ভ্রমণ আমাদের মানসিক শক্তি বাড়িয়ে তোলে, মানসিক অবসাদগ্রস্ততা, নিদ্রাহীনতা, নিরাশা থেকে আরোগ্য প্রদান করে। এই পৃথিবীর বিচিত্র রূপ, জীবনযাত্রা, আচার-সংস্কৃতি মানব মনকে প্রতিনিয়ত নতুন কিছু জানায়।
ব্যস্ততাময় নাগরিক জীবনে একটু সময় পেলেই কোথাও ঘুরতে যেতে পছন্দ করেন না এমন লোক বিরল। সচরাচর আমাদের সময় বাঁচাতে দেশের একপ্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যাওয়া হয়। কিন্তু দেশের বাইরে যাওয়াটা হরহামেশা হয়ে উঠে না। আবার একটা বদ্ধমূল ধারণা, যে বিদেশ যেতে বহুত টাকার দরকার। এছাড়াও, দেশের বাইরে যেতে চাইলে সামনে এসে দাঁড়ায় এক গাদা ঝামেলা। বিশেষ করে ইউরোপের দেশসমূহে যেতে বহু কাঠ-খড় পোড়াতে হয়।
কিন্তু এশিয়া মহাদেশের কয়েকটি দেশে কম খরচ এবং ট্রাভেল এজেন্সির সাহায্যে কম ঝামেলায় ভ্রমণ করা যায়। আসছে নতুন বছর উপলক্ষ্যে সঙ্গী বা পরিবারসহ এশিয়ার এই দেশগুলো আপনাদের ভ্রমণ লিস্টে রাখতেই পারেন।
শ্রীলঙ্কা
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা, সবুজ অরণ্যময়, নয়নাভিরাম সৌন্দর্যের দেশ শ্রীলঙ্কা। এটি একটি দ্বীপরাষ্ট্র। পাহাড়, সমুদ্র, সবুজ অরণ্য সব মিলিয়ে শ্রীলঙ্কা একটি অনিন্দ্য সুন্দর ভ্রমণস্পট।
ভূতাত্ত্বিকভাবে, শ্রীলঙ্কা ভারতীয় ভূ-ত্বকের সম্প্রসারিত অংশ, যা পরবর্তীতে মায়োসিন যুগে মূল ভূখন্ড থেকে আলাদা হয়ে গিয়েছে। এখানকার আদি অধিবাসীরা ছিলেন প্রধানত শিকারী। শ্রীলঙ্কা সাংস্কৃতিকভাবে বৈচিত্র্যপূর্ণ। এছাড়াও, এটি দ্বীপরাষ্ট্র হওয়ায় সাংস্কৃতিক বিকাশের জন্য সমুদ্রপথ অন্যতম নিয়ামক।
এখানে ধর্মে বৈচিত্র্য থাকায় এটিও সাংস্কৃতিক গঠনে নতুন পালক সংযুক্ত করেছে। বৌদ্ধ এবং হিন্দু মন্দির, মসজিদ, গীর্জা এসব ছাড়াও তাদের নিজস্ব রঙিন আচার-অনুষ্ঠান, সিংহলি খাবার শ্রীলঙ্কার সংস্কৃতিতে এনেছে সমৃদ্ধি।
পাথরকেটে ৬০০ ফুট উঁচুতে নির্মাণ করা এখানকার সিগিরিয়া প্রাসাদ, ওদা-ওয়ালাওয়ে জাতীয় উদ্যান, অনুরাধাপুরের বৌদ্ধমঠ সবই ভ্রমণের জন্য আদর্শ জায়গা। পরিবার নিয়েও শ্রীলঙ্কা ভ্রমণ করা যায়।
নেপাল
নেপালকে বলা হয় ‘হিমালয়কন্যা’। বাংলাদেশের একদম নিকটে নেপাল। এখানকার ভিসা পেতে সাধারণত সময় লাগে মাত্র একদিন। ফ্লাইটে যেতে দেড় থেকে দুই ঘণ্টায় সরাসরি কাঠমান্ডুতে পৌছানো যায়। আবার বাই রোডও যাওয়া যায়। এক্ষেত্রে মাত্র ১০-১৫ হাজার টাকা গুনতে হয়। বাই রোডে অবশ্য ভারতের ভিসা প্রয়োজন। বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর অসংখ্য ভ্রমণপিপাসু মানুষ নেপাল গমন করে। আর এখানে দেখার মতো বহু স্থানও রয়েছে।
এছাড়াও নেপালে আছে গুপ্তেশ্বর মহাদেব গুহা, ডেভিস ফল, পোখারা, রাণীপোখরি, জাংছুব ছোলিং গুম্পা, সারাংকোট ইত্যাদি দর্শনীয় স্থান। বিভিন্ন এজেন্সির সাহায্যে অল্প কিছুদিনের ট্যুরেই সবগুলো স্থান ঘুরে দেখতে পারবেন এবং খরচও হবে অল্প। নতুন বছরে ট্রাভেল এজেন্সির সাহায্যে অল্প খরচে নেপাল যেয়ে নিজ মনকে উপহার দিন স্বস্তি।
থাইল্যান্ড
নবদম্পতিদের পছন্দের জায়গার শীর্ষে রয়েছে থাইল্যান্ড শহরটি। ছোট ছোট দ্বীপের সমন্বয়ে গঠিত এই দেশটি পর্যটকদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করে। দেশটিতে যেমন বিলাসবহুল হোটেল আছে, তেমনি কম খরচেও এখানে অনায়াসে ভ্রমণ করা যায়। থাইল্যান্ড এমনিতেই পুরো বছরই পর্যটকে ভরপুর থাকে।
‘Thailand tourism authority’ এর মতে ২০১৬ সালে অন্তত ৩ কোটি ২০ লাখ পর্যটক এখানে এসেছে। আরেকটি প্লাস পয়েন্ট যে, এখানে সুলভ মূল্যে বেশ ভালো মানের হোটেল পাওয়া যায়। যেমন: ব্যাংকক ও পাতায়ার মতো জায়গায় ভালো মানের হোটেলে থাকতে হলে গুনতে হবে মাত্র ২০০০-২৫০০ টাকা।
থাইল্যান্ডের পাতায়া সমুদ্রসৈকত, ওয়াত অরুন রাতচাওয়ারারাম রাতচাওয়ারামাহাউইহান বৌদ্ধ মন্দির, ব্যাংকক শহর (রাজধানী) ইত্যাদি হচ্ছে পর্যটনের জন্য নন্দিত ভ্রমণস্পট। এছাড়াও, এখানকার ‘চাংমাই’ চিড়িয়াখানায় সরাসরি বাঘের সান্নিধ্য পাওয়া যায়; আছে বাঘ মামার সাথে সেলফি তোলার সুবর্ণ সুযোগ। নীল পানি, পরিচ্ছন্ন সমুদ্র সৈকত এবং সবুজ পাহাড়ে ঘেরা থাইল্যান্ড, নবদম্পতিদের মধুচন্দ্রিমার জন্যও বিখ্যাত স্পট।
ভিয়েতনাম
একাকি ভ্রমণ হোক বা সঙ্গীসহ, বাংলাদেশিদের মধ্যে ভিয়েতনাম ভ্রমণের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। এর অন্যতম প্রধান কারণ হলো, এখানে কম খরচে ভ্রমণ করা যায়। ভিয়েতনাম ভ্রমণে গেলে তালিকায় ‘ফু কুয়োক’ কে অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। এটি ভিয়েতনামের বিখ্যাত সমুদ্র সৈকত।
এখান থেকে সূর্যাস্ত খুব সুন্দর দেখা যায়। এছাড়াও এই সমুদ্র সৈকতের পাশেই আছে ‘কু কুয়োক ন্যাশনাল পার্ক’ যা পর্যটকদের আকর্ষণ করে। ভিয়েতনামের আরও একটি বড় আকর্ষণ হলো হো চি মিন সিটি।
সায়গন নদীর তীরে অবস্থিত এটা ভিয়েতনামের সর্ববৃহৎ শহর। শহরটি পুরো ভিয়েতনামের সংস্কৃতির এপিসেন্টার। এখান থেকে দেশের অন্য কোথাও যাবার রাস্তাগুলো একদম সহজ। এখানকার উর্বর কৃষিজমি, ভাসমান বাজার, কু চি টানেল ও বিভিন্ন ধরনের হস্তশিল্প মন কাড়বেই। এছাড়াও ডা ন্যাং, মার্বেল মাউন্টেন ও হোইহোন ও জনপ্রিয় ভ্রমণস্পট। অর্থাৎ, নতুন বছরে সাধ্যের মধ্যে ভিয়েতনাম ভ্রমণ একটি অসাধারণ অভিজ্ঞতা হবে।
মালয়েশিয়া
বাইরের দেশে ভ্রমণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশিদের অন্যতম পছন্দের ভ্রমণস্পট হলো মালয়েশিয়া। বিগত বছরে রেকর্ড সংখ্যক ভ্রমণপিপাসু মানুষ মালয়েশিয়া ভ্রমণ করেছে। এখানকার বিখ্যাত ভ্রমণস্পট হলো কুয়ালালামপুর(রাজধানী) এর পেট্রোনাস টাওয়ার। বলা হয়ে থাকে যে, মালয়েশিয়া এসে পেট্রোনাস টাওয়ারের সামনে ছবি না তুললে ভ্রমণ বৃথা।
এছাড়াও টিওম্যান, ল্যাংকাউয়ু, ডেনং ইত্যাদি জায়গাগুলোও পর্যটক নন্দিত। ভীষণ সুন্দর গোছানো এই দেশে থাকার খরচ তুলনামূলকভাবে কম। এখানে মোটামুটি রকম মানের হোটেলে থাকতে হলে রাত প্রতি ৩৫০০-৪০০০ টাকার মতো খরচ করতে হবে। তাই, নতুন বছরে ভ্রমণের তালিকায় মালয়েশিয়াকে নিঃসন্দেহে রাখতে পারেন।
ইন্দোনেশিয়া
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অবস্থিত এই দেশটি। কম খরচে ভ্রমণের একটি অন্যতম ডেসটিনেশন এই দেশটি। ইন্দোনেশিয়া জনপ্রিয় হওয়ার আরও একটি বিশেষ কারণ হলো ইন্দোনেশিয়ায় বাংলাদেশী টাকার মূল্যের রাত-দিন ফারাক। বাংলাদেশী ৬০০ টাকা ইন্দোনেশিয়ায় এক লক্ষ্য রুপিয়া হয়। তাই এখানে খাওয়া-দাওয়া থেকে শুরু করে শপিং করা যাবে মন খুলে।
ইন্দোনেশিয়ায় থাকার খরচও কম। রাতপ্রতি হোটেলে ২৫০০-৩০০০ টাকা খরচ হবে। পাশাপাশি এখানে ভিসা সংক্রান্ত জটিলতাও নেই। রিটার্ন টিকেট কাটলে এয়াপোর্ট থেকেই OnArrival ভিসা দেয়া হয়। ইন্দোনেশিয়ায় ঘোরার জায়গাও নয়নাভিরাম। বালি’র নাম শোনেনি এমন কাউকে পাওয়া দুষ্কর হবে। এই বালি অনেক চাহিদা সম্পন্ন ভ্রমণস্পট।
নবদম্পতিদের মধুচন্দ্রিমার অন্যতম বিখ্যাত স্থান এই নীল, সবুজে মোড়ানো বালি। স্থানটি ফটোশ্যুটের জন্যও একটি আদর্শ জায়গা। এখানে সঙ্গীর সাথে একাকি সময় কাটানোর জন্য আলাদা করে আইল্যান্ডের ব্যবস্থাও আছে। বছরে সবসময়ই এখানে পর্যটকদের আনাগোনা দেখা যায়। এছাড়াও, কিন্তামানি ভিলেজ, উলুন দানু টেম্পল, তানাহ লট, মাঙ্কি ফরেস্ট ইত্যাদিও ইন্দোনেশিয়ার ভ্রমণ স্থান হিসেবে বেশ বিখ্যাত।
ফিলিপাইন
নয়নাভিরাম সমুদ্র সৈকত, সাদা বালির স্তর, পাশাপাশি কম খরচে ভ্রমণ করা যায় বলে ফিলিপাইন এখন অন্যতম বিখ্যাত ভ্রমণস্পট। এদেশের টাকার মান বাংলাদেশী টাকার চেয়ে কম। সঙ্গীসহ ঘুরে বেড়ানোর জন্য ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলা খুবই জনপ্রিয় স্থান।
ম্যানিলায় থাকতে হলে প্রতিরাতে গুণতে হবে মাত্র ২০০০-২৫০০ টাকা। হোস্টেলে থাকলে খরচ আরও কম। এছাড়াও, এখানে খাবার খরচও যৎসামান্য। প্লেট ভর্তি খাবার মাত্র কয়েক ডলারেই পাওয়া সম্ভব! ম্যানিলার আরও একটি সুবিধা হলো এখানে কম খরচে ড্রাইভিং শেখা যায়। ঘুরতে গিয়ে একটা নতুন স্কিল শিখে নিতে পারলে মন্দ কি!
উজবেকিস্তান
শুনতে অপরিচিত হলেও বাংলাদেশ থেকে উজবেকিস্তানে যাওয়ার ভিসা পাওয়া যায়। প্রকৃতিপ্রেমী এবং যারা শিল্পে আভিজাত্য ধরনের সংস্কৃতি পছন্দ করেন এমন ব্যক্তিবর্গের জন্য উজবেকিস্তান শ্রেষ্ঠ জায়গা। এখানকার পরিবেশ, গৃহসজ্জার ধরণ সব কিছুতেই আছে সুহ্ম আভিজাত্যের ছোয়া। এখানে রয়েছে একাধিক আকর্ষণীয় স্থান যা আপনাকে বিস্মিত করবে। দেশটির মসজিদের দেয়ালে রয়েছে অপূর্ব সুন্দর, সুহ্ম কারুকাজ যা পর্যটনে বিশেষ আকর্ষণ যোগ করে।
উজবেকিস্তানের ইমাম বুখারার ৭ জন সাধকের স্থাপত্যশিল্প, আক-সারা প্রাসাদ, খোদেজা ইসলামের স্থাপত্যশিল্প, পৈ-কালিয়ান স্থাপত্য ইত্যাদি দর্শনীয় স্থান পর্যটকদের কাছে বিখ্যাত। দেশটির যোগাযোগ ব্যবস্থাও অত্যন্ত ভালো। তাদের নিজস্ব অ্যাপ ডাউনলোড করে অল্প খরচে যেখানে সেখানে যাতায়াত করা যায়।
এখানে খাবারের মধ্যেও রয়েছে আভিজাত্য। কাবাব, পোলাও, বিরিয়ানি এখানকার সহজলভ্য খাদ্য। পাশাপাশি এখানকার মানুষ অতিথিপ্রিয় স্বভাবের। তাই সবমিলিয়ে নতুন বছরে ঐতিহাসিক এবং অসাধারণ শৈল্পিক এই দেশে ভ্রমণ করা যেতেই পারে!
চীন
চীন বলতেই আমাদের কল্পনায় ভেসে উঠে একটি পরিপাটি, কর্ম প্রিয় ও সুন্দর একটি দেশ। চীন শুধু অর্থনীতিতেই নয়, বিজ্ঞান ও স্থাপত্য বিদ্যাতেও তাদের বেশ দখল রয়েছে।
২৩ টি অঙ্গরাজ্যের বৃহৎ চীনের প্রতিটি অংশ জুড়েই রয়েছে পর্যটকদের আনাগোনা। এখানকার সবচেয়ে পর্যটক নন্দিত স্থান হলো কুনমিং। কুনমিং কে বলা হয় ‘চিরবসন্তের নগরী।’ এর সৌন্দর্য বলে বোঝাবার মতো নয়। এর অপরুপ সৌন্দর্য পর্যটকদের মুগ্ধ করে। আরেকটি ঐতিহাসিক, নান্দনিক, অসম্ভব সুন্দর মানবসৃষ্ট দর্শনীয় স্থান হলো চীনের গ্রেট ওয়াল।
এছাড়াও রয়েছে কু-কুং মিউজিয়াম, ডালি, হুয়াং-হু হ্রদ, ছিং শিহোয়াং পিং সহ নানান বিখ্যাত দর্শনীয় স্থান। চীনে খাবারের ক্ষেত্রে রয়েছে বিশাল বৈচিত্র্য। পোকা-মাকড় থেকে শুরু করে কুকুর, বিড়াল সব কিছুই তাদের খাদ্য। তবে, পর্যটকদের খাবারের রুচিকে তারা গুরুত্ব দেয়।
সর্বোপরি, ভ্রমণের জন্য অন্যতম শ্রেষ্ঠ জায়গা এই দেশ। ২০২৫ সালে পরিবার বা সঙ্গী নিয়ে ঘুরে দেখে আসতে পারেন অসম্ভব সুন্দর এই দেশটাকে।
কিরগিজস্তান
কিরগিজস্তান মধ্য এশিয়ার একটি দেশ। দেশটি নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি দেশটির পর্যটন শিল্পের মূল আকর্ষণ হলো এর প্রাচীন শহরগুলোর ধ্বংসাবশেষ, প্রাকৃতিক রিসোর্ট, পামিরের পর্বতমালা ইত্যাদি ।
বাংলাদেশ থেকে কিরগিজস্তান বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে যাওয়া যায়। আবার, অনলাইন থেকে ই-ভিসা নিয়ে সহজেই যাত্রা করা যায় এই দেশে।
কিরগিজস্তান সম্বন্ধে পাকাপোক্ত ধারণা পাবার জন্য সর্বপ্রথম আপনার যেতে হবে দেশটির রাজধানী বিশকেক শহরে। এখানেই রয়েছে দেশটির ভিন্নধর্মী স্থাপত্যশিল্প এবং বিস্ময়কর দুর্গ ‘কুজনেৎস্কায়া দুর্গ’। একইসাথে শহরটিতে রয়েছে অনেকগুলো জাদুঘর যেখানে কিরগিজস্তানের সংস্কৃতি, ভাবধারা, রুচি, শিল্প সম্বন্ধে পরিস্কার ধারণা পাওয়া যায়!
জাপান
জাপানের কথা মাথায় আসলেই চোখের সামনে ভেসে উঠে একটি কর্মদীপ্ত, সুশৃঙ্খল দেশের ছবি। জাপানের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, প্রযুক্তি এবং ভিন্নধর্মী সুস্বাদু খাবার পর্যটকদের মন কেড়ে নেয়।
ঢাকা থেকে ছয় ঘণ্টায় সরাসরি জাপান যাওয়া যায়। জাপান ভ্রমণে বাংলাদেশের দশটি এয়ারলাইন্স ফিরতি টিকেটের সুবিধাও দেয়। এখানে কম খরচে থাকা, খাওয়ার সুবিধাসহ গাইডের সুবিধাও রয়েছে।
জাপানের দর্শনীয় স্থানের মধ্যে সর্বপ্রথমেই রয়েছে টোকিও স্কাই ট্রি। এছাড়াও রয়েছে সেন্জো জি, ওডাইবা, ইযু আইল্যান্ড, নিজো ক্যাসল, কিয়োটে ইত্যাদি।
২০২৫ সালটা আপনার কাছে অন্যতম সুন্দর বছর হতে পারে উক্ত স্থানসমূহ ভ্রমণের মাধ্যমে।