“ফেব্রুয়ারি মাসের ২৮ দিন নিয়ে মাঝে মাঝে আফসোস হয়। ইশ! যদি কয়েকটা দিন বেশি থাকত, তাহলে বই মেলাটাও আর কিছুদিন চলতে পারত!”
মাসে দিনের সংখ্যা কমলে আমাদের জন্য মনেহয় ভালোই হয়। মাসের শেষ সাপ্তাহ বা ১০ দিনগুলো যে মধ্যবিত্ত পরিবারের উপর দিয়ে কি ধকল যায়, শুধু তারাই জানেন। কোনো রকমে দিন চলে! এ জন্যই বলছি মাসের দিনসংখ্যা এক, দুই বা তিনদিন কমে গেলে কিন্তু মন্দ হয়না!
ফেব্রুয়ারি এমন একটি মাস, যেটি ইংরেজি বছরের সবথেকে ছোট মাস। একমাত্র মাস যার দিনসংখ্যা ত্রিশের কম। অধিবর্ষ বা লিপ ইয়ারে এমাসে মোট ২৯ দিন আর অন্যান্য সময়ে ২৮ দিন। প্রশ্ন আসে কেন ফেব্রুয়ারি ২৮ দিনে হয়? লিপ ইয়ারই বা কি?
লিপ ইয়ার এবং ফেব্রুয়ারি মাস
বাঙালি জাতি হিসেবে আমাদের একটি নিজস্ব একটি বর্ষপঞ্জি থাকলেও দৈনন্দিন জীবনে আমরা ইংরেজি বর্ষপঞ্জিই ব্যবহার করে থাকি। বাকি দুনিয়ার সাথে তাল মিলিয়ে আমরা যে ইংরেজি বর্ষপঞ্জি ব্যবহার করে চলেছি সেটি মূলত গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জি।
গ্রেগরীয় ক্যালেন্ডারের একটি মজার বিষয় হলো, প্রায় প্রতিটি মাসের দিনসংখ্যা এখানে নির্দিষ্ট; হয় ৩০ দিন অথবা ৩১ দিন। তবে ফেব্রুয়ারির ক্ষেত্রে তা কিছুটা ব্যতিক্রম! মাত্র ২৮ দিনেই সম্পন্ন হয় ফেব্রুয়ারি মাসটি। আর প্রতি চার বছর অন্তর অধিবর্ষ বা লিপ ইয়ার এলে, দিনের সংখ্যা বেড়ে হয় ২৯।
রোমান ক্যালেন্ডার এবং ফেব্রুয়ারির ইতিহাস
অধিবর্ষের এই অদ্ভুত পরিস্থিতির পেছনে রয়েছে প্রাচীন রোমানদের পঞ্জিকা। জানা গেছে, রোমানরা গ্রিক পঞ্জিকা অনুসরণ করে ৩০৪ দিনের একটি বছর ব্যবহার করত। যে বছরে মাস ছিল ১০টি। গ্রিক পঞ্জিকা অনুযায়ী, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসের সে সময় কোনো অস্তিত্বই ছিল না। সেখানে প্রথম মাস ছিল মার্চ।
রাজা নূমা পম্পিলিয়াস তার শাসনামলে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসকে বছরের ক্যালেন্ডারে যোগ করেন। তৎকালীন ক্যালেন্ডার মোতাবেক ফেব্রুয়ারি ছিল বছরের সর্বশেষ মাস। এছাড়াও জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাস দুটিকে ৩১ দিন হিসাবে ধরা হতো। তবে, এখানেই আসল বিপত্তি দেখা দেয়।
মূলত, ঋতুর সাথে সময় না মেলায় নানা রকম সমস্যা পোহাতে হচ্ছিল। পরবর্তিতে জুলিয়াস সিজার ক্ষমতায় আসার পর বছরকে পুনরায় ঢেলে সাজালেন। তিনি নতুন দু’টি মাস হিসেবে, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিকে বছরের অগ্রভাগে আনলেন। ফেব্রুয়ারি মাস একেবারে নতুন হওয়ায়, তখনকার দিনে সুবিধার জন্যই ২৮ দিনে ধরা হত। সেই থেকে আজও এটি প্রচলিত।
মজার ব্যাপার হলো, সেসময়ে বিজোড় মাসকে অসুখী হিসেবে মনে করা হতো। রোমানরা বিশ্বাস করতো, বিজোড় সংখ্যায় দিন থাকলে ভৌতিক অবতারণার উপদ্রব হতে পারে। এই অদ্ভুত সমস্যার সমাধান হিসাবে রাজা নূমা পম্পিলিয়াস ফেব্রুয়ারি মাসকে ২৮ দিনের করেন। তবে প্রতি বছর ফেব্রুয়ারি মাস কিন্তু ২৮ দিনের হয় না।
সূর্যের চারদিকে পৃথিবী প্রদক্ষিণ করতে ৩৬৫ দিন ৬ ঘন্টা সময় নেয়। তো সে হিসাব অনুসারে, প্রতি ৪ বছর পর ২৪ ঘন্টা, অর্থাৎ একটি দিন অতিরিক্ত থেকে যায় এবং সেই দিনটি যোগ করা হয় ফেব্রুয়ারি মাসে। ফলস্বরূপ, চার বছর পর ফেব্রুয়ারি মাসের দিনসংখ্যা দাঁড়ায় ২৯ দিন।
লিপ ইয়ারের
প্রতি চার বছর পর পর ক্যালেন্ডারে জন্ম নেওয়া অসঙ্গতিকে সমন্বয় করতে লিপ ইয়ারের আবির্ভাব হয়। ডাবল লিপ ইয়ারের অংশ হিসেবে ৩০শে ফেব্রুয়ারি কেন যুক্ত করতে হয়েছিল সেই ব্যাখ্যার আগে লিপ ইয়ার কেন আসে? কবে থেকে লিপ ইয়ার যুক্ত হয়েছে? এইসব ইতিহাস আমাদের জানা প্রয়োজন।
লিপ ইয়ার কেন আসে?
কখন থেকে এই লিপ ইয়ারের প্রচলন হয়েছে? এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য দুই সহস্রাব্দেরও বেশি আগে প্রাচীন রোমের ইতিহাসের দিকে তাকাতে হবে। রোমানরা বুঝতে পারেন, তারা যে সৌর ক্যালেন্ডার ধরে বছর গণনা করছেন সেটি সৌর বছরের সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না।
এই সৌর ক্যালেন্ডারের প্রাথমিক ধারণা এসেছিল রোমান সম্রাট জুলিয়াস সিজারের কাছ থেকে। তিনি আলেকজান্দ্রিয়ান জ্যোতির্বিজ্ঞানী সোসিজেনেসকে রোমান ক্যালেন্ডারের একটি বিকল্প তৈরি করতে বলেছিলেন। এভাবে সোসিজেনেসের সহযোগিতায় তিনি সূর্যের চারিদিকে পৃথিবীর পরিভ্রমণের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত এবং বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ক্যালেন্ডার তৈরি করেন ।
অনেকেই মনে করেন, পৃথিবী সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে আসলে কাঁটায় কাঁটায় ৩৬৫ দিন সময় নেয় না। ৩৬৫ দিনের সঙ্গে পাঁচ ঘণ্টা, ৪৮ মিনিট এবং ৫৬ সেকেন্ড বেশি সময় লাগে। এই বাড়তি সময়কে সমন্বয় করতে সোসিজেনেস একটি ক্যালেন্ডার তৈরির প্রস্তাব করেছিলেন। যে ক্যালেন্ডারটি মিশরীয়দের ক্যালেন্ডারের সঙ্গে প্রায় হুবহু মিলে যায়।
সৌর বছরের সঙ্গে সন্নিবেশ করতে প্রতি চার বছরে ৩৬৫ দিনের সঙ্গে একটি অতিরিক্ত দিন যোগ করা হয়। এভাবে জুলিয়ান ক্যালেন্ডারের জন্ম হয়। এর প্রবর্তক জুলিয়াস সিজারের সম্মানে এর নামকরণ করা হয়েছিল ‘জুলিয়ান ক্যালেন্ডার।’
একটি বাড়তি দিন
তবে, এই জুলিয়ান ক্যালেন্ডারের প্রচলন বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। এই ক্যালেন্ডারে কিছু ফাঁক থাকার কারণে ১৫৮২ সাল থেকে ক্রমান্বয়ে জুলিয়ান ক্যালেন্ডারের জায়গা দখল করে নেয় আজকের গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার।
জুলিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী বছর শুরু হতো মার্চ থেকে। যেহেতু প্রতি চার বছরে একটি অতিরিক্ত দিনের প্রয়োজন ছিল, তাই রোমানরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে এটি ফেব্রুয়ারিতে যুক্ত হবে। কারণ, ফেব্রুয়ারি তখনকার সময় বছরের শেষ মাস ছিল।
কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ক্যালেন্ডারের মধ্যে কিছু বিচ্যুতি দেখা দেয়, কারণ জুলিয়ান ক্যালেন্ডারে বছরের হিসাব পুরোপুরি সঠিক ছিল না। তাই, ১৫৭২ সালে ত্রয়োদশ পোপ গ্রেগরি এই সমস্যা সমাধানের জন্য একটি ডিক্রি জারি করেন। পোপ গ্রেগরি নতুন একটি ক্যালেন্ডার তৈরি করেন, যা গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার হিসেবে পরিচিত।
এই পরিবর্তনের অংশ হিসেবে, লিপ ইয়ারে অতিরিক্ত একদিন যোগ করার নিয়ম অপরিবর্তিত থাকে।এই অতিরিক্ত দিনটি ২৯শে ফেব্রুয়ারি হিসেবে যুক্ত করা হয়, যেটি বর্তমানে আমাদের ক্যালেন্ডারেও চালু রয়েছে।
জুলিয়ান ক্যালেন্ডার ও গ্রেগোরিয়ান ক্যালেন্ডার কী? কেন এই সংস্কার?
জুলিয়ান ক্যালেন্ডার হলো ৪৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দে রোমান সম্রাট জুলিয়াস সিজার প্রবর্তিত একটি ঐতিহ্যবাহী বর্ষপঞ্জি। খ্রিস্টপূর্ব ৪৫ খ্রিস্টাব্দে রোমানদের মিসর জয়ের পর এ ক্যালেন্ডার কার্যকর করা হয়। জুলিয়ান ক্যালেন্ডারে বছর হিসাব করা হতো ৩৬৫ দিনে এবং দিনগুলো ১২টি মাসে ভাগ ছিল। প্রতি ৪ বছর পর ফেব্রুয়ারি মাস অধিবর্ষ হতো। এই ক্যালেন্ডারে গড়ে ৩৬৫.২৫ দিনে এক বছর হতো। এটি ছিল একটি সম্পূর্ণ সৌরভিত্তিক বর্ষপঞ্জি।
অন্যদিকে গ্রেগোরিয়ান ক্যালেন্ডার হলো আন্তর্জাতিকভাবে প্রায় সর্বত্র স্বীকৃত বর্ষপঞ্জি। ১৫৮২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি পোপ ত্রয়োদশ গ্রোগোরির এক আদেশানুসারে এই বর্ষপঞ্জির প্রচলন ঘটে। সেই বছর কিছু মুষ্টিমেয় রোমান ক্যাথলিক দেশ গ্রেগোরিয়ান ক্যালেন্ডার গ্রহণ করে এবং পরবর্তীকালে ক্রমশ অন্যান্য দেশেও এটি গৃহীত হয়।
জুলিয়ান ক্যালেন্ডার অনুসারে একটি মহাবিষুব (পৃথিবী সূর্যকে প্রদক্ষিণ) থেকে আরেকটি মহাবিষুব পর্যন্ত সময়কাল ধরা হয়েছিল ৩৬৫.২৫ দিন, যা প্রকৃত সময়কাল থেকে প্রায় ১১ সেকেন্ড কম। এই ১১ সেকেন্ডের পার্থক্যের ফলে প্রতি ৪০০ বছর পর মূল ঋতু থেকে জুলিয়ান ক্যালেন্ডারে প্রায় তিন দিনের ব্যবধান তৈরি হতো।
পোপ ত্রয়োদশ গ্রেগোরির সময়ে এই ব্যবধান ক্রমশ বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ১০ দিনে। যার ফলে মহাবিষুব ২১ মার্চের পরিবর্তে ১১ মার্চ পড়েছিল। যেহেতু খ্রিস্টীয় উৎসব ইস্টারের দিন নির্ণয়ের সঙ্গে মহাবিষুব জড়িত, সেহেতু মহাবিষুবের সঙ্গে জুলিয়ান ক্যালেন্ডারের এই ব্যবধান রোমান ক্যাথলিক গির্জার কাছে অনভিপ্রেত ছিল। তাই পোপ ত্রয়োদশ গ্রোগোরি এই ক্যালেন্ডার সংস্কার করে নতুন ক্যালেন্ডার চালু করেন। যা অনুসরণ করছে পুরো বিশ্ব।
গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার এর প্রচলন
ক্যাথলিক পোপ গ্রেগরিয়ান কর্তৃক ১৫৮২ খ্রিস্টাব্দে প্রবর্তিত হলেও শুরুতে এ ক্যালেন্ডারেকে মেনে নিতে অনেকের আপত্তি ছিল। বিশেষ করে প্রটেস্টান বা অন্যান্য মতবাদে বিশ্বাসী খ্রিস্টানরা এটাকে ক্যাথলিকদের একটা চক্রান্ত হিসেবেই আশঙ্কা করেছিল। এ কারণেই অনেক দেশে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের প্রবর্তন প্রবল বাঁধার মুখে পড়ে।
স্পেন, পর্তুগাল, লিথুনিয়াম এবং ইতালি একযোগে ১৫৮২ খ্রিস্টাব্দের ৪ অক্টোবরের পরের দিন শুক্র বারকে ১৫ অক্টোবর ধরে প্রথম গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের ব্যবহার শুরু করা হয়। ফ্রান্স ১৫৮২ খ্রিস্টাব্দের ৯ ডিসেম্বরের পরের দিন ২০ ডিসেম্বর, ডাচরা ১৪ ডিসেম্বরের পরের দিন ২৫ ডিসেম্বর ধরে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডাকে স্বাগত জানায়। বেলজিয়াম ১৫৮৩ খ্রিস্টাব্দের ১ জানুয়ারির পরের দিন ১২ জানুয়ারি গণনা শুরু করে। এভাবেই ক্রমান্বয়ে এ ক্যালেন্ডার বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়তে থাকে।
তবে ব্রিটিশরা এ ক্যালেন্ডার গ্রহণ করেছিল ১৭৫২ খ্রিস্টাব্দে এসে। আর সে সময় গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের সাথে পূর্বেকার জুলিয়ান ক্যালেন্ডারের ব্যবধান হয়েগিয়েছিল ১১ দিন। তাই ১৭৫২ খ্রিস্টাব্দের ২ সেপ্টেম্বরের পরের দিন ইংরেজদের গণনা করতে হয়েছিল ১৪ সেপ্টেম্বর। আর ইংরেজরা ভারতীয় উপমহাদেশে এই ক্যালেন্ডার প্রচলন করেছিল বলেই আমরা একে ইংরেজী ক্যালেন্ডার বলতেই অভ্যস্ত হয়ে গেছি।
মাসের সংখ্যা ৩০ বা ৩১ কেন?
আমরা বর্তমানে ৩৬৫ দিনের গ্রেগোরিয়ান ক্যালেন্ডার ব্যবহার করি। এর আগে গ্রিক যুগে ব্যবহার করা হতো জুলিয়ান ক্যালেন্ডার। যে ক্যালেন্ডারে সর্বমোট দিন সংখ্যা ছিল ৩০৪। জুলিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী মার্চ থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মাসের হিসাব করা হতো। তবে, এ ক্যালেন্ডারে ঋতুর হিসাব রাখা ছিল বেশ মুশকিলের কাজ। সমাধান হিসেবে গ্রিক রাজা পম্পিলিয়াস আরো ৬১ দিন বাড়িয়ে ৩৬৫ দিনের বছর করেন এবং বছরের শুরুতে যোগ করেন জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি নামক নতুন দুইটি মাস। জানুয়ারি মাসে ছিল ৩১ দিন আর ফেব্রুয়ারিতে ৩০ দিন ।
কিন্তু, এরপরে শুরু হয় নতুন বিড়ম্বনা। রোমের রাজা জুলিয়াসের সম্মানে “কুইন্টিলিস” মাসের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় “জুলিয়াস”। যার পরবর্তী নাম “জুলাই”। ফেব্রুয়ারি থেকে একদিন কমিয়ে জুলাই মাস কে ৩১ দিনের করা হয়। একইভাবে জুলিয়াসের ভাইয়ের ছেলে “অগাস্টাস” সম্রাট হওয়ার পর তার স্মরণে “সেক্সটিলাস” কে পরিবর্তন করে নতুনভাবে “আগস্ট” হিসাবে নামকরণ করা হয়। ফেব্রুয়ারি থেকে দুইদিন ধার নিয়ে জুলাই ও আগস্ট হয়ে যায় ৩১দিনের মাস এবং ফেব্রুয়ারি ২৮ দিনের মাস হিসাবে গণনা হতে থাকে।
২৯শে ফেব্রুয়ারি অবশ্যই বিশেষ একটি দিন। এই বাড়তি একটি দিন যোগ হওয়া মানে মাসের শেষে বিল পরিশোধ করতে যেমন বাড়তি একদিন সময় পাওয়া যায়, তেমনি অনেকের ক্ষেত্রে বেতন আসার জন্য আরেকটা দিন বেশি অপেক্ষা করতে হয়। আবার যারা এই তারিখে জন্মগ্রহণ করেছেন তারা প্রতি চার বছরে পর পর তাদের প্রকৃত জন্মদিন পালন করতে পারেন।কি অদ্ভুত! তাই না।
জেনে অবাক হবেন যে, ইতিহাসে শুধুমাত্র একবার এমন সময় এসেছিল যখন ক্যালেন্ডারে ৩০শে ফেব্রুয়ারি যোগ করতে হয়েছিল! ১৭১২ সালের ক্যালেন্ডারে ডাবল লিপ ইয়ারের অংশ হিসেবে ৩০শে ফেব্রুয়ারি যুক্ত করেছিল সুইডেন। মজার বিষয় হলো, সেই তারিখে যারা জন্মগ্রহণ করেছিলেন তারা তাদের জীবদ্দশায় কখনই সত্যিকারের জন্মদিন উদযাপন করতে পারেননি!
রেফারেন্স :
- https://www.quora.com/Why-are-July-and-August-months
- https://www.protidinersangbad.com/variety-news/444400
- https://www.sciencebee.com.bd/qna/1139/%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80
- https://m.somewhereinblog.net/mobile/blog/sayedibnrahmat/29514721
- https://www.bhorerkagoj.com/print-edition/2023/09/06/%E0%A6%9C%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%93-%E0%A6%97%E0%A7%8D
- https://ntvbd.com/lifestyle/%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B8-%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A7%A8%E0%A7%AE-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%B9%E0%A7%9F-1192637