Image default
নগর পরিচিতি

রাশিয়ার রাজধানী মস্কোঃ সাদা রাতের শহরের অজানা রহস্য

এমন কোন শহরের কথা কি শুনেছেন, যেখানে রাত হলেও সূর্য কখনো পুরোপুরি অস্ত যায় না? যেখানে রাত যত গভীর হয়, শহর তত বেশি জেগে ওঠে? বলছি রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর কথা। 

ইতিহাস, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং বর্ণিল স্থাপত্যে সমৃদ্ধ এই শহর পর্যটককে এক মুহূর্তেই মুগ্ধ করে। শহরের ঐতিহাসিক স্থাপত্য, সাদা রাতের রহস্য, সুস্বাদু খাবার, আধুনিক আকর্ষণ এবং মানুষের জীবনের মিলনে মস্কো অন্যান্য শহর থেকে একেবারে আলাদা হয়ে উঠেছে। 

মস্কো শহরের অবস্থান আয়তন ও জনসংখ্যা

পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দেশ রাশিয়ার রাজধানী এবং বৃহত্তম শহর হলো মস্কো। শহরটির আয়তন ২,৫১১ বর্গকিমি। শহরটি এতই বড় যে, এর জনসংখ্যা প্রায় ১ কোটি ২৭ লক্ষের বেশি, আর শহরের চারপাশের মহানগর এলাকাসহ এই সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৭৫ লক্ষের কাছাকাছি এসে দাঁড়ায়। 

মস্কো শুধু রাশিয়ার প্রশাসনিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক কেন্দ্র নয়, বরং এটি রাশিয়ার সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক দিক থেকেও বেশ গুরুত্বপূর্ণ।

মস্কোর ইতিহাস

মস্কোর ইতিহাস শুরু হয় মূলত ১১৪৭ সালে, যখন কিয়েভান রাসের রাজপুত্র ইউরি ডলগোরুকি প্রথমবার শহরটির নাম উল্লেখ করেন। ভৌগোলিকভাবে মোস্কভা নদীর তীরবর্তী নিরাপদ অবস্থান ও বাণিজ্যের সুযোগের কারণে মস্কো দ্রুত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। 

১৩ শতকে মঙ্গোলরা রাশিয়ার বড় অংশ দখল করে নিলেও, মস্কো তখনও ধীরে ধীরে শক্তি সঞ্চয় করতে থাকে। ১৫ শতকে ইভান তৃতীয় মঙ্গোল আধিপত্য থেকে রাশিয়াকে মুক্ত করে ক্রেমলিনকে নতুনভাবে গড়ে তোলেন। আর এখান থেকেই মস্কো হয়ে ওঠে, রাশিয়ার শক্তিশালী রাজশক্তির প্রতীক।

ইতিহাসে ইভান দ্য টেরিবল নামে পরিচিত চতুর্থ ইভান, প্রথমবারের মতো নিজেকে “জার” বা রাশিয়ার সম্রাট হিসেবে ঘোষণা করেন। তখনই প্রতিষ্ঠিত হয় বিখ্যাত থার্ড রোম এর ধারণা, অর্থাৎ রোম ও কনস্টান্টিনোপলের পতনের পর খ্রিস্টান বিশ্বের উত্তরাধিকারী হলো মস্কো। 

ইভান দ্য টেরিবল

১৭ শতকে রোমানোভ রাজবংশ ক্ষমতায় আসে এবং প্রায় ৩০০ বছর তারা রাশিয়া শাসন করে। জেনে অবাক হবেন, ১৮১২ সালে নেপোলিয়নের সেনারা মস্কো শহর দখল করলে, মস্কোবাসীরা নিজেরাই ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেয়। ফলে শত্রুরা পিছু হটতে বাধ্য হয়।

১৯১৭ সালে কম্যুনিস্ট বিপ্লবের পর মস্কোকে আবার রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। সেসময় শহরটি সোভিয়েত ইউনিয়নের রাজনৈতিক কেন্দ্র হয়ে দাঁড়ায়। অবশেষে ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ভেঙে গেলে মস্কো নতুন রাশিয়ান ফেডারেশনের রাজধানী হয়। আজও শহরটি ইতিহাস, সাহস আর আধুনিকতার প্রতীক।

মস্কোতে কম্যুনিস্ট বিপ্লব

মস্কোর পর্যটন স্থান

মস্কো শহরকে জানতে হলে শুধু ইতিহাস নয়, যাত্রা শুরু করতে হবে এর ঐতিহাসিক ও প্রতীকী স্থানগুলো থেকে। আর তাই প্রথমেই বলতে হয় মস্কো ক্রেমলিনের কথা। 

ক্রেমলিন দূর্গ

রাজধানী শহরের কেন্দ্রে দাঁড়িয়ে থাকা এই মস্কো ক্রেমলিন, এক বিশাল দুর্গনগরী যা লাল ইটের উঁচু দেয়ালে ঘেরা। বাইরে থেকে একে দেখলে মনে হয় যেন কোনো মধ্যযুগীয় রূপকথার প্রাসাদ। ভেতরে ঢুকলে একের পর এক প্রাসাদ, প্রাচীন গির্জা আর জাদুঘর যেন রাশিয়ার ইতিহাসকে জীবন্ত করে তোলে। মস্কো ক্রেমলিন শুধু আজকের রাশিয়ার রাজনৈতিক ক্ষমতার কেন্দ্র নয়, বরং শত শত বছর ধরে এটি দেশের রাজনীতি, সংস্কৃতি আর ধর্মীয় জীবনের মূল কেন্দ্র।

রেড স্কয়ার 

ক্রেমলিনের ঠিক সামনে দাঁড়িয়ে আছে রেড স্কয়ার, যা মস্কোর প্রাণকেন্দ্র। লাল ইটের এই বিস্তীর্ণ প্রাঙ্গণ যেন শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে রাশিয়ার প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের সাক্ষী। দিনে এর লাল রঙ সূর্যের আলোয় চকচক করে, আর রাতে চারপাশের আলোকসজ্জা এটিকে আরও রহস্যময় করে তোলে। একসময় এই স্কয়ারেই অনুষ্ঠিত হতো জারের অভিষেক থেকে শুরু করে সোভিয়েত সামরিক কুচকাওয়াজ পর্যন্ত। আজও দেশটির জাতীয় উৎসবগুলোতে এই স্কয়ারে লাখো মানুষের সমাগম হয়।

রেড স্কয়ার

সেন্ট বাসিল ক্যাথেড্রাল

রেড স্কয়ারের পাশেই রয়েছে মস্কোর সবচেয়ে আইকনিক স্থাপনা সেন্ট বাসিল ক্যাথেড্রাল। মজার বিষয় হলো, দূর থেকে একে দেখলে মনে হয় যেন, রঙিন কোনো বিশাল মিষ্টির দোকান। কারণ, এর লাল, সবুজ, নীল আর সোনালি রঙে আঁকা পেঁয়াজ-আকৃতির গম্বুজগুলো আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে। এই প্রতিটি গম্বুজের নকশা আলাদা, যেন প্রতিটি একটি আলাদা গল্প বলছে। এই ক্যাথেড্রালটি ১৬ শতকে ইভান দ্য টেরিবল তৈরি করেছিলেন। 

কথিত আছে, এই স্থাপত্যের সৌন্দর্যে তিনি এতটাই মুগ্ধ হয়েছিলেন যে, নকশাকারকে অন্ধ করে দেওয়া হয় যেন, তিনি আর কখনই এমন কিছু বানাতে না পারেন। আর এই ক্যাথেড্রেলের ভেতরে ঢুকলে, সরু করিডর আর ছোট ছোট প্রার্থনাকক্ষ আপনাকে নিয়ে যাবে শতাব্দী পুরনো ধর্মীয় আবহে।

গোর্কি সেন্ট্রাল পার্ক অব কালচার

ঐতিহাসিক স্থান থেকে বেরিয়ে যদি একটু স্বস্তি খুঁজতে চান, তবে আপনাকে যেতে হবে গোরকি সেন্ট্রাল পার্ক অব কালচারে। এটি মস্কোর সবচেয়ে জনপ্রিয় নগর উদ্যান, যেখানে সবুজ ঘাস, ফুলে ভরা বাগান আর শান্ত লেক আপনাকে শহরের কোলাহল থেকে মুক্তি দিবে। গ্রীষ্মে এখানে মানুষ আসে হাঁটতে, সাইকেল চালাতে বা খোলা আকাশের নিচে কনসার্ট শুনতে। আবার শীতে পার্কটি রূপ নেয় বরফে ঢাকা আইস-স্কেটিং রিঙ্কে। পার্কের প্রতিটি ঋতু যেন এখানে এক নতুন আবহ তৈরি করে। কখনও উজ্জ্বল রোদে পরিপূর্ণ, কখনও আবার সাদা বরফের রাজ্যে।

গোর্কি সেন্ট্রাল পার্ক অব কালচার

মস্কো চিড়িয়াখানা

প্রকৃতি আর বিনোদনের আরেক আকর্ষণ হলো মস্কো চিড়িয়াখানা। ইউরোপের অন্যতম প্রাচীন এই চিড়িয়াখানায় রয়েছে ১,০০০-এরও বেশি প্রজাতির প্রাণী। এখানে দেখা যায় সাইবেরিয়ান বাঘ, মেরু ভাল্লুক, বিরল পাখি আর সামুদ্রিক প্রাণী। শিশুদের কাছে এই পার্ক যেন এক আশ্চর্য ভুবন, আর বড়দের কাছে জ্ঞান আর বিনোদনের সমন্বয়। চিড়িয়াখানার ভেতরের ছোট্ট জলাশয়, সবুজ পরিবেশ আর প্রাণীদের খেলার দৃশ্য, শহরের কোলাহলের মাঝে এনে দেয় প্রকৃতির স্বাদ।

বোলশোই থিয়েটার

মস্কোর আরেক রত্ন হলো বোলশোই থিয়েটার, যা শুধু রাশিয়া নয়, পুরো বিশ্বের জন্যই ব্যালে আর অপেরার অন্যতম কেন্দ্র। বাইরে থেকে দেখলে এর বিশাল সাদা স্তম্ভ আর নকশা করা সম্মুখভাগ, মনে করিয়ে দেয় প্রাচীন গ্রিক স্থাপত্যকে। এর ভেতরে প্রবেশ করলে সোনালি ঝাড়বাতি, লাল ভেলভেট পর্দা আর রাজকীয় পরিবেশ আপনাকে মুগ্ধ করবে। ১৮২৫ সালে উদ্বোধন হওয়ার পর থেকেই, রাশিয়ার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতীক হয়ে আছে।

মস্কো ক্যাথেড্রাল মসজিদ

শেষে আসা যাক ধর্মীয় সৌন্দর্যের কাছে। মস্কো ক্যাথেড্রাল মসজিদ হলো ইউরোপের অন্যতম বৃহৎ মসজিদ, যা ২০১৫ সালে নতুনভাবে উদ্বোধন করা হয়। এর সবুজ গম্বুজ আর সোনালি মিনার মস্কোর আকাশরেখায় অনন্য রঙ যোগ করেছে। ভেতরে ঢুকলে চকচকে মার্বেল, ক্যালিগ্রাফি আর ঝাড়বাতি চোখ ধাঁধিয়ে দেয়। মসজিদটি শুধু মুসলিমদের উপাসনালয় নয়, বরং রাশিয়ার বহুসাংস্কৃতিক চরিত্রের প্রতীকও বটে। এটি মনে করিয়ে দেয় যে, মস্কো কেবল খ্রিস্টান ঐতিহ্যের শহর নয়, বরং বিভিন্ন ধর্ম ও সংস্কৃতির মিলনস্থল।

মস্কো ক্যাথেড্রাল মসজিদ

মস্কো মেট্রো ও কুকুর

মস্কো ভ্রমণে শুধু ঐতিহাসিক স্থানই নয়, দৈনন্দিন যাতায়াতের ব্যবস্থাও পর্যটকদের চমকে দেয়। সোভিয়েত আমলে নির্মিত ‘মস্কো মেট্রো’, আজ বিশ্বের অন্যতম কার্যকর এবং সুন্দর ভূগর্ভস্থ রেলব্যবস্থা হিসেবে পরিচিত। এখানে নামলেই মনে হবে যেন, আপনি কোনো প্রাসাদের ভেতরে ঢুকে পড়েছেন। ঝাড়বাতি, মার্বেল দেয়াল, রঙিন মোজাইক আর ভাস্কর্যে সাজানো প্রতিটি স্টেশন যেন একেকটি জাদুঘর। শুধু দ্রুত চলাচলের সুবিধাই নয়, এই মেট্রো শহরের শিল্প ও স্থাপত্যকলা উপভোগ করারও এক অসাধারণ মাধ্যম।

আরও মজার ব্যাপার হলো, মস্কোর রাস্তার কুকুরগুলো পর্যন্ত মেট্রোর সঙ্গে পরিচিত হয়ে গেছে। শহরের ভবঘুরে কুকুরেরা নাকি মেট্রো ব্যবহার করতেও শিখে ফেলেছে। সকালে ভিড় কম থাকলে তারা এক স্টেশন থেকে অন্য স্টেশনে চড়ে যায় খাবারের খোঁজে! অনেকেই বলে, কুকুরেরা বুঝে গেছে কোন ট্রেনে কোথায় নামতে হবে, এমনকি তারা নাকি এটাও জানে যে, কোন বগিতে কম ভিড় থাকে।

মস্কোর ট্রেনে কুকুর

মস্কোর সংস্কৃতি

মস্কোর মানুষেরা বেশ অতিথিপরায়ণ ও আন্তরিক। পাশাপাশি তাদের খাবারের বৈচিত্র চোখে পড়ার মতো। মস্কোর খাবার মানেই গরম, গরম, স্বাদে পূর্ণ আর পুষ্টিকর খাবার। এ শহরের মানুষ শীতকে খুব গুরুত্ব দেয়, তাই খাবারগুলোও সেই আবহেই তৈরি। 

এরমধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হচ্ছে পেলমেনি। পেলমেনি হলো ছোট ছোট ডাম্পলিং, দেখতে গোল এবং মসৃণ। ভেতরে থাকে রসালো কিমা মাংস, যা মশলা এবং পেঁয়াজ দিয়ে ভালোভাবে মিশানো হয়। যখন এগুলো ফুটন্ত পানিতে সিদ্ধ হয়, তখন রস বের হয় এবং গরম গরম খেতে খেতে শরীর ও মন একসাথে গরম হয়ে যায়। অনেক সময় এগুলোকে টক দই বা মাখনের সঙ্গে খাওয়া হয়। শীতের সকালে ধোঁয়া ওঠা গরম এক বাটি পেলমেনি পেলে যেন রাশিয়ানদের আর কিছুরই প্রয়োজন থাকে না।

পেলমেনি খাবার

মস্কোতে একটি ভিন্ন রকমের রেস্তোরাঁ রয়েছে যার নাম ভি টেমনোট। এখানে আপনি পুরোপুরি অন্ধকারে বসে খাবার উপভোগ করতে পারেন। এই অভিজ্ঞতা আপনাকে স্বাদ, গন্ধ, স্পর্শ এবং শ্রবণশক্তি ব্যবহার করে, খাবারকে নতুনভাবে অনুভব করার সুযোগ দেয়। এখানে অন্ধকারে খাওয়ার সময় অতিথিদের মোবাইল ফোন বা কোনো আলোকিত ডিভাইস ব্যবহার করতে দেওয়া হয় না। আরও অবাক করা বিষয় হলো, এখানে যারা অতিথিদের খাবার পরিবেশন করেন তারা অন্ধ। 

মস্কোর স্থানীয়রা তাদের সংস্কৃতি, ভাষা ও ঐতিহ্য নিয়েও ভীষণ গর্ব করে। তাদের পোশাকের ক্ষেত্রে ঋতুর প্রভাব চোখে পড়ে। শীতে যখন তাপমাত্রা মাইনাস ২০ ডিগ্রির নিচে নেমে যায়, তখন তারা ভারী কোট, ফারের টুপি “উশাঙ্কা” আর লম্বা বুট পরিধান করে। 

এদিকে গ্রীষ্মকালে, বিশেষ করে জুন মাসে, মস্কো যেন একেবারেই ভিন্ন রূপ ধারণ করে। তখন দিন আর রাতের সীমানা যেন মিলেমিশে যায়, সূর্য পুরোপুরি অস্ত যায় না, বরং দীর্ঘ সময় ধরে দিগন্তের কাছাকাছি থেকে শহরকে হালকা সোনালি আলোয় ভরিয়ে রাখে। এই অদ্ভুত প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে বলে ‘বেলি নোচি’ বা সাদা রাত । রাতে ঘড়িতে যখন মধ্যরাত, তখনও শহরের রাস্তাঘাট, পার্ক আর নদীর ধারে এমন এক আলো ছড়িয়ে থাকে, যেন দিন এখনো শেষ হয়নি।

মস্কোতে উৎসব-অনুষ্ঠানেরও অভাব নেই। নতুন বছর এলে পুরো শহর রূপ নেয় আলো ঝলমল এক পরীর দেশে। রেড স্কয়ারে বিশাল ক্রিসমাস ট্রি সাজানো হয়, চারপাশে জমে ওঠে আইস স্কেটিংয়ের মেলা। বসন্তে আয়োজন করা হয় মসলেনিৎসা নামের উৎসবের। এ সময় সারা সপ্তাহ ধরে ব্লিনি খাওয়ার ধুম পড়ে যায় এবং শীতকে বিদায় জানাতে নানা খেলা আর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। 

ভিক্টরি ডে মস্কোর আরেকটি বিশাল আয়োজন, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাৎসি জার্মানির ওপর বিজয়ের স্মৃতিতে উদযাপিত হয়। ওই দিন রেড স্কয়ারে সামরিক কুচকাওয়াজ হয়, আকাশ ভরে ওঠে যুদ্ধবিমান আর আতশবাজির আলোয়।

মস্কো শহরে প্রতিদিন লাখ লাখ মানুষ কাজ ও শিক্ষার জন্য আসে। আর পর্যটকেরা আসে ইতিহাস, স্থাপত্য এবং খাবারের স্বাদ নিতে। মস্কো সত্যিই এমন এক শহর, যেখানে আধুনিকতা আর ঐতিহ্য একসঙ্গে মিলিত হয়ে শহরের প্রাণকে জীবন্ত রাখে।

Related posts

গণতন্ত্রের আঁতুড়ঘর- এথেন্স

আশা রহমান

পৃথিবীর সবচেয়ে সরু শহর চীনের ইয়ানজিন

রোমান্সের শহর-প্যারিস

Leave a Comment

Table of Contents

    This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More