলুশনগুলো বেশিরভাগ সময় শুধু পরিকল্পনার মধ্যেই থেকে যায়। এর কিছুদিন পর বাস্তবায়নের পথে নামতে গিয়ে সেগুলো হারিয়ে যায় মাঝপথেই।
নিউ ইয়ার রেজ্যুলুশন কি?
নতুন বছর শুরু হলেই একটা শব্দ সবার মুখে মুখে থাকে, তা হল নিউ ইয়ার রেজ্যুলুশন । আসলে নিউ ইয়ার রেজ্যুলুশন বলতে আমরা কি বুঝি?
নিউ ইয়ার রেজ্যুলুশন (New Year’s Resolution) মূলত এমন একটি ব্যক্তিগত প্রতিশ্রুতি বা লক্ষ্য, যা মানুষ নতুন বছর শুরু করার সময় ঠিক করে। এটি এক ধরনের আত্ম-উন্নতির প্রতিশ্রুতি। এই প্রতিশ্রুতি ব্যক্তিগত, পেশাগত, স্বাস্থ্য বা জীবনের যেকোন কিছু নিয়ে হতে পারে। মূলত, নতুন বছরকে একটি নতুন সূচনা হিসেবে দেখিয়ে, নিজের জীবন কে আরও উন্নত করতে এবং ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে এই প্রতিশ্রুতিগুলো নেওয়া হয়।
নিউ ইয়ার রেজ্যুলুশন ধরন
নিউ ইয়ার রেজ্যুলুশন বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। যেমন–
স্বাস্থ্য: নিয়মিত ব্যায়াম করা, ওজন কমানো বা বাড়ানো, স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া।
পড়াশোনা বা কাজ: নতুন কোনো দক্ষতা শেখা, ক্যারিয়ারে উন্নতি করা।
অর্থনীতি: সঞ্চয় বাড়ানো, ঋণ পরিশোধ করা।
ব্যক্তিগত সম্পর্ক: পরিবারের সঙ্গে আরও বেশি সময় কাটানো, বন্ধুত্ব দৃঢ় করা।
ব্যক্তিগত উন্নয়ন: ধ্যান করা, ধূমপান বা মদ্যপান ত্যাগ করা, বই পড়া।
পরিবেশ: পরিবেশবান্ধব জীবনযাপন করা, প্লাস্টিক ব্যবহার কমানো।
নিউ ইয়ার রেজ্যুলুশনের ইতিহাস
নিউ ইয়ার রেজ্যুলুশনের ইতিহাস বেশ পুরনো এবং বিভিন্ন সংস্কৃতিতে এর প্রচলণ রয়েছে। এই প্রথার মূল শিকড় খুঁজতে গেলে আমরা পেয়ে যাই প্রাচীন সভ্যতাগুলোর কিছু চমকপ্রদ উদাহরণ।
প্রাচীন ব্যাবিলন (৪০০০ বছর পূর্বে)
নতুন বছরের রেজ্যুলুশন করার ধারনাটা প্রায় ৪০০০ বছর আগে মেসোপটেমিয়ার ব্যাবিলন সভ্যতায় শুরু হয়েছিল। তখনকার মানুষ নতুন বছর উদযাপন করত মার্চ মাসে, যখন কৃষি মৌসুম শুরু হতো।
তারা দেবতাদের খুশি করতে এবং পুরোনো ঋণ শোধের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নতুন পরিকল্পনা করত।
রোমান সাম্রাজ্যে
এই সময়, সম্রাট জুলিয়াস সিজার খ্রিস্টপূর্ব ৪৬ সালে “জানুয়ারি” মাসকে বছরের প্রথম মাস হিসেবে ঘোষণা করেন। জানুয়ারি মাসের নামকরণ করা হয় রোমান দেবতা “জেনাস”-এর নামে, যিনি দ্বিমুখী ছিলেন, অর্থাৎ, অতীত ও ভবিষ্যৎ উভয় দিক নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা রাখতেন।
সে সময় মানুষ নতুন বছরে সবার সাথে ভালো আচরণের প্রতিজ্ঞা করতো, আর নতুন বছরে নিজেদের উন্নতির জন্য রেজ্যুলুশন নিত।
মধ্যযুগীয় রীতি
মধ্যযুগে খ্রিস্টান ধর্মের বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে নতুন বছরের রেজ্যুলুশন আরও জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। ১৭৪০ সালে জন ওয়েসলি নামক এক খ্রিস্টান ধর্মগুরু “কোভেনান্ট রিনিউয়াল সার্ভিস” নামে একটি প্রথা চালু করেন। যেখানে নতুন বছর উদযাপন করা হত ধর্মীয় প্রার্থনার মাধ্যমে।
এই সময়ে তারা নিজের পাপ স্বীকার করে ভালো কাজের প্রতিজ্ঞা করত।
আধুনিক যুগের রেজ্যুলুশন
১৮ শতকে, বিশেষ করে ১৭৯০ এর দশকে, পশ্চিমা সমাজে নিউ ইয়ার রেজ্যুলুশন বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। তখন মানুষ নিজেদের উন্নতির জন্য নতুন লক্ষ্য ঠিক করতে শুরু করেছিল। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আর সমাজের প্রতি দায়িত্ব নেওয়ার মতো বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
রোমান্টিক যুগের ভাবনা আর স্বাধীনতার চেতনা এই প্রথাকে আরো জোরদার করেছিল, কারণ মানুষ চেয়েছিল তাদের জীবনে কিছু পরিবর্তন আনতে। শিল্প বিপ্লবের মতো বড় সামাজিক পরিবর্তনও নতুন ধারণার প্রতি আগ্রহ বাড়িয়ে দিয়েছিল, আর এই সময়েই নিউ ইয়ার রেজ্যুলুশন একটা বড় সামাজিক প্রথা হয়ে উঠেছিল, যা বর্তমানেও বিদ্যমান রয়েছে।
নিউ ইয়ার রেজ্যুলুশনের সফলতার পরিমাণ
নতুন বছরের রেজ্যুলুশন মানুষের আচরণে কতটুকু পরিবর্তন হয়, সেটা নিয়ে অনেক বিতর্ক রয়েছে। সাধারণত, নতুন বছরের শুরুতে কয়েকটা দিন ভালো চলে, তারপর ধীরে ধীরে মনোযোগ কমতে শুরু করে।
তবে যদি লক্ষ্যগুলো স্পষ্ট ও সঠিকভাবে নির্ধারণ করা হয়, তাহলে ফলাফল ভালো হতে পারে।
২০১৪ সালের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৩৫% মানুষ তাদের নতুন বছরের সিদ্ধান্তে ব্যর্থ হয়েছে। তারা বলেছে যে, তাদের লক্ষ্য বাস্তবসম্মত ছিল না। ৩৩% তাদের অগ্রগতি ট্র্যাক করেনি, ২৩% ভুলে গিয়েছিল, আর বাকিরা অনেকগুলো সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।
১৯৭২ সালে উইসকনসিন বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, নতুন বছরের সিদ্ধান্তে ওজন কমানোর ক্ষেত্রে তেমন কোনো প্রভাব ছিল না। সিদ্ধান্ত নিলেও বা মনিটরিং করলেও, তেমন কোনো বড় পরিবর্তন আসেনি।
২০০৭ সালে ব্রিস্টল বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ৩,০০০ জনের মধ্যে ৮৮% মানুষ তাদের সিদ্ধান্তে ব্যর্থ হয়েছে, যদিও প্রথমে তারা সফল হওয়ার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী ছিল।
তাহলে কি রেজ্যুলুশন একটি মিথ?
নিউ ইয়ার রেজ্যুলুশন পুরোপুরি সত্যিও না, আবার পুরোপুরি মিথ্যেও না। অর্থাৎ, নিউ ইয়ার রেজ্যুলুশন সত্যি, নাকি পুরোটাই একটা বড় মিথ (myth)—এটা কিন্তু পুরোটাই আমাদের উপরে ডিপেন্ড করে। বছরের শুরুর দিনটায় আমরা সবাই মনে করি, “এইবার বদলে যাবো!” কিন্তু মাসখানেক পরেই সেই আগের রুটিনে ফিরে যাই।
আসল সত্যিটা হলো, রেজ্যুলুশন মানে শুধু ইচ্ছা করাই নয়, সেটা ধরে রাখার জন্য ডেডিকেশনও লাগে। জিমে ভর্তি হয়ে কয়েকদিন যাওয়া আর তারপর “কাল থেকেই আবার শুরু করবো” বলে আলসেমি করা, এটাই বেশি ঘটে।
তাই, নিউ ইয়ার রেজ্যুলুশন সত্যি বা মিথ্যা হওয়া নির্ভর করে আপনি কতটা আন্তরিকভাবে চেষ্টা করছেন এবং আপনার লক্ষ্য কতটা বাস্তবসম্মত। যদি আপনি পুরোপুরি পরিকল্পনা ও মনোবল এর সাথে রেজ্যুলুশন করেন তাহলে আপনি অবশ্যই সফল হবেন ।তখন এটিকে আর মিথ মনে হবে না ।
কেন নিউ ইয়ার রেজ্যুলুশন ব্যর্থ হয়
নতুন বছর জীবনটাকে নতুনভাবে সাজাবার নতুন সুযোগ কিন্তু নতুন বছর তো এর আগেও পেয়েছেন। নিউ ইয়ার রেজ্যুলুশন করেছেন এর আগেও কিন্তু কি হয়েছে মনে করে দেখুন তো?
ফেব্রুয়ারি আসতে না আসতেই রেজ্যুলুশন ভুলে আগের জীবনে ফেরত। যারা নতুন বছরের সংকল্প গ্রহণ করেন, তাদের মধ্যে ৯% এরও কম মানুষ আসলে সেই সংকল্প সফলভাবে পূর্ণ করতে পারেন। তাহলে কেন নতুন বছরের সংকল্পগুলো ব্যর্থ হয়?
সাধারণত নিউ ইয়ার রেজ্যুলেশন পূরণ করতে ব্যর্থ হয় কয়েকটি কারণে:
- নতুন বছরের রেজ্যুলুশন করার আগে পুরনো বছরকে নিয়ে একটু ভাবুন। যে কাজগুলো ভালো হয়েছিল তা নিয়ে চিন্তা করুন, ভালো হয়নি তা নিয়েও চিন্তা করুন। এই পর্যালোচনা আপনাকে দেবে নতুন শুরুর ভিত্তি।
- সুনির্দিষ্ট ভাবে ঠিক করুন এক্ষেত্রে স্মার্ট হতে চেষ্টা করুন। ভাবছেন পোশাকের স্মার্ট এর কথা বলছি? না। স্মার্ট হল আপনার লক্ষ্যটাকে নির্দিষ্ট হয়েছে কিনা তার কিছু মাপক। Specific, Measurable, achievable, Relevant, Time bound। যেমন- আমি সুস্থ হতে চাই, এটা না বলে বলুন আমি সপ্তাহে পাঁচ দিন অন্তত ৩০ মিনিট করে হাঁটবো এবং এটা আমি শুরু করব ২ ফেব্রুয়ারি থেকে। আপনি আপনার লক্ষ্যকে যত সুনির্দিষ্ট করবেন ততটা অর্জন করা আপনার জন্য সহজ ।
- আমরা অনেক বড় বড় লক্ষ্য ঠিক করি কিন্তু সেটা এর জন্য কাজের ধাপগুলোকে নির্দিষ্ট করি না। ফলে বাস্তবে কাজটা হওয়া তো দূরের কথা শুরুই হয় না ।যেমন বছরে বারোটা বই পড়বেন এটা না বলে ঠিক করুন প্রতিদিন ২০ মিনিটের জন্য আপনি পড়বেন। প্রতিদিনের এই ছোট ছোট কাজই মাস বছর শেষে আপনাকে বারোটা বই পড়ার কাজকে সম্ভব করে তুলবে।
- বেশিরভাগ মানুষই খুব ভালো পারফর্ম করে যখন তাদেরকে মনিটর করা হয়। আপনার নিজের এই লক্ষ্যগুলোতে আপনি এগোতে পারছেন কিনা তা যাচাই করার জন্য আপনি একজন মনিটর নিয়োগ করুন। এটা হতে পারে আপনার কোন বন্ধু বা কোন অ্যাপ বা আপনার একটি কমিউনিটি। এখানে এলেই আপনি বুঝবেন ইতিবাচক জীবনের পথে আপনার এগুলো কেমন হচ্ছে।
- একসাথে অনেকগুলো লক্ষ্য ঠিক করার ফলে কোনোটিতেই ঠিকঠাক সফল হওয়া যায়না। কোনটা রেখে কোন লক্ষ্যটির উপর ফোকাস করা হবে সেটি বোঝা সম্ভব হয় না। যার ফলে দিনশেষে কোন লক্ষই পূরণ হয় না।
- অন্য একটি কারণ হিসেবে ধরা হয়, বছরের শেষ দিন এবং শুরুর দিন প্রায় গোটা পৃথিবীর মানুষই উৎসবের আনন্দের মধ্যে থাকেন। সেই কারণে বছরের শুরুতে কোন কাজ শুরু করার কথা ভাবা হলেও উৎসবের মেজাজের কারণে তা হয়ে ওঠে না অনেক সময়।
তাই বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন নিউ ইয়ার রেজ্যুলুশন না নিয়ে যদি কোন কাজ আপনি শুরু করতে চান তাহলে তা ভাবা মাত্রই ওই দিন থেকেই ধীরে ধীরে শুরু করে দিন, নতুন বছরের জন্য অপেক্ষা করে থাকবেন না। তবেই তা সহজ এবং সম্ভব হয়ে উঠবে।
কিভাবে নিউ ইয়ার রেজ্যুলুশন পূরণ করা যায়
অনেক ক্ষেত্রেই রেজ্যুলুশন গুলো মাঝপথে কিংবা আগেই থেমে যায়। তাই সফল হতে হলে কিছু কার্যকর কৌশল অনুসরণ করতে হবে। যেমন
বাস্তবসম্মত এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ
আপনার রেজ্যুলুশন অবশ্যই বাস্তব সম্মত এবং নির্দিষ্ট কিছু হতে হবে। যেমন “আমি সুস্থ থাকতে চাই” বলার পরিবর্তে “আমি সপ্তাহে তিন দিন ৩০ মিনিট ব্যায়াম করব” বলুন। এইভাবে নির্দিষ্ট লক্ষ্য স্থির করলে তা অর্জন করা আরো সহজ হবে।
ছোট ধাপে এগিয়ে যাওয়া
বড় কোন লক্ষ্যে না এগিয়ে ছোট ছোট ধাপে ভাগ করুন। প্রতিটি ছোট ধাপ অর্জন করলে আত্মবিশ্বাস বাড়বে এবং এর মাধ্যমে আপনি মূল লক্ষ্য থেকে সরে যান না। যেমন, যদি ওজন কমানোর ইচ্ছা থাকে, তাহলে শুরুতে খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন এবং নিয়মিত হাঁটার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
সময়ের পরিকল্পনা করা
সফল হওয়ার জন্য সময়ের পরিকল্পনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময় লক্ষ্য পূরণের জন্য রাখা উচিত । এটি নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত হলে আপনার রেজ্যুলুশন বাস্তবায়ন অনেকটাই সহজ হবে।
পর্যবেক্ষণ এবং পর্যালোচনা
আপনার অগ্রগতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করুন। কোন কাজ তার লক্ষ্য অনুযায়ী কার্যকর হচ্ছে এবং কোনটি হচ্ছে না তা বিশ্লেষণ করুন। প্রয়োজনে পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনুন।
অতীত ভুল থেকে শিক্ষা
আগের বছরের রেজ্যুলুশন ব্যর্থ হলে সেটি বিশ্লেষণ করুন। কেন ব্যর্থ হয়েছিল এবং কীভাবে এই বছর সফল হওয়া যায় তা ভাবুন।
নিউ ইয়ার রেজ্যুলুশন শুধু একটা প্রতিজ্ঞা নয়, এটা জীবনের দিকে নতুন করে তাকানোর সুযোগ। এটি আত্মবিশ্বাস বাড়ায়, সাফল্যের পথে এগোতে অনুপ্রাণিত করে, এবং জীবনকে সুন্দর করে তুলতে সাহায্য করে। সঠিকভাবে রেজ্যুলুশন মেনে চললে বুঝতে পারবেন, ইচ্ছাশক্তি থাকলে সবকিছু সম্ভব। একটু পরিকল্পনা, ধৈর্য এবং মন থেকে চেষ্টা করলে নতুন বছরে নিজের জীবনে দারুণ পরিবর্তন আনতে পারবেন।
রেফারেন্স
- https://www.getsupporti.com/post/six-reasons-why-your-new-years-resolution-failed
- https://bangla.asianetnews.com/life/lifestyle/why-do-new-year-resolutions-remain-incomplete-know-the-reason-and-tips-to-complete-it-bpsb/articleshow-qt4qphw
- https://www.wikiwand.com/en/articles/New_Year’s_resolution
- https://www.verywellmind.com/why-new-years-resolutions-fail-6823972
- https://www.linkedin.com/pulse/new-years-resolution-myth-problems-solutions-aida-noor