Image default
ঘটমান বর্তমান

লস এঞ্জেলেস – আগুনে জ্বলন্ত স্বপ্নপুরী

১ লক্ষ ৮০ হাজার মানুষকে ঘর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। নিহতের সংখ্যা ডাবল ডিজিটে পৌঁছে গিয়েছে। ইতিহাসে কখনও এত বড় ফরেস্ট ফায়ার দেখেনি লস এঞ্জেলেস।

লস এঞ্জেলেসের আকাশে সূর্যের আলো আজ মলিন! তার জায়গা নিয়েছে ধোঁয়া আর আগুনের লেলিহান শিখা। হাওয়ায় ভেসে বেড়াচ্ছে পুড়ে যাওয়া কাঠের গন্ধ। আমেরিকার পশ্চিমাঞ্চলের সবচেয়ে ভয়াবহ দাবানল আছড়ে পড়েছে এখানে! 

প্রশাসন ইতোমধ্যেই মানুষকে তাদের ঘর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে বলেছে। কিন্তু কোথায় যাবে তারা? যেসব জায়গায় একসময় পরিবারগুলো হাসি-খুশি সময় কাটাত, সেগুলো আজ পুড়ে ছাই। ফায়ার ফাইটাররা নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দিনরাত আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও, এই দাবানল যেন থামার নামই নিচ্ছে না।

লস এঞ্জেলেসে আজ প্রার্থনায় মগ্ন। এই অসম লড়াইয়ের শেষ দেখতে চায় সবাই। এই দাবানলের ভয়াবহতা, এর বিরুদ্ধে মানুষের লড়াই এবং বেঁচে থাকার আকাঙ্ক্ষা আমাদের এক নতুন প্রশ্নের সামনে দাঁড় করায়। প্রকৃতির প্রতি আমাদের অবহেলাই কি এই রুদ্র প্রতিশোধের কারণ?

আগুনের সূত্রপাত

অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রম

 

ক্যালিফোর্নিয়া ডিপার্টমেন্ট অব ফরেস্ট্রি অ্যান্ড ফায়ার প্রোটেকশনের তথ্য অনুযায়ী, ৮ জানুয়ারি, স্থানীয় সময় ভোর ৬টা ১৫ মিনিটে উডলি এলাকায় এই দাবানলের সূত্রপাত হয়। এরপর তা আস্তে আস্তে লস অ্যাঞ্জেলেসের পশ্চিমাঞ্চলে স্যান্টা মনিকা ও মালিবুর মধ্যবর্তী প্যালিসেইডস এলাকা এবং পূর্বে পাসাডেনার কাছে ইটন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে ছয়টি এলাকা এই আগুনে পুড়ছে। 

প্যাসিফিক প্যালিসেডস

প্যাসিফিক প্যালিসেডস, ক্যালিফোর্নিয়ার একটি অভিজাত আবাসিক এলাকা। এই এলাকা সাম্প্রতিক দাবানলে ব্যাপক ধ্বংসের মুখোমুখি হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ৩,২০০ একরের বেশি এলাকা আগুনে পুড়ে গেছে।  অন্তত ১০৫টি বাড়ি পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে এবং শতাধিক বাড়ি আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কথায় বলে নগর পুড়লে দেবালয়ও বাদ যায় না। লস অ্যাঞ্জেলসের এই অভিজাত এলাকায় হলিউডের সেলেব্রেটিদের বাস। Anthony Hopkins, John Goodman, Billy Crystal, Mandy Moore, Paris Hilton…কার নাম নেই লিস্টে। সবার বাড়িই পুড়ে ছাই। রাজপরিবার ছেড়ে ব্রিটেনের পাট চুকিয়ে এখন লস অ্যাঞ্জেলসে থাকেন হ্যারি-মেগান। পুলিশের নির্দেশে তাঁদেরও বাড়ির মায়া ত্যাগ করে এক কাপড়ে পালাতে হয়েছে।  বিখ্যাত সিনেমা যেমন টেনেট, লা লা ল্যান্ড, এবং আইরন ম্যান-এর শুটিং লোকেশন হিসেবে পরিচিত এই এলাকা, এখন ধোঁয়া ও ধ্বংসস্তূপে পরিণত।

দাবানল নিয়ন্ত্রণে আনতে ২৫০ জনের বেশি দমকলকর্মী কাজ করে যাচ্ছে। তবে তীব্র বাতাস ও খরা পরিস্থিতি ও কাজকে আরও কঠিন করে তুলেছে। ৫০০-এর বেশি বাসিন্দা তাদের বাড়িঘর ছেড়ে প্যাসিফিক পালিসেডস রিক্রিয়েশন সেন্টার ও আশপাশের এলাকায় আশ্রয় নিয়েছেন। ধ্বংস হওয়া বনভূমির মধ্যে বেশ কিছু সংরক্ষিত এলাকাও রয়েছে। পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক ক্ষতির পাশাপাশি প্যালিসেডসের ঐতিহাসিক এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ওপরও এই দাবানল বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছে।

ইটন

ইটন ক্যানিয়ন, ক্যালিফোর্নিয়ার পাসাডেনার কাছাকাছি অবস্থিত। বৈচিত্র্যময় জীববৈচিত্র্যের জন্য বিখ্যাত এই অঞ্চল। এখানে প্রায় পাঁচ হাজারের বেশি বাড়ি পুড়ে গেছে। বনাঞ্চল ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্যালিফোর্নিয়ার দমকলবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী,ইটনের আগুন ৩ শতাংশ নিয়ন্ত্রণে এসেছে। যদিও শুক্রবারের আগে ইটনে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার মাত্রা ছিল শূন্য শতাংশ। এই এলাকা পুনরুদ্ধারের জন্য অনেক সময় ও ব্যাপক সাহায্য প্রয়োজন হয়।  

মালিবু

মালিবু, ক্যালিফোর্নিয়ার বিখ্যাত সমুদ্রতীরবর্তী শহর। এই দাবানলে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে এই স্থানের। বিলাসবহুল বাড়ি, স্থানীয় জীববৈচিত্র্য দাবানলের কারণে ধ্বংস হয়ে গেছে। সান্তা মোনিকা থেকে মালিবু পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকায় দাবানল ছড়িয়ে পড়েছিল। দাবানলের কারণে মালিবুর ৮০০ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত ক্ষতি হয়েছে। ৪০,০০০ একর এলাকাজুড়ে এই দাবানল ছড়িয়ে পড়েছিল। 

দক্ষিণ লস অ্যাঞ্জেলেস

দক্ষিণ লস অ্যাঞ্জেলেস, এখানে সাধারণত নিম্ন আয়ের মানুষ বসবাস করেন। এই দাবানলে সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েছে এই মানুষজন। আগুনের তীব্রতা এতটাই ছিল যে,এখানকার বাসিন্দারা সময়মতো নিরাপদ স্থানে যেতে পারেননি। এইখানে ৫০ এর বেশি মানুষের আহত হয়েছে।  ৪,০০০ এরও বেশি বাড়ি পুড়ে গেছে। এই অঞ্চলের বাসিন্দাদের পুনর্বাসন খুবই জরুরি হয়ে পড়েছে। 

গ্লেনডেল

গ্লেনডেল, দাবানলে ব্যাপক ক্ষতির শিকার হয়েছে। এখানে সাড়ে সাতশ এরও বেশি পরিবারকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বহু স্কুল, পার্ক, এবং অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গ্লেনডেলের জীবনযাত্রা এখন পুরোপুরি থমকে গেছে। এই এলাকার পুনর্গঠন কাজ শুরু ছয় মাসও লাগতে পারে। আর পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে আরো বেশিদিন সময় লাগবে।

সান্তা মনিকা

সান্তা মনিকা, এখানে প্রতি বছর ৫০ লক্ষের বেশি পর্যটক আসে। এখানে আগুনের প্রভাব কম ছিল। শহরের বিখ্যাত পিয়ার এবং আশপাশের এলাকা অনেকটাই রক্ষা পেয়েছে। তবে এখানকার বাসিন্দা এবং ব্যবসায়ীরা আগুনের ভয়ে তাদের বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ স্থানে চলে গেছেন। যদিও ক্ষতির পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম। এই পরিস্থিতিতে স্থানীয় ব্যবসা এবং পর্যটনশিল্পের জন্য খুবই চ্যালেঞ্জিং। সান্তা মনিকার পুনর্গঠন প্রক্রিয়া শুরু হতে তিন মাসও লাগতে পারে এবং পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে বছরের শেষ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

দাবানলের কারণ

লস অ্যাঞ্জেলেসের দাবানল

 

দাবানলের উৎস চিহ্নিত করার জন্য বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন দিক থেকে কারণ বিশ্লেষণ করছেন। যদিও এখনো কোনো নির্দিষ্ট কারণ সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা যায়নি। প্রাথমিক তদন্তে দেখা যাচ্ছে, প্রাকৃতিক এবং মানবসৃষ্ট কারণগুলোর সম্মিলিত প্রভাবেই এই দাবানল এত ব্যাপক আকার ধারণ করেছে।

জলবায়ু পরিবর্তন ও শুষ্ক আবহাওয়া

জলবায়ু পরিবর্তন লস এঞ্জেলেসের দাবানলের অন্যতম কারণ। গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের কারণে তাপমাত্রা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর কারণে শুষ্কতা এবং খরা আরও দীর্ঘায়িত হয়েছে। লস এঞ্জেলেস ও আশেপাশের অঞ্চলগুলো বছরের একটি বড় অংশ ধরে শুষ্ক থাকে। লস এঞ্জেলেস গত এক দশক ধরে খরার প্রকোপে জর্জরিত। বৃষ্টি কমে যাওয়ায় এবং তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় বনাঞ্চলগুলো দাবানলের জন্য জ্বালানি হিসেবে কাজ করে

সান্তা আনা বাতাস

লস এঞ্জেলেসের দাবানলের পেছনে বড় একটি কারণ হলো সান্তা আনা বাতাস। প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূল থেকে বয়ে আসা এই বাতাস খুব শক্তিশালী, শুষ্ক এবং দ্রুতগামী। এই বাতাসের কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। সহজভাবে বলতে গেলে, সান্তা আনা বাতাস দাবানলের জন্য জ্বালানি হিসেবে কাজ করে। সান্তা আনা বাতাস অনেক সময় ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৭০ মাইল বেগে বয়ে যায়। এই শক্তিশালী বাতাস আগুনের শিখাকে বহুদূর ছড়িয়ে দেয়। বাতাসের এই  তীব্রতার কারণে দমকল বাহিনীর পক্ষে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

অগ্নিসংযোগ ও অসাবধানতা

অনেক সময় ইচ্ছাকৃতভাবে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও দাবানলের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। যদিও সাম্প্রতিক দাবানলের ক্ষেত্রে এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে অতীতে অসাবধানতা থেকে বড় বড় আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, ক্যাম্পফায়ার ভুলভাবে নিভিয়ে না ফেলা, সিগারেটের টুকরো ফেলা, বা আগুনের নীচু শিখা নজরদারির অভাবে দাবানলে পরিণত হতে পারে। ক্যালিফোর্নিয়ার দাবানলের আরেকটি সাধারণ কারণ হলো বৈদ্যুতিক লাইনের ত্রুটি। কিছু কিছু ক্ষেত্রে বেসরকারি বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলোর ব্যর্থতা এই ধরনের ঘটনাকে বাড়িয়ে তোলে।

অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রম ও চ্যালেঞ্জ

অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রম

 

লস অ্যাঞ্জেলেসে সাম্প্রতিক দাবানল দমন করতে দমকলকর্মীদের প্রচেষ্টা নানাভাবে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে। সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল প্রবল বাতাস। ক্যালিফোর্নিয়ার শুষ্ক পরিবেশও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টির ফায়ার চিফ অ্যান্থনি ম্যারোন জানান, পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপক কর্মী এবং সরঞ্জামের অভাব আগুন নিয়ন্ত্রণকে আরও কঠিন করে তুলেছে। একাধিক দমকল দল নিযুক্ত থাকলেও, দাবানলের ব্যাপকতা এবং দ্রুত বিস্তার তাদের কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করেছে।অপরদিকে,সীমিত জল সরবরাহ দাবানল নিয়ন্ত্রন কঠিন করে তুলেছিল। লস অ্যাঞ্জেলেস জল ও বিদ্যুৎ বিভাগের প্রধান জ্যানিস কুইনোনেজ সাধারণ জনগণকে জল সংরক্ষণের আহ্বান জানিয়ে ছিলেন। দাবানল নিয়ন্ত্রনে সব জল ব্যবহার করা হচ্ছিল। এর ফলে যেন সাধারণ মানুষ জল সংকটে না পড়ে।

প্রভাবিত এলাকা ও ক্ষয়ক্ষতি 

দাবানলের প্রভাবিত এলাকা ও ক্ষয়ক্ষতি

লস অ্যাঞ্জেলেসের সাম্প্রতিক দাবানলের ফলে শহরের অনেক বিলাসবহুল এলাকা ধ্বংস হয়ে গেছে। এর মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য সান্তা মনিকা পর্বতমালার কাছাকাছি অঞ্চল এবং প্রশান্ত মহাসাগরের উপকূলবর্তী এলাকাগুলি। এই অঞ্চলে বসবাসকারী ধনকুবেরদের বাংলো এবং অন্যান্য দামী স্থাপনাগুলি সম্পূর্ণভাবে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

কথায় বলে নগর পুড়লে দেবালয়ও বাদ যায় না। তেমনই ক্যালিফোর্নিয়ার ধনাঢ্য ব্যক্তিদের মধ্যে লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও, জেনিফার অ্যানিস্টন, এবং এলন মাস্কের মতো সেলিব্রিটিদের সম্পত্তি ঝুঁকির সম্মুখীন হয়েছে।  Anthony Hopkins, John Goodman, Billy Crystal, Mandy Moore, Paris Hilton বাড়িই পুড়ে ছাই। রাজ পরিবার ছেড়ে ব্রিটেনের পাট চুকিয়ে এখন লস অ্যাঞ্জেলসে থাকেন হ্যারি-মেগান। পুলিশের নির্দেশে তাঁদেরও বাড়ির মায়া ত্যাগ করে চলে যেতে হয়েছে। অনেকের বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত বা সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। 

হলিউডেও এই দাবানলের বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে। জনপ্রিয় অভিনেত্রী পামেলা অ্যান্ডারসনের নতুন চলচ্চিত্রের প্রিমিয়ার বাতিল করতে হয়েছে এই কারণে। পাশাপাশি, একটি মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানও স্থগিত করা হয়েছে। এখানে লস অ্যাঞ্জেলেসের নামীদামী তারকারা অংশগ্রহণ করার কথা ছিল।

সরকারি প্রতিক্রিয়া ও সহায়তা

দাবানলের ভয়াবহতা

এই দাবানলের ভয়াবহতা বিবেচনা করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এটিকে ক্যালিফোর্নিয়ার ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি ফেডারেল সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

ফেডারেল সরকারের তরফ থেকে দুর্যোগের প্রথম ১৮০ দিনের জন্য সব জরুরি ব্যয় বহন করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এই আর্থিক সহায়তা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পুনর্গঠন, বাস্তুচ্যুত মানুষদের অস্থায়ী আবাসন, খাদ্য এবং চিকিৎসা সহায়তা প্রদানে ব্যবহৃত হবে।

লস এঞ্জেলেসের দাবানল আমাদের জন্য একটি জাগরণী ঘণ্টা। এই ঘটনা আমাদের দেখিয়েছে, কীভাবে প্রকৃতির শক্তি আমাদের উপর বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে। তবে, সঠিক পরিকল্পনা, প্রযুক্তির ব্যবহার, এবং সচেতনতার মাধ্যমে আমরা এমন দুর্যোগ থেকে রক্ষা পেতে পারি। প্রশ্ন হলো, আমরা কি সময়মতো সেই পদক্ষেপ নিতে পারব?

আপনার মতামত আমাদের জানাতে ভুলবেন না। আপনি কি মনে করেন, জলবায়ু পরিবর্তন রোধে আমাদের আরো বেশি সক্রিয় হওয়া উচিত?

সূত্রঃ

Related posts

‘কিংস পার্টি’ বাহাস: শুরুতে আলোচনায়, শেষে ধরাশায়ী

USAID ও ট্রাম্প-মাস্কের যত পাঁয়তারা

বাংলাদেশে যত সন্ত্রাসবিরোধী অপারেশন – অপারেশন ডেভিল হান্ট ও অন্যান্য

Leave a Comment

Table of Contents

    This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More