Image default
পথে প্রান্তরে

বিশ্বের সবচেয়ে রোমান্টিক পর্যটন কেন্দ্র- শুরু হোক ভালোবাসার যাত্রা !!

রোমান্টিক ডেস্টিনেশন মানেই শুধু ভ্রমণ নয়, বরং ভালোবাসা মানুষের সাথে একটু সময় কাটানোর একটা অজুহাত!

দেশ বিদেশে ঘুরে বেড়াতে কার না ভালো লাগে? সেটা যদি হয় আবার প্রিয় মানুষের সাথে তাহলে তো কথাই নেই। ভালোবাসার মানুষটির সাথে ঘুরে বেড়ানোর আনন্দই এক অন্য ধরনের অনুভূতি। যা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। 

পৃথিবীতে এমন কিছু জায়গা আছে যেখানে প্রেম আর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য একসাথে মিলে যায়। সেটা হতে পারে দেশীয় কোনো জায়গা  কিংবা বিদেশের কোনো রোম্যান্টিক গন্তব্য। মানছি এতে পকেটেরও অবস্থা নাজেহাল হবে… সেক্ষেত্রে সবগুলো সম্ভব না হলেও অন্তত কয়েকটি তো ঘুরে আসতেই পারেন।

প্যারিস শহর

প্যারিস, ফ্রান্স

রোমান্টিক ছুটির কথা হচ্ছে আর প্যারিসের কথা উঠবে না এমন তো হতেই পারে না !! কারণ প্যারিসকে বলা হয় ‘’সিটি অফ লাভ’’। এই ঐতিহাসিক শহরে পা রাখার সঙ্গে সঙ্গে মনে হবে যেন কোনো রোমান্টিক সিনেমার সেটে চলে এসেছেন। আইফেল টাওয়ার থেকে শুরু করে সেইন নদীর ধারে হাত ধরে হাঁটা, বা নদীর ওপর ছোট্ট সেতুগুলোর একপাশে দাঁড়িয়ে সুর্যাস্ত দেখা—এগুলো মনে করিয়ে দেয় কেন প্যারিসকে ভালোবাসার শহর বলা হয়।

প্যারিস গেলে যে কাজগুলো করতে পারেন

আইফেল টাওয়ারে সেলফি তোলা

প্যারিসের অন্যতম আকর্ষণই হলো আইফেল টাওয়ার।হ্যাঁ, এটা একটু ক্লিশে, কিন্তু আইফেল টাওয়ারে গিয়ে ছবি না তুললে আপনার প্যারিস ট্রিপটাই অসম্পূর্ণ!

সেইন নদীর ধারে হাঁটা  

নদীর ধারে হাটতে কার না ভালো লাগে? সেইন নদীর দুপাশে অনেক সুন্দর রাস্তা এবং পার্ক রয়েছে।তাই আপনি চাইলে আপনার প্রিয়জনের হাত ধরে সেইন নদীর ধারে হাঁটতে পারেন। 

ক্যাফে হপিং 

প্যারিস তার ক্যাফের জন্য বিশ্ববিখ্যাত।এখানে আপনি প্রিয় মানুষকে নিয়ে রাস্তার ধারের একটি ছোট ক্যাফেতে বসে গরম কফি আর তাজা ক্রোয়াসঁন উপভোগ করতে পারবেন।সাথে প্যারিসের মনোরম আবহাওয়া আর শহরের রোমান্টিক পরিবেশে ডুবে যেতে পারবেন।

লুভর মিউজিয়াম ঘোরা 

লুভর মিউজিয়াম শিল্পপ্রেমীদের জন্য এক স্বপ্নের মতো। যদি আপনার আর্ট ও সংস্কৃতি ভালো লাগে, তাহলে এই মিউজিয়ামটি অবশ্যই ভালো লাগবে। এখানে রয়েছে অসংখ্য মহামূল্যবান শিল্পকর্ম,যেমন বিশ্ববিখ্যাত মোনালিসা,ভেনাস দে মিলোর ভাস্কর্য।

শপিং 

প্যারিস  ফ্যাশনের শহর। শপিংপ্রেমীরা এখানকার ছোট দোকান ও শোরুমে ঘুরে দেখতে পারেন। এটি শুধু বিশ্বখ্যাত ডিজাইনারদের জন্য নয়। বরং স্থানীয় ফ্যাশন ট্রেন্ড ও অনন্য স্টাইল আবিষ্কারের জন্যও বিখ্যাত।

মালদ্বীপের সাদা বালির সমুদ্র সৈকত

মালদ্বীপ 

ছুটি কাটানোর জন্য আরেকটি অন্যতম স্থান হচ্ছে মালদ্বীপ। সেলিব্রেটি থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষদের ছুটি কাটানোর জন্য প্রথম পছন্দর তালিকাতেই থাকে এটি। কারণ, মালদ্বীপ মানে হল নীল পরিষ্কার পানি, সাদা বালির সমুদ্রসৈকত আর বিলাসবহুল পানির উপর ভেসে থাকা ভিলা। এখানে আপনি প্রকৃতি আর কম খরচে সুন্দর সময় কাটাতে পারবেন। 

মালদ্বীপে গেলে যে কাজগুলো করতে পারবেন 

স্নোরকেলিং ও স্কুবা ডাইভিং 

মালদ্বীপ তার প্রবাল জীববৈচিত্র্যের জন্য বিখ্যাত। তাই এখানে আপনি স্নোরকেলিং বা স্কুবা ডাইভিং করে রঙিন মাছ, প্রবাল এবং সামুদ্রিক জীবজন্তু দেখার অভিজ্ঞতা উপভোগ করতে পারবেন।

প্রাইভেট আইল্যান্ড ভিজিট 

মালদ্বীপে অনেক প্রাইভেট আইল্যান্ড রিসোর্ট  আছে যেখানে আপনি নির্জনে সময় কাটাতে পারেন। যদি আপনার বাজেট বেশি হয় তাহলে এই রিসোর্টগুলোতে লাক্সারি সেবার অভিজ্ঞতা পাবেন।

সানসেট ক্রুজ 

অন্যতম মালদ্বীপের আকর্ষণ ধীরগ তির বোটে করে সাগরের বুকে সূর্যাস্ত উপভোগ করা। এই সময় আপনার ভাগ্য ভালো থাকলে ডলফিন দেখার সুযোগও থাকে।

আন্ডারওয়াটার রেস্তোরাঁয় খাবার খাওয়া 

আমরা সবাই তো রেস্টুরেন্টে খাওয়া দাওয়া করি, কিন্তু, কেমন হয় যদি পানির নিচে খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা থাকে? মালদ্বীপের রয়েছে আন্ডারওয়াটার রেস্তোরাঁ। এইখানে আপনি পানির নিচে বসে খাবার খেতে খেতে সামুদ্রিক জীবন দেখতে পারবেন।

লোকাল আইল্যান্ড ট্যুর 

মালদ্বীপে অনেক স্থানীয় ছোট ছোট দ্বীপ রয়েছে। মাফুশি, গুলিহি, এবং ধিগুরাহ এর মধ্যে বেশ জনপ্রিয়। এগুলোতে ভ্রমণ করলে আপনি স্থানীয় সংস্কৃতি,জীবনধারা, এবং অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন।

সান্তোরিনির সূর্যাস্ত

সান্তোরিনি, গ্রীস

সান্তোরিনি, গ্রীসের অন্যতম একটি দ্বীপ—যেখানে রয়েছে অসাধারণ সূর্যাস্তের দৃশ্য। সাথে দারুণ সব হোটেল থাকার সুযোগ। সাদা রঙের ভবন, নীল গম্বুজ এবং এজিয়ান সাগরের ওপর সূর্যাস্ত দেখা ।এই জায়গাকে করে তুলেছে বিশ্বের অন্যতম একটি রোমান্টিক স্থান।এই দ্বীপের একটি মজার বিষয় হল,এইখানে মাত্র ৪৭০টি বাড়ি রয়েছে। তাই সবসময়ই শান্ত-শীতল পরিবেশ বিরাজ করে।তাই  প্রিয়জনের সাথে একান্তে কিছু সময় কাটানোর জন্য পারফেক্ট স্থান এই নীল গম্বুজের শহর।

সান্তোরিনি গেলে যে কাজগুলো করতে পারবেন

ওইয়া (Oia) থেকে সূর্যাস্ত উপভোগ করা 

ওইয়া গ্রাম সান্তোরিনির অন্যতম বিখ্যাত স্থান।এইখানেই পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর সূর্যাস্ত দেখা যায়। তাই সন্ধ্যা থেকে এখানে ভিড় করে হাজার হাজার স্থানীয় ও পর্যটনরা। 

ক্যালডেরা ভ্রমণ 

সান্তোরিনিতে গেলে ক্যালডেরা ভ্রমণটা একটা মাস্ট! এই জায়গাটা সান্তোরিনির আগ্নেয়গিরির ইতিহাসের জন্য বিখ্যাত। এখানে বোট ট্যুরে গিয়ে আপনি অ্যাকটিভ আগ্নেয়গিরি (Nea Kameni) দেখতে পারবেন ।তাছাড়াও, এইখানে গেলে আপনি গরম পানির ঝর্নায় (Hot Springs) গোসলের অভিজ্ঞতা নিতে পারেন।

ক্যাবল (cabel) কার ভ্রমণ  

সান্তোরিনিতে ক্যাবল কারে চড়ার অভিজ্ঞতা দারুণ রোমাঞ্চকর! পাহাড়ের চূড়া থেকে নীচের সাগরের দিকে নামতে নামতে চারপাশের অপূর্ব দৃশ্য উপভোগ করা যায়। একটু সাহস চাই, কিন্তু বিষয়টি ভীষণ মজার।

লাভা বিচ ভ্রমণ  

সান্তোরিনির লাভা বিচগুলো বেশ ইউনিক! আপনি চাইলে কালো বালির Red Beach বা সাদা পাথরের White Beach-এ সাগরের ধারে সময় কাটতে পারেন। এখানের ঠান্ডা বাতাস, নীল পানির মৃদু শব্দ আপনাকে এক অন্যরকম প্রশান্তি দেবে। যা আপনার পুরো দিনকে রিল্যাক্সিং করে তুলবে।

রোমান্টিক ক্যান্ডেল লাইট ডিনার 

সান্তোরিনিতে রোমান্টিক ক্যান্ডেল লাইট ডিনার উপভোগ করার জন্য কিছু বিশেষ রেস্তোরাঁ রয়েছে ।যেখানে আপনি সমুদ্রের সৌন্দর্য উপভোগ করার পাশাপাশি সুস্বাদু খাবারও খেতে পারবেন।

কিয়োটো গোল্ডেন প্যাভিলিয়ন

কিয়োটো, জাপান

যদি রোমান্টিক ভ্রমণের জন্য এমন একটি জায়গার কথা ভাবেন যেখানে ঐতিহ্য আর প্রকৃতি দুইটিই রয়েছে। তাহলে জাপানের কিয়োটো আপনার জন্য পারফেক্ট ভ্রমণ ঠিকানা। কিয়োটো তার ঐতিহাসিক মন্দির, চেরি ফুলের বাগান, এবং মনরম পরিবেশের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। এখানে একসাথে আধুনিকতা ও প্রাচীন ঐতিহ্যের মিশ্রণ রয়েছে।একসাথে অরণ্যে হাঁটা, শান্ত মন্দিরে সময় কাটানো, কিংবা ঐতিহ্যবাহী চা অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া—কিয়োট আপনাকে মুগ্ধ করবে।

কিয়োটো গেলে যে কাজগুলো করতে পারেন

ফুশিমি ইনারি তাইশা মন্দিরে ভ্রমণ

ফুশিমি ইনারি তাইশা মন্দিরে ভ্রমণ কিয়োটোর অন্যতম সেরা অভিজ্ঞতা। এইখানকার লাল তোড়ির দীর্ঘ সারি দিয়ে তৈরি পথটি মন্দিরের মূল আকর্ষণ হিসেবে ধরা হয়। এই পথ ধরে হাঁটলে প্রকৃতির সৌন্দর্য আর জাপানের ঐতিহ্য অনুভব করা যায়। 

কিঙ্কাকুজি (গোল্ডেন প্যাভিলিয়ন)মন্দির দর্শন

গোল্ডেন প্যাভিলিয়ান (Golden Pavilion) বা কিঙ্কাকুজি (Kinkaku-ji) হল জাপানের বিখ্যাত বৌদ্ধ মন্দির। এটি জাপানের কিয়োটো শহরে অবস্থিত। এই স্থাপত্যটি সোনালী রঙের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। এই মন্দিরের চারপাশের পরিবেশ আপনাকে যেমন মুগ্ধ করবে তেমন প্রশান্তিও দিবে। 

আরাশিয়ামা বাঁশের বন

আরাশিয়ামা বাঁশের বন কিয়োটোর অন্যতম সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ স্থান। উঁচু বাঁশের সারি দিয়ে তৈরি পথ ধরে হাঁটলে প্রকৃতির সঙ্গে গভীর সংযোগ অনুভব করা যায়। হালকা বাতাসে বাঁশগুলোর দোল খাওয়া এবং তাদের সুরেলা শব্দ মনকে প্রশান্ত করবে। 

চেরি ফুলের বাগান (সাকুরা) উপভোগ 

বসন্তকালে কিয়োটো তার সেরা রূপে থাকে। চারদিকে চেরি ফুল ফুটে থাকে। আপনি কিয়োটের পথ ধরে যতবার হাঁটা যায় ততবার চেরি ফুলের সৌন্দর্যে আত্মহারা হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।  

বালির উবুদ শহর

বালি, ইন্দোনেশিয়া

বালি একটা মজার জায়গা! একে বলা হয় মিলিয়ন দ্বীপের ভূমি। যেখানে কুয়াশায় ঢাকা রহস্যময় পাহাড় আর শান্ত সাগরতীর ক্লাবগুলো আছে। এখানকার থাকার জায়গাগুলোও একেবারে মন কাড়া, দারুণ সুন্দর। বালি এমন এক জায়গা যেখানে আপনি পুরোপুরি শিথিল হয়ে যেতে পারবেন, ভালো সময় কাটাতে পারবেন। আর প্রকৃতির মাঝে হারিয়ে যেতে পারবেন। চাইলে হালকা অ্যাডভেঞ্চার করতে পারেন, চাইলে শুধু আরাম করতে পারেন—সব কিছুই এখানে করা সম্ভব!

বালি গেলে যে কাজগুলো করতে পারেন

উলুওয়াটু মন্দিরে সূর্যাস্ত দেখা 

সমুদ্রের ধারের এই মন্দিরে সূর্যাস্তের দৃশ্য দেখা যায় । সাথে মন্দিরের ঐতিহ্যবাহী কেকাক নৃত্যও একবার দেখে নিতে পারেন।

সেমিন্যাক ও কুটা সৈকতে সময় কাটানো 

সাদা বালির এই সৈকতগুলোতে একসাথে সূর্যস্নান করা, পানীয় উপভোগ করা, কিংবা সমুদ্রের ধারে রোমান্টিক ডিনার করার মজাই আলাদা। তাই সেখানে গেলে আপনার এই অভিজ্ঞতা নেওয়া উচিত। 

লাভারস ফাউন্টেন ট্রেক

সেকাম্পুল বা গীতমেলা জলপ্রপাতে ট্রেকিং করা একদিকে যেমন রোমাঞ্চকর। অন্যদিকে আপনার প্রিয় জনের সাথে একসঙ্গে কাটানো মুহূর্তগুলোও রোমান্টিক করে তোলে।

বালিনিজ স্পা উপভোগ 

বালি এর স্পা সেশনের জন্য বিখ্যাত। বালিতে আসলে অবশ্যই এর বিখ্যাত স্পা সেন্টার  থেকে স্পা উপভোগ করতে পারেন।

ভারতের তাজমহল

ভারত 

লাক্সারি ট্রেনে ভ্রমণ করাটা একদম অন্য রকম একটা অনুভূতি। তার সঙ্গে যদি ভারত যোগ হয়, তাহলে ব্যাপারটা একেবারে জমে যাবে! একসময় মহারাজারা তাদের ট্রেনে চারপোস্টার বিছানা, সিংহাসন এমনকি আসবাবপত্র পর্যন্ত নিয়ে ঘুরতেন। সেই রাজকীয় ভাবটাই এখন নতুন মহারাজা এক্সপ্রেসে পাওয়া যায়। ভারতের একমাত্র লাক্সারি ট্রেনগুলোর মধ্যে এটি এমন একটি।যা বিভিন্ন রাজ্যের সীমানা পার হয়ে ভ্রমণ করে। ‘রয়াল ইন্ডিয়া’ হলো দিল্লি থেকে মুম্বাই পর্যন্ত সাত দিনের একটি সফর। আগ্রা, রানথম্ভোর, জয়পুর, বিকানের, যোধপুর, উদয়পুর আর ভাদোদরা যেখানে ঘোরা হয়।

এই ট্রিপের মজার মধ্যে রয়েছে তাজমহলের সামনে একটি টিলার উপর শ্যাম্পেন লাঞ্চ, রানথম্ভোরে জিপ সাফারিতে বাঘ দেখা।আর সাথে জয়পুরে হাতি পোলো দেখে রাতে শ্যাম্পেন ডিনার। ট্রেনে ওঠার পর পুরো সময়টাই আরামে কাটবে। প্রতিটি কেবিন আর স্যুইট রাজকীয় স্টাইলে সাজানো, যেখানে বড় জানালা, আরামদায়ক বিছানা, এলসিডি টিভি আর ডিভিডি প্লেয়ার আছে। 

যদি বাজেট একটু বেশি থাকে, তাহলে প্রেসিডেনশিয়াল স্যুইট বুক করতে পারেন। এটি পুরো একটি বগি জুড়ে।যেখানে বড় লিভিং রুম, সোফা আর ডাইনিং টেবিল আছে। তবে বাজেট কম হলে জুনিয়র স্যুইট দেখত পারেন । এটিও  বেশ আরামদায়ক এবং সাশ্রয়ী।আরও মজার মধ্যে আছে একটা পর্যবেক্ষণ বগি, যেখানে বার, গেমস টেবিল আর আরামদায়ক চেয়ারের ব্যবস্থা আছে।আর সঙ্গে রয়েছে দুটি ফাইন-ডাইনিং রেস্টুরেন্ট।

ভারতে গেলে যে কাজগুলো করতে পারেন

ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ

ভারতে বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থান রয়েছে। যেমন-তাজমহল (আগ্রা), হামপি (কর্ণাটক), খাজুরাহো মন্দির, রেড ফোর্ট এবং কুতুব মিনার (দিল্লি), লালবাগ কেল্লা। আপনি চাইলে এসব ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ করতে পারেন।

উৎসব ও পার্বণে অংশগ্রহণ 

ভারতে দুর্গাপূজাসহ থেকে শুরু করে হোলি, দীপাবলি্‌ অনেক বড় করে পালন করা হয়। যদি আপনি এই সময়ে ভারতে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনার একবার হলেও এই উৎসবে অংশগ্রহণ করা উচিত। তাহলে আপনি প্রকৃত ভারতের সংস্কৃতির সাথে পরিচিত হতে পারবেন।

অ্যাডভেঞ্চার এবং অ্যাকটিভিটিজ 

ভারতে অ্যাডভেঞ্চার এবং অ্যাকটিভিটিজের ক্ষেত্রে কিছু অসাধারণ স্থান এবং কার্যকলাপ রয়েছে।যা এক্সট্রিম অ্যাডভেঞ্চার এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সম্মিলনে এক অভূতপূর্ব অভিজ্ঞতা প্রদান করে। যেমন- লাদাখে ট্রেকিং এবং বাইক রাইড,গোয়ার সমুদ্র সৈকতে ওয়াটার স্পোর্টস,আসামের কাজিরাঙ্গা ন্যাশনাল পার্কে গন্ডার দেখা।

সূত্রঃ  

Related posts

ঘুরে আসুন এশিয়ার দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত – কক্সবাজার

সাবরিনা শায়লা ঊষা

মেঘের স্রোতে, সাজেকের পথে

বাংলার অ্যামাজন – রাতারগুল সোয়াম্প ফরেস্ট ভ্রমণ

Leave a Comment

Table of Contents

    This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More