Image default
ঘটমান বর্তমান

ড. মুহাম্মদ ইউনূস এর ‘থ্রি জিরো’র পৃথিবী: সকল সমস্যাকে করবে জিরো

এক তত্ত্বেই সকল বৈশ্বিক সমস্যার সমাধান! এই জাদুর কাঠি দিয়ে উত্তরণ থেকে উন্নয়ন সব সম্ভব। পুঁজিবাদের বিকল্প হিসেবে এসেছে এই নতুন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস একজন বিশ্বখ্যাত বাংলাদেশী অর্থনীতিবিদ ও সমাজকর্মী। ১৯৪০ সালের ২৮ জুন তিনি চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি দারিদ্র বিমোচনের লক্ষ্যে একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রকল্প, ‘গ্রামীণ ব্যাংক’ এর প্রতিষ্ঠা করেন। সুনির্দিষ্টভাবে এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য ছিলো অর্থনৈতিক স্বায়ত্বশাসন প্রতিষ্ঠা, সামাজিক সমস্যা নিরসন এবং জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন করা। তাঁর এই উদ্যোগের জন্য তিনি ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন।

এছাড়া তাঁর এই সোশ্যাল বিজনেস এর ধারণাটি বর্তমানে সারা বিশ্বে দারিদ্র বিমোচন ও সামাজিক উন্নয়নে একটি ‘রোল মডেল’ হিসাবে বিবেচিত হচ্ছে।

বর্তমানে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্ব নেতৃবৃন্দদের ‘থ্রি জিরোর বিশ্ব’(Three zero’s world) গড়ে তোলার জন্য বাধ্যতামূলক আহ্বান জানিয়েছেন এবং ইতোমধ্যে তা বিশ্বব্যাপী সাড়া পেয়েছে। 

চলুন দেখি এর মাধ্যমে তিনি বিশ্ববাসীকে কি ম্যাসেজ দিতে চেয়েছেন।

থ্রি জিরো তত্ত্ব

২০১৭ সালে ড. মুহাম্মদ ইউনূস এর বই ‘A World of Three Zeros’ প্রকাশিত হয়। এখানে তিনি প্রথম এই ‘World of Zero’ তথা থ্রি জিরো তত্ত্বের কথা উল্লেখ করেন। এছাড়াও তিনি মালয়েশিয়ার ইউনিভার্সিটি পুত্রা আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দেওয়া কালীন থ্রি জিরো তত্ত্বকে ব্যাখ্যা করেন।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস এর বই

এখানে তিনি থ্রি জিরো বলতে দারিদ্র্য শূন্য, বেকারত্ব শূন্য ও কার্বন নির্গমন শূন্য একটি পৃথিবীকে বুঝিয়েছেন। আর এই তিনটি মিলিয়ে হবে ‘থ্রি জিরোর বিশ্ব’। এই তত্ত্ব মূলত একটি আর্থ-সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি।

এই তত্ত্ব তরুণদের উদ্যম, উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসা এই তিন লক্ষ্য বাস্তবায়নে সহায়তা করবে। আর এভাবেই এটি বর্তমান বিশ্বে অর্থনৈতিক মুক্তি, কর্মঠ বাহিনী এবং পরিবেশ রক্ষা নিশ্চিত করবে বলে তিনি মনে করেন। বিশ্লেষকরাও এই তত্ত্বকে ‘জনপ্রিয় ও নির্বাচিত মডেল’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।

দারিদ্র্য বিমোচনে ড. ইউনূসের মডেল

“বর্তমান অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নিজেই দারিদ্র্য সৃষ্টি করে এবং এই ব্যবস্থার অধীনে দারিদ্র্য দূর করা সম্ভব নয়। মানুষ এককভাবে দারিদ্র্যতা তৈরি করে না, আমাদের অর্থনৈতিক কাঠামোর ভেতরেই তৈরি হয় দারিদ্র্য।” –ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

বর্তমান অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বলতে ড. ইউনূস এখানে পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক ব্যবস্থার কথা বলেছেন। কারণ এই যে সমাজের ব্যাপক বৈষম্য, বেকারত্ব, দারিদ্র, পরিবেশের বিপর্যয়; এসব মূলত পুঁজিবাদেরই দান। পুঁজিবাদী সমাজে কোন কল্যাণ নাই। কেননা তার মতে, পুঁজিবাদী সমাজ আত্মকেন্দ্রিক, এখানে সকলের কল্যাণ হয় না, শুধু ধনীরাই আরও ধনী হয়। আর এই কারণেই ড. ইউনূূস অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বদলানোর কথা বলেন। তিনি এমন একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থার কথা ভাবেন যেখানে পরস্বার্থের বিষয়টি মুখ্য হবে। এইখানে, নতুন এই অর্থনৈতিক ব্যবস্থার রূপকার হলো থ্রি জিরো তত্ত্ব।

যেভাবে দারিদ্র বিমোচন সম্ভব

এই তত্ত্ব মোতাবেক প্রতিটি মানুষ হবে ‘থ্রি জিরো মানব’, অর্থাৎ এখানে প্রতিটি ব্যক্তি তার জীবনে জিরো কার্বন নিঃসরণ নিশ্চিত করবেন। তিনি উদ্যমী তরুনদের চাকরির পেছনে না ছুটে উদ্যোক্তা হবার পরামর্শ দিয়েছেন। এক্ষেত্রে ক্ষুদ্রঋণ প্রকল্প থাকবে তাকে সাহায্য করার জন্য। এর সাহায্যে একদম গ্রামীণ, প্রান্তিক স্তর থেকে উদ্যোক্তা তৈরি হবে এবং সেখানে আরও কয়েকজন ব্যক্তির কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে।

পরবর্তীতে এখান থেকে যা মুনাফা আসবে তা খাদ্য নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ইত্যাদি উন্নয়নে ব্যয় হবে। এভাবে একটি সমাজ দারিদ্র্যমুক্ত হতে পারবে, আবার সামাজিক ন্যায়বিচারও প্রতিষ্ঠা পাবে। এই তত্ত্বের প্রতিফলন ইতোমধ্যে ফ্রান্সের গ্রামীণ অঞ্চলে দেখা যাচ্ছে। দেশটিতে এ পদ্ধতিতে অর্থনৈতিক গতিশীলতা আনয়ন সহ আশ্রয় ও অন্যান্য পরিষেবাও গড়ে উঠেছে।

“প্রতিটি মানুষ ‘থ্রি জিরো মানব’ হিসাবে গড়ে উঠবে এবং সারাজীবন সে এমনই থাকবে। এতে নতুন সভ্যতার সূচনা হবে” –ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

থ্রি জিরোর মূল লক্ষ্য কি

থ্রি জিরো কিন্তু কোন বিচ্ছিন্ন তত্ত্ব নয়, বরং, এরা একটার সাথে আরেকটা অবধারিতভাবে যুক্ত। কিরকম? 

একটি সামাজিক ব্যবসা গ্রহণ, এটা থেকে অর্থনৈতিক গতিশীলতা আনয়ন এবং তা পরিশেষে জনকল্যাণে কাজে লাগানো।

তবে এই প্রক্রিয়ার আরেকটি দিক হলো মুনাফার সুস্পষ্ট ব্যবহার। এ বিষয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, এখানে যে মুনাফা আসবে তা লভ্যাংশ হিসাবে বিবেচনা করা হবেনা। তবে প্রাথমিক মূলধনটি মজুদ রাখতেই হবে। কেননা এই মূলধন পরবর্তীতে আরও মানুষের উপকারে আসবে।

অর্থাৎ,পরিশেষে থ্রি জিরোর একত্রে মূল লক্ষ্যই হলো মানবকল্যাণ, সামাজিক সমস্যার সমাধান, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা। সর্বোপরি, একটি জনকল্যাণমুখী অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।

থ্রি জিরো বাস্তবায়নে পদক্ষেপ সমূহ 

অতি সম্প্রতি ৪,৬০০ টি ‘থ্রি জিরো ক্লাব’ বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় গড়ে উঠেছে। এই ক্লাবগুলো থ্রি জিরোর বিশ্ব প্রতিষ্ঠায় নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। “থ্রি জিরো তত্ত্ব” বাস্তবায়নে কয়েকটি পদক্ষেপ হলো-

  • কার্বন নিঃসরন দূরীকরণের ক্ষেত্রে জীবাশ্ম জ্বালানীর ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশের লাখ লাখ বাড়িতে সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপন করা হয়েছে।
  • বেকারদের উদ্যোক্তা হবার লক্ষ্যে ক্ষুদ্রঋণ প্রকল্প গড়ে তোলার জন্য  বিনিয়োগ করা হচ্ছে ।এতে বেকারদের সহজেই ব্যবসা শুরুর পুঁজির সংস্থান হবে।
  • ব্যবসা খাতে নারীর ক্ষমতায়ন বৃদ্ধি করা হচ্ছে (যুক্তরাষ্ট্রে)। কারণ একটি স্থানের জনসংখ্যার অর্ধেকাংশ নিস্ক্রিয় থাকলে সেখানকার উন্নয়ন আনা অসম্ভব।
  • তরুণ জনগোষ্ঠীদের জন্য একটি বৈশ্বিকভাবে সাহায্যদানকারী নেটওয়ার্ক গড়ে উঠছে যেখানে প্রত্যেক তরুন উদ্দোক্তা তাদের ব্যবসাকে উপস্থাপন করতে পারবে। নতুন নতুন ব্যবসায়ী চিন্তা, প্রচেষ্টা, ধারণা এখানে বিনিময় হবে। এতে কাজের পরিধি বাড়বে।

এসডিজি(SDG) ও থ্রি জিরো তত্ত্ব

SDG এর পূর্ণরূপ হলো Sustainable Development Goals বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য। এটি পারস্পরিক সংযুক্ত ১৭টি বৈশ্বিক লক্ষ্য যা ২০১৫ সালে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত করে। এই ১৭ টি লক্ষ্যের মূল হলো ২০৩০ সালের মধ্যে পৃথিবীকে আরও সাম্যবাদী, সমৃদ্ধি দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। এখন এটা তো আর মুখের কথা নয়, তাই এর সাথে বিশ্বের প্রতিটি দেশ, সরকার, নাগরিক সমাজ এমনকি বেসরকারী খাতও যুক্ত রয়েছে।

এ বিষয়ে ইউনূস সেন্টারের লামিয়া মোরশেদ বলেন, 

“আমরা টেকসই উন্নয়ন (SDG) এর স্বার্থে সব স্তরে ‘তিন শূন্য’ সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করতে চাই।” লামিয়া মোরশেদ, ‘ইউনূস সেন্টার’ এর পরিচালক, প্রধান কো-অর্ডিনেটর অন এসডিজি অ্যাফেয়ার্স

এছাড়াও তিনি জানান, এসডিজি বাস্তবায়নের সব কর্মকাণ্ডে থ্রী জিরো তত্ত্বটি বিবেচনা করা হচ্ছে। 

এখন এটা দেখা যাক ‘থ্রি জিরো’ কিভাবে এসডিজি বাস্তবায়নের সাথে সম্পর্কিত-

  • এসডিজির প্রথম লক্ষ্যই হলো দরিদ্রতা নির্মূল করা। থ্রি জিরো তত্ত্বের প্রথম জিরোর লক্ষ্য (দারিদ্র বিমোচন) এর সাথে হুবহু মিলে যায়। ড. ইউনূসের মাইক্রোফিন্যান্স কার্যক্রম ( ক্ষুদ্রঋণ প্রকল্প) এটাকে মাথায় রেখেই করা।
  • এসডিজির ৮ নম্বর লক্ষ্য হলো ‘মানসম্মত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি’ অর্জন করা। এখানে ড. ইউনূসের দ্বিতীয় ‘জিরো’ হলো বেকারত্ব দূরীকরণ। এই বেকারত্ব দূরীকরণের লক্ষ্যে তিনি সামাজিক ব্যবসা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সকলের জন্য কাজ ইত্যাদি উপায়ের কথা বলেন যা সরাসরিভাবে এসডিজি-৮ এর সাথে সম্পর্কযুক্ত।

কেননা মানসম্মত কাজ ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি তো আর এমনি এমনি হয় না, এর জন্য আগে একজন সাহসী উদ্যোক্তা এবং একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রকল্প থাকা দরকার। এই দুইয়ের মিশ্রণে একটি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, যা কাজ ও অর্থনৈতিক গতিশীলতা বাড়াবে, এতে বেকারত্ব দূর হবে। সর্বোপরি অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন হবে।

  • এসডিজি-১৩ এর লক্ষ্য হলো জলবায়ু ব্যবস্থা নিয়ে এবং এসডিজি-৭ এর লক্ষ্য পরিবেশের পরিচ্ছন্নতা। এখন এ দুটি লক্ষ্য তখনই বাস্তবায়িত হবে যখন ড. ইউনূসের তত্ত্বানুসারে, কার্বন নিঃসরণ জিরো হবে। কেননা আমরা জানি, বৈশ্বিক উষ্ণায়নে সবচেয়ে ক্ষতিকর হলো কার্বন। এর ফলে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হয় এবং জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ে। ক্ষতিকর এই কার্বন নিঃসরণ রুখতে পারলে পরিবেশের পরিচ্ছন্নতা তথা জলবায়ু ব্যবস্থা ভালো হবে।
এস ডি জি এর লক্ষ্যগুলো

অতি সম্প্রতি কপ-২৯ এর আবহাওয়া বিষয়ক সামিটে, ড. মুহাম্মদ ইউনূস পরিবেশের ভারসাম্য ও এই গ্রহের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কার্বন নিঃসরণ জিরো করার কথা বলেন। 

অতএব, এই তিনটি জিরোর অবদান এসডিজি অর্জনের পথে ইতিবাচক কাঠামো প্রদান করে। আবার থ্রি জিরোর যে মূল লক্ষ্য; জনকল্যাণ, এটা এসডিজিরও লক্ষ্য।

বাংলাদেশের উন্নয়নে ‘থ্রি জিরো’ 

বাংলাদেশ বর্তমানে বেশ কয়েকটি আর্থ-সামাজিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। যেমন: অতিদারিদ্র্য, উচ্চ বেকারত্বের হার এবং পরিবেশগত ঝুঁকি। বাংলাদেশের জন্য থ্রি জিরো তত্ত্ব অত্যন্ত সময়োপযোগী সমাধান হতে পারে। তবে, ইতোমধ্যে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের এই উদ্যোগ ‘গ্রামীণ ব্যাংক’ ও বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হতে দেখা যাচ্ছে। তবে এটি বেশ চ্যালেন্জিং ব্যাপারও বটে! 

ড. মুহাম্মদ ইউনূস  বলেন, “আমরা জন্মেছি সমস্যা সমাধানের জন্য।”

এছাড়াও তিনি তরুণ প্রজন্মের প্রতি অনেক আশাবাদী। তিনি মনে করেন তরুণদের মাঝে সে উদ্যম রয়েছে যা একটি দেশ তথা বিশ্বকে বদলে দিতে পারে। আর এক্ষেত্রে তিনি মনে করেন যে, তরুণরা এই তিন শূন্যের তত্ত্ব মোতাবেক জীবনধারা’কে নিজের পছন্দেই প্রাধান্য দিবে।

এক্ষেত্রে লামিয়া মোরশেদ বলেন,

“বাংলাদেশকে ভবিষ্যতে থ্রি জিরো তত্ত্বের উদাহরণ হিসাবে মানা হবে।”

তবে, ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন যে, এই থ্রি জিরো তত্ত্ব শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, বরং, এটা পুরো বিশ্বের আগামীর কল্যাণের জন্য।

টোকিও অলিম্পিকে ড. মুহাম্মদ ইউনূস

টোকিও অলিম্পিক ২০২০ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে অলিম্পিক অ্যাথলেটদের থ্রি জিরো’র পৃথিবীর নেতৃত্ব দিয়ে পৃথিবীকে বদলে দিতে আহ্বান জানাতে দেখা যায়।

কমনওয়েলথ সচিবালয়ের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিভাগের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ,ড. এম এ রাজ্জাক বলেন যে তিনি ড. মুহাম্মদ ইউনূসের এই থ্রি জিরো তত্ত্বটি নিয়ে অনেক আশাবাদী। 

তিনি  বলেন, “আমি বিশ্বাস করি যে টেকসই উন্নয়নের সকল সূচকে লক্ষ্য অর্জনে থ্রি জিরো তত্ত্ব অনুঘটক হিসাবে কাজ করবে।”

আশা করা যায় এতে পরিবর্তন আসবে। 

সূত্র

Related posts

চীনের ডিপসিক – মার্কিন শেয়ার মার্কেটে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ধ্বস

আবু সালেহ পিয়ার

স্টেম সেল থেরাপিঃ মৃত্যুকে জয় করার দ্বার প্রান্তে

USAID ও ট্রাম্প-মাস্কের যত পাঁয়তারা

Leave a Comment

Table of Contents

    This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More