“কুয়াকাটা’’যেখানে এক ফ্রেমে বাঁধা পড়ে সূর্যের প্রথম আলোকরেখা আর শেষ বিদায়। এখানে নীরব সমুদ্র আর সীমাহীন উষ্ণ বালি গল্প করে প্রকৃতির ভাষায়।
সময়ের অভাব আর দৈনন্দিন চাপের ভেতর নিজেকে হারিয়ে ফেলা যেন আধুনিক জীবনের নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। কংক্রিটের এই যান্ত্রিক জীবনে প্রয়োজন একটুখানি ব্রেকের। এই ব্রেকই পারে আপনার জীবনের গতি ফিরিয়ে আনতে। ছন্দহীন জীবনের ছন্দ ফিরিয়ে আনতে আপনি পাড়ি জমাতে পারেন ১৮ কি.মি. দীর্ঘ সাগরকন্যা কুয়াকাটায়।
অবকাশ সময় কাটানোর জন্য মনোরম ও মনোমুগ্ধকর জায়গা হলো কুয়াকাটা। নীল সাগরের অসীমতা, নির্জন সৈকতের শান্তি, ঢেউয়ের সুর বয়ে আনবে মানসিক প্রশান্তি। সাগরের মোহময় দৃশ্য, বালির উষ্ণ স্পর্শ, আর সাগর বাতাসের মৃদু শীতলতা মনকে করে তুলবে নতুন করে প্রাণবন্ত।
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত
কুয়াকাটা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পটুয়াখালী জেলার একটি শহর ও পর্যটনকেন্দ্র। পর্যটকদের কাছে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত “সাগরকন্যা” নামে পরিচিত। কুয়াকাটা বাংলাদেশের অন্যতম নৈসর্গিক সমুদ্র সৈকত।
এটি দক্ষিণ এশিয়ার এমন একটি সমুদ্র সৈকত যেখানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত অবলোকন করা যায়। সমুদ্রের বুকে সূর্য উদয় হওয়া আর হারিয়ে যাওয়ার দৃশ্য অবলোকন করা নিঃসন্দেহে দারুন ব্যপার।প্রকৃতি যে কতটা উদার তা পটুয়াখালীর এই উপকূলে গেলে সহজেই বোঝা যায়।
কুয়াকাটা নামকরণের ইতিহাস
১৭৮৪ সালে বার্মার রাজা বোধপায়ার অত্যাচারে আরাকান থেকে রাখাইন সম্প্রদায়ের মানুষ কুয়াকাটায় এসে বসতি স্থাপন করে। ওই সময় এলাকাটি ঘন জঙ্গলে ভরা এবং মিঠা পানির অভাব ছিল।
জীবনের প্রয়োজন মেটাতে রাখাইনরা বড় বড় গর্ত বা কুয়া খনন করে পানি সংগ্রহ করত। আর সেই কুয়া খননের জন্যই স্থানটির নামকরণ হয় “কুয়াকাটা”, যার অর্থ কুয়া খননের স্থান।
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের অবস্থান
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতটি পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার লতাচাপলী ইউনিয়নে অবস্থিত। ঢাকা থেকে সড়কপথে এর দূরত্ব ৩৮০ কিলোমিটার, বরিশাল থেকে ১০৮ কিলোমিটার এবং পটুয়াখালী জেলা সদর থেকে কুয়াকাটার দুরত্ব ৭০ কিলোমিটার।
কুয়াকাটা ভ্রমণে গিয়ে কি কি দেখবেন
সমুদ্র দেখতে কে না ভালোবাসে। সমুদ্রের বিশালতা আমাদেরকে সব সময় তার কাছে টানে। আপনি যদি কুয়াকাটা ভ্রমণের পরিকল্পনা করেন, তাহলে অবশ্যই সমুদ্র সৈকত দেখার পাশাপাশি আরও কিছু স্থানকে আপনার ভ্রমণের তালিকায় রাখতে হবে। তাহলে প্রকৃত অর্থে আপনি কুয়াকাটার নৈস্বর্গিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন। আপনি চাইলে সৈকতে মোটরসাইকেল এবং ঘোড়া ভাড়া করে ঘুরে বেড়াতে পারবেন।
সীমা বৌদ্ধ মন্দির
কুয়াকাটার প্রাচীন কুয়াটির সামনেই সীমা বৌদ্ধ মন্দিরটি অবস্থিত। ১৯১১ সালে এই মন্দিরটি প্রতিষ্ঠিত হয়। দুই একর জায়গা জুড়ে মন্দিরটির বিস্তৃতি। মন্দিরের প্রধান আকর্ষণ হলো ৩৬ ফুট উঁচু একটি বিশাল বুদ্ধ মূর্তি। এ মূর্তিটি প্রাচীন অষ্টধাতু দিয়ে তৈরি। এ ছাড়াও সেখানে বিশালাকৃতির এক প্রাচীন ঘণ্টা রয়েছে। সৈকত ভ্রমণের পাশাপাশি আপনি এখানে এসে ধর্মীয় ও ঐতিহ্যবাহী পরিবেশ উপভোগ করতে পারবেন। তবে আপনাকে মন্দিরটিতে প্রবেশের জন্য ফি দিতে হবে।
রাখাইন পল্লী
সীমা বৌদ্ধ মন্দিরের সঙ্গেই রয়েছে রাখাইন পল্লী। রাখাইন সম্প্রদায়ের লোকজন এই পল্লীতে বসবাস করে। এই পল্লীতে একটি বাজার রয়েছে। যেখানে রাখাইনদের উৎপাদিত নানা জিনিসপত্র বিক্রি হয়। যেমন- তাদের হাতে বোনা তাঁতের শাড়ি, জামা, ফতুয়া, পাঞ্জাবি ইত্যাদি। এ ছাড়াও কাঠের তৈরি ঘর সাজানো জিনিস, সাজসজ্জার জিনিসপত্রসহ নানা প্রকারের আচার। এই পল্লীটি পর্যটকদের জন্য একটি বিশেষ আকর্ষণের জায়গা।
শুঁটকি পল্লী
কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতের পশ্চিমে জেলে পল্লী অবস্থিত। শুঁটকি পল্লী কুয়াকাটার অন্যতম আকর্ষণ। শুঁটকি পল্লীতে প্রবেশ করলে আপনি বিভিন্ন ধরনের মাছের শুঁটকি দেখতে পাবেন। যেমন- চিংড়ি, ইলিশ, কই, বেলুন, মেনিপ মাছ ইত্যাদি।
স্থানীয় মানুষদের জীবিকার প্রধান উৎস শুঁটকি ব্যবসা। মৎস্যজীবীরা সাগর থেকে মাছ ধরে এনে তাদের শুকিয়ে ব্যবসা করেন। শুঁটকি তৈরির এই প্রক্রিয়া কুয়াকাটার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের একটি অংশ হয়ে উঠেছে। আপনি চাইলে জেলেদের এই কর্মব্যস্ততা দেখে সময় কাটাতে পারবেন। এমনকি কম দামে কিনে আনতে পারবেন আপনার পছন্দের শুটকি।
ক্র্যাব আইল্যান্ড
কুয়াকাটার পূর্ব দিকে “ক্র্যাব আইল্যান্ড” বা “কাঁকড়া দ্বীপ” অবস্থিত। এই স্থানটি লাল কাঁকড়ার জন্য বিখ্যাত। ক্রাব আইল্যান্ডে গেলে চোখে পড়বে নির্জন সৈকতে হাজার হাজার লাল কাঁকড়ার ছোটাছুটি। এই দৃশ্য আপনাকে অবশ্যই মুগ্ধ করবেই।
ফাতরার বন
সমুদ্র সৈকতের পশ্চিম দিকে সাগরে মোহনায় জেগে ওঠেছে ফাতরার বন বা ফাতরার চর। ফাতরার বন ইতিমধ্যে দ্বিতীয় সুন্দরবন হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। এই বনে রয়েছে কেওড়া, গেওয়া, সুন্দরী, ফাতরা, গরান, বাইন, গোলপাতা ইত্যাদি ম্যানগ্রোভ প্রজাতির উদ্ভিদ এবং বানর, শূকরসহ অসংখ্য জীবজন্তু ও পাখি।
সমুদ্রসৈকত থেকে ইঞ্জিনচালিত বোট ভাড়া করে আপনাকে ফাতরার চরে যেতে হবে। বোটে চেপে যখনই আপনি ফাতরার চরের খালে প্রবেশ করবেন, তখনই আপনাকে স্বাগত জানাবে দুই পাশের গভীর অরণ্য। ফাতরার বনে প্রবেশ করা মাত্র আপনি এক অন্য জগতে চলে যাবেন।
গঙ্গামতির জঙ্গল
সমুদ্রসৈকতের পূর্ব দিকে গঙ্গামতির খাল অবস্থিত।আর এই খাল পর্যন্ত গিয়েই কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকত শেষ হয়েছে। খাল পেরিয়ে আসলেই গঙ্গামতি জঙ্গল ।অনেকে একে গজ মতির জঙ্গল বলে থাকেন।
বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা ছাড়াও এই জঙ্গলে দেখা মিলে বিভিন্ন রকমের পাখি, বন মোরগ-মুরগি, বানর ও বন্য শুকর ইত্যাদি পশুপাখির। গঙ্গামতির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও পশু পাখি দেখার জন্য প্রতিদিনই প্রায় শত শত পর্যটক গঙ্গামতি জঙ্গল পরিদর্শন করতে আসেন।
কুয়াকাটাতে গিয়ে কোথায় কি খাবার খাবেন
কুয়াকাটার বিচের স্বচ্ছ পানিতে ছোটাছুটি, সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত উপভোগ করার পাশাপাশি আপনি কুয়াকাটার কিছু স্থানীয় খাবার খেতে পারেন। স্থানীয় রান্নার স্বাদ একবার হলেও উপভোগ করা উচিত! যা আপনার ট্যুরকে পরিপূর্ণ করবে।
সামুদ্রিক মাছের আইটেম
কুয়াকাটার প্রধান আকর্ষণ টাটকা সামুদ্রিক মাছ। এখনকার রেস্তোরাঁগুলোতে তাজা সামুদ্রিক মাছের বিভিন্ন আইটেম পরিবেশন করা হয়। কুয়াকাটায় সামুদ্রিক মাছের স্বাদ নিতে চাইলে আপনি যেতে পারেন স্থানীয় রেস্তোরাঁ এমনকি সৈকতের পাশে স্থাপিত ছোট ছোট স্টলগুলোতে। যেখানে আপনি বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছের গ্রিল বা ফ্রাই কম মূল্যে খেতে পারেন। তবে, আপনাকে অবশ্যই দরদাম করে নিতে হবে। কুয়াকাটায় ভ্রমণের সময় স্থানীয় সি-ফুডের স্বাদ গ্রহণ করতে ভুলবেন না।
কাঁকড়ার কারি
কুয়াকাটার কাঁকড়া কারির স্বাদ অনন্য। ভাতের সঙ্গে এটি পরিবেশন করা হয়। যারা সামুদ্রিক খাবারের ভক্ত, তাদের জন্য এটি একটি বিশেষ অভিজ্ঞতা। কুয়াকাটার সবচেয়ে ভালো কাঁকড়া কারির স্বাদ উপভোগ করতে চাইলে চলে যেতে পারেন কুয়াকাটা গ্রান্ড হোটেল এন্ড সি রিসোর্ট রেস্টুরেন্টে। সেখানে কাঁকড়া কারির দাম সাধারণত সাইজ অনুযায়ী ৬০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
শুঁটকি ভর্তা
কুয়াকাটার শুঁটকি ভর্তার বিশেষ সুনাম রয়েছে। কুয়াকাটার ঐতিহ্যবাহী শুঁটকি ভর্তা স্থানীয় রেস্তোরাঁ ও খাবারের দোকানে পাওয়া যায়। বিশেষ করে, সমুদ্র সৈকতের আশেপাশে এবং শুটকি পল্লী এলাকায় পাওয়া যায় এই ভর্তা।
শুঁটকি মাছ পেঁয়াজ, রসুন, কাঁচা মরিচ এবং সর্ষের তেল দিয়ে ভর্তা করে পরিবেশন করা হয়। এটি ভাতের সঙ্গে খেতে দারুণ লাগে। শুঁটকি ভর্তা ৫০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যায়, তবে এটি রেস্তোরাঁ ও ভর্তার প্রকারভেদে পরিবর্তিত হতে পারে।
ঝিনুকের পদ
কুয়াকাটার আরেকটি অনন্য খাবার হলো ঝিনুক দিয়ে তৈরি নানা পদ। ঝিনুক ভাজি বা ঝিনুক কারি মশলা ও নারকেলের দুধ দিয়ে তৈরি করে পরিবেশন করা হয়। এটি স্থানীয় রেস্তোরাঁয় বেশ জনপ্রিয়।
নারিকেলের মিষ্টি ও সন্দেশ
কুয়াকাটার নারিকেলের মিষ্টি এবং সন্দেশ খুবই বিখ্যাত। এটি নারিকেল ও চিনির মিশ্রণে তৈরি করা হয়। নারিকেল মিষ্টির বিশেষত্ব হচ্ছে এর স্বাদ। নারিকেলের তাজা গন্ধ ও মিষ্টতার সুমিষ্টতা থাকে এই মিষ্টিতে।
কিভাবে কুয়াকাটা যাবেন
আপনি সড়ক কিংবা নৌপথ উভয় ভাবেই কুয়াকাটায় যেতে পারবেন।
বাসে করে কুয়াকাটায়
ঢাকা থেকে কুয়াকাটার সরাসরি অনেক বাস রয়েছে।
গাবতলী, সায়েদাবাদ, কল্যাণপুর বাস টার্মিনাল থেকে গ্রীন লাইন, সাকুরা, সুরভী অথবা ঈগল পরিবহনের বাস করে কুয়াকাটাতে যেতে পারবেন।
ঢাকা থেকে কুয়াকাটার নন-এসি বাসের ভাড়া জনপ্রতি ৮০০-৯০০ টাকা এবং এসি বাসের ১১০০-১৬০০ টাকা। বাসে যেতে সময় লাগবে ৬-৭ ঘন্টা।
লঞ্চে করে কুয়াকাটা
সদরঘাট থেকে প্রতিদিন সন্ধ্যায় পটুয়াখালী যাবার লঞ্চ ছেড়ে দেয়।
লঞ্চ গুলো বিকাল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৭ টার মধ্যেই যাত্রা শুরু করে। লঞ্চ ভাড়া ডেকে ৪০০-৫০০ টাকা, সিঙ্গেল কেবিনে ১৩০০ টাকা, ডাবল কেবিনে ৭০০০টাকা।
যেকোন একটি কেবিনে করে চলে আসতে পারেন পটুয়াখালী। পরবর্তীতে সেখানে থেকে বাস, মোটর সাইকেল, প্রাইভেট কার নিয়ে চলে যাবেন কুয়াকাটা।
নিজস্ব গাড়িতে কুয়াকাটা
যদি নিজস্ব গাড়ি থাকে, তাহলে ঢাকা থেকে মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে পায়রা সেতু পার হয়ে বরিশাল হয়ে কুয়াকাটা যেতে পারেন।
কুয়াকাটায় গিয়ে কোথায় থাকবেন
কুয়াকাটাতে থাকার জন্য বিভিন্ন ধরনের হোটেল ও রিসোর্ট আছে। কুয়াকাটা মেরিন রিসোর্ট, কুয়াকাটা শেরাটন রিসোর্ট, কুয়াকাটা বীচ রিসোর্ট, নিউ বাঙালী হোটেল সহ অসংখ্য হোটেল ও রিসোর্ট।
সাধারণ হোটেল বা গেস্টহাউসগুলোতে প্রতি রাতের খরচ প্রায় ১,০০০ থেকে ২,০০০ টাকা হতে পারে। মাঝারি মানের হোটেল বা রিসোর্টে প্রতি রাতের খরচ ২,৫০০ থেকে ৫,০০০ টাকা হতে পারে। বিলাস বহুল হোটেল বা রিসোর্টে প্রতি রাতের খরচ ৬,০০০ থেকে ১৬,০০০ টাকা হতে পারে।
কুয়াকাটায় ভ্রমণের উপযুক্ত সময়
কুয়াকাটায় ভ্রমণের উপযুক্ত সময় হলো শীতকাল। অর্থাৎ নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি । এ সময় আবহাওয়া শুষ্ক এবং ঠান্ডা থাকে, যা ভ্রমণের জন্য আরামদায়ক।
এ ছাড়া কুয়াকাটার সুর্যোদয় ও সূর্যাস্ত উপভোগ করতে এই সময়টা আদর্শ। শীতকালে সমুদ্র শান্ত থাকে।তাই সমুদ্রস্নান এবং অন্যান্য জলকেন্দ্রিক কার্যকলাপ উপভোগ করা যায়।
কুয়াকাটায় ভ্রমণে সতর্কতা
১. কুয়াকাটায় ভ্রমণে গেলে আপনার ভ্রমণকে সুন্দর এবং নিরাপদ করার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।
২. সমুদ্রে স্নানের সময় সতর্ক থাকুন, বিশেষ করে জোয়ারের সময়।
৩. অপরিচিত লোকের কাছ থেকে খাবার বা পানীয় গ্রহণ করার আগে সতর্ক থাকুন। কারণ, সেগুলো আপনার স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
৪. প্রাথমিক চিকিৎসার সরঞ্জাম ও ওষুধ সঙ্গে রাখুন।
৫. মূল্যবান সামগ্রী, যেমন মোবাইল, ক্যামেরা, এবং টাকা নিরাপদে রাখুন।
৬. স্থানীয় পর্যটন গাইডের সাহায্য নিন। তারা আপনাকে কুয়াকাটার আকর্ষণীয় স্থানগুলো সম্পর্কে ভালোভাবে জানাতে সাহায্য করবে।
৭. বিশ্বস্ত পরিবহন মাধ্যম ব্যবহার করুন।
৮. প্লাস্টিক বা আবর্জনা যেখানে-সেখানে ফেলে পরিবেশ নষ্ট করবেন না।
৯. পর্যটন স্থানগুলোর জরুরি নম্বরগুলো হাতের কাছে রাখুন।
এই সতর্কতাগুলো মেনে চললে কুয়াকাটায় আপনার ভ্রমণ আরও সুন্দর এবং নিরাপদ হবে।