Image default
ইতিহাস ১০১

জনপ্রিয় ফাস্ট ফুড- বার্গার এর ইতিহাস

বার্গারের এই জনপ্রিয়তার অন্যতম কারণ ছিল বিভিন্ন শিল্পকারখানায় আমেরিকানদের চাকরি খুঁজতে আসা।

স্ট্রিট ফুড থেকে শুরু করে নামি-দামি রেস্তোরায় বার্গার একটি জনপ্রিয় খাবার। আজকালকার শিশু, তরুণ প্রজন্ম থেকে শুরু করে বয়োজেষ্ঠ্যদের পছন্দের ফাস্টফুড খাবারের তালিকায় রয়েছে বার্গার। বার্গার পছন্দ করেন না হাতেগোনা এমন লোক কমই রয়েছে। কিন্তু কখনো ভেবে দেখেছেন কি এর পেছনে রয়েছে ইতিহাস? শুধু ইতিহাস নয়, রয়েছে বিতর্কিত এক ইতিহাস যা ভোজন রসিকদের অনেকেরই অজানা।

বার্গারের গল্প

বার্গারের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে আছে গুজব। জনপ্রিয় এই গুজব এমনভাবে ছড়িয়েছে, এর ভেতর থেকে সত্য খুঁজে বের করা কঠিন।xa0

গল্পটা এমন, ১৯০০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাভেনের একটি হোটেলে এক ব্যক্তি দুপুরের খাবার খেতে যান। কিন্তু তাঁর হাতে খুব বেশি সময় ছিল না। তিনি এমন কিছু চাইছিলেন, যেন লাঞ্চ নিয়েই বের হয়ে যেতে পারেন। পথে যেতে যেতে লাঞ্চটা সহজেই সেরে ফেলতে পারেন। আর তাই, আউটলেটের মালিক লুই ল্যাসেন দুই টুকরা ব্রেডের মাঝখানে রেস্তোরাঁর স্টেকের একটি প্যাটি দিয়ে নতুন কিছু করে ফেললেন। তিনি মূলত, আগের থাকা খাবার মেনু জোড়াতালি দিয়ে ‘ইম্প্রোভাইজ’ করলেন। এভাবে আবিষ্কার হলো ক্যারিআউট লাঞ্চ; মানুষ পেল চলার পথে দুপুরের খাবার সেরে ফেলার আইডিয়া—বিশ্ব পেল হ্যামবার্গার স্যান্ডউইচ।xa0

১৯০০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে বার্গারের বিজ্ঞাপন

হ্যামবার্গার আবিষ্কারের এ গল্পটি সবখানে ছড়িয়ে আছে। বইপত্রে বা পত্রপত্রিকায় গল্পটি বহুবার লেখা হয়েছে। কিন্তু ওয়াশিংটন পোস্টের একজন লেখক প্রমাণ পেয়েছেন, বার্গার আবিষ্কারের গল্পটি সত্য নয়। যে সময়ের কথা বলা হয়েছে, সে সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের অনেক খাবারের দোকানে হ্যামবার্গার আগে থেকেই বিক্রি হতো।xa0

এর সবচেয়ে বড় প্রমাণ হলো, ১৮৯৪ সালের বসন্তকালে টেক্সাসের শাইনার গেজেটে একটি বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়। যেটি ছিল একটি স্থানীয় সেলুনে পরিবেশিত ‘হ্যামবার্গার স্টেক স্যান্ডউইচ’–এর বিজ্ঞাপন। ওয়াশিংটন পোস্টের লেখক এরিক অফগ্যাগ গভীর অনুসন্ধান করে দেখেছেন, ১৮৯০–এর দশকে যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া, ইলিনয়, আইওয়া, নেব্রাস্কা, নেভাদা, নিউইয়র্ক, ক্যালিফোর্নিয়া এবং হাওয়াইসহ অনেক শহরে হ্যামবার্গারের বিজ্ঞাপনের ছড়াছড়ি ছিল। এ সময়ের এক ডজনেরও বেশি সংবাদপত্রে এর সূত্র পাওয়া গেছে। এভাবেই নিশ্চিত হওয়া যায়, ১৯০০ সালের গল্পটি অসত্য।

হ্যামবার্গার কী

হ্যাম বার্গার

ইংরেজি hamburger; বিফ বার্গার, বার্গার স্যান্ডউইচ, বার্গার বা হ্যামবুর্গ নামেও পরিচিত তথা বার্গার (burger) হচ্ছে একপ্রকার স্যান্ডউইচ সদৃশ খাবার, যা দুই প্রস্থ রুটির মধ্যে রান্না করা কিমা মাংস দিয়ে তৈরি করা হয়। মাংস হিসেবে সাধারণত গরু ব্যবহার করা হলেও শূকর, টার্কি, বা বিভিন্ন রকম মাংসের মিশ্রণ ব্যবহার করা হয়।xa0

বাংলাদেশে বার্গারে মাংস হিসেবে প্রধানত ব্যবহৃত হয় মুরগী ও গরুর মাংস, এছাড়া কিছু কিছু স্থানে খাসী, অর্থাৎ ছাগলের মাংসের চলও দেখা যায়। বার্গারের রুটি বা বান তৈরিতে প্রধানত গমের আটা ব্যবহৃত হয়। এছাড়া রুটি হিসেবে বানের বদলে সাধারণ দু প্রস্থ পাউরুটির ব্যবহারও স্বীকৃত। হ্যামবার্গার তৈরি ও পরিবেশনে প্রায়ই সময়ই যে উপাদানগুলো ব্যবহৃত হয় তা হচ্ছে, লেটুস, টমেটো, পেঁয়াজ, শসা, পনির, এবং সস, যেমন: মাস্টার্ড, মেয়নেজ, এবং টমেটো কেচাপ। এই তিন ধরনের সস এবং অন্যান্য উপকরণ গ্রহণ করা সম্পূর্ণ ক্রেতার ইচ্ছার ওপর নির্ভরশীল।

হ্যামবার্গারের বুৎপত্তি

হ্যামবার্গার” শব্দটি এসেছে জার্মানির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর হ্যামবুর্গ থেকে। হ্যামবুর্গ থেকে এক সময় প্রচুর মানুষ অভিবাসী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমিয়েছিলো। জার্মান ভাষায় “Burg” অর্থ “দূর্গ”, আগে এর দ্বারা শহর বা উপশহর বোঝানো হতো। বুর্গার অর্থ বুর্গ শহর থেকে যিনি এসেছেন, অর্থাৎ লন্ডন থেকে আসা ব্যক্তিকে যেমন লন্ডনার বলা হয়।xa0

জার্মান ভাষায় “হ্যামবার্গার” একটি বর্ণনামূলক বিশেষ্য হিসেবেও ব্যবহৃত হতে পারে, যার অর্থ হ্যামবুর্গ থেকে আগত কোনো বস্তু। একটি বনরুটিকে মাঝ বরাবর ফালি করে তার ভেতর ঢুকিয়ে দেওয়া হয় মাংস এবং সালাদের টুকরো। বর্তমানে বিশ্বের প্রায় সব অঞ্চলেই বার্গারের চেহারাটা এমনই। বলা হয়, প্রথম হ্যামবার্গারটি তৈরি হয়েছিল জার্মানির হ্যামবুর্গ শহরে।xa0

উনবিংশ শতকে বার্গার বানাচ্ছে

ঊনবিংশ শতকে আমেরিকার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে নিয়ে আসা গরুর মাংস দিয়ে তৈরি বার্গার তখন বেশ খ্যাতি পায়। বর্তমান সময়ের মতো সে সময় রেফ্রিজারেটর না থাকায় বার্গার বানানো হতো একদম টাটকা মাংস দিয়ে। পরে মাংস দেওয়া বার্গারের দাম তুলনামূলকভাবে বেড়ে যায় ফলে কম দামি মাংস পরিবেশিত হতে থাকে। তখনকার সময়ে হ্যামবার্গার বলতে বোঝাত কেবল ফালি ফালি করে কাটা মাংসের টুকরোকে। একে বলা হতো স্টেক। এর সঙ্গে বনরুটি যোগ হয় আরও পরে।

ঊনবিংশ শতকেই জার্মান অভিবাসীরা যখন দলে দলে আমেরিকায় আসা শুরু করেন, তখন জীবিকা নির্বাহের জন্য তারা শিকাগো আর নিউ ইয়র্কের মতো বড় শহরগুলোতে রেস্তোরাঁ খোলেন। হ্যামবার্গার স্টেককে আমেরিকান কায়দায় মাংসকে কুচি কুচি করে রসুন, পেঁয়াজ, লবণ, গোলমরিচ দিয়ে মাখিয়ে তৈরি ও পরিবেশন করতে জার্মানদের খুব বেশি সময় লাগেনি।

আমেরিকায় বার্গারের উৎপত্তি

পরিসংখান অনুযায়ী আমেরিকানরা অন্য যেকোনো খাবারের চেয়ে হ্যামবার্গার বেশি পছন্দ করে, প্রতি বছর তারা ৫০ বিলিয়ন বার্গার খায়।

১৮৩৭ সালে, নিউ ইয়র্কের ডেলমনিকো রেস্তোরাঁ সর্বপ্রথম তাদের মেন্যু তালিকায় হ্যামবার্গ স্টেক যোগ করে। ১০ সেন্ট মূল্যের সেই খাবার আইটেমের সে সময়ের প্রেক্ষাপটে ছিল অনেক দামি। শূকরের মাংস কুচি, বাছুরের মাংসের কাটলেট আর গরুর মাংসের রোস্টের তুলানায় এর দাম ছিল প্রায় দ্বিগুণ। ১৮৭৬ সালে ফিলাডেলফিয়ার একটি রেস্তোরাঁয় হাজারেরও বেশি ক্রেতাকে হ্যামবার্গার স্টেক পরিবেশন করা হয়েছিল। পরে আমেরিকায় এই খাবারের চাহিদা এত বেড়ে যায় যে, জার্মান অভিবাসী ছাড়াও বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় এটি পাওয়া যেত।

স্যান্ডউইচ বার্গার

হ্যামবার্গ স্টেক বা হ্যামবার্গার এই দুইয়ের মাঝে প্রধান তফাৎ হলো আজকের দুই টুকরো বনরুটি। দুই টুকরো রুটির সঙ্গে হ্যামবার্গ স্টেকের পরিবেশন ঊনবিংশ শতকের মধ্যভাগে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। আর এই জনপ্রিয়তার অন্যতম কারণ ছিল বিভিন্ন শিল্পকারখানায় আমেরিকানদের চাকরি খুঁজতে আসা। অবাক লাগছে শুনে? ভাবছেন কাজ খুঁজতে আসার সঙ্গে বার্গারের কী সম্পর্ক? তবে চলুন গল্পটা জেনে নিই।

সে সময় আমেরিকায় চালু ছিল বেশ কিছু বাষ্পচালিত কারখানা। এসব কারখানায় অনেকেই রাতের শিফটে কাজ করতেন। রাতের বেলা কাজ করলেও ক্ষুধার তো আর দিনরাত নেই! পরিশ্রম করলে ক্ষুধা পাবেই। আর সে সময় দিনের মতো এত সুযোগ-সুবিধা না থাকায় রাতের খাবার নিয়ে কিছুটা কষ্টই পেতে হতো কারখানায় কর্মরত শ্রমিকদের। তাদের খাবারের জন্য রাতের বেলায়ই কারখানার বাইরে কয়েকটি ফুড কার্ট বসত। তারা শ্রমিকদের হালকা খাবার আর কফি দিত। ক্ষুধার্ত শ্রমিকরা সে খাবারটুকুই জানালার বাইরে দাঁড়িয়ে নিতেন এবং খাবার শেষে দ্রুত কাজের জায়গায় চলে যেতেন।

কয়েক বছর পর যখন ফুড কার্টে গ্যাস চলে এলো তখন তারা তাদের মেন্যুতে হ্যামবার্গ স্টেক যুক্ত করে দিল। ক্ষুধার্ত শ্রমিকদের নতুন সেই খাবারটি দারুণ লাগলেও মাংসের তৈরি বলে সেই জায়গায় দাঁড়িয়েই হ্যামবার্গ স্টেক শেষ করা যাচ্ছিল না। ফলাফল, কাজে ফিরতে দেরি। এই সমস্যার উত্তরণ হয়েছিল এই স্টেকের সঙ্গে শুধু দুই টুকরো রুটি জুড়ে দেওয়াতে। আর ঠিক এভাবেই জন্ম হয় আজকের দারুণ সুস্বাদু স্যান্ডউইচ বার্গারের।

সর্বপ্রথম কে স্টেকের সঙ্গে রুটি পরিবেশন করেছিলেন সেই তথ্য ইতিহাসের কোনো এক কোনায় হারিয়ে গেছে। তবে যিনিই এর উদ্ভাবক তাকে বাহবা দিতেই হয়। কারণ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আজ আমেরিকায় শুধু নয়, পুরো বিশ্বেই এটি বেশ জনপ্রিয় একটি খাবার।

বিশ্বখ্যাত কয়েকটি বার্গার শপ এবং বার্গারের রকমভেদ

ম্যাকডোনাল্ড’স

ম্যাকডোনাল্ড’স বিশ্বের সর্ববৃহৎ হ্যামবার্গার ফাস্টফুডের রেস্তোরাঁ। এর পুরো নাম ম্যাকডোনাল্ড’স কর্পোরেশন। ম্যাকডোনাল্ড’স প্রধানত হ্যামবার্গার, চিজবার্গার, চিকেন, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, সকালের নাস্তা সামগ্রী, কোমল পানীয়, মিল্কশেক বিক্রি করে থাকে।

এখন পর্যন্ত এই কোম্পানি ৩০০ বিলিয়নেরও বেশি বার্গার বিক্রির রেকর্ড রয়েছে। সংস্থাটি প্রতি সেকেন্ডে ৭৫টিরও বেশি বার্গার বিক্রি করে।

ম্যাকডোনাল্ড’স রেস্তোরাঁ

হেসবার্গার

হেসবার্গার ফিনল্যান্ডের তুর্কু শহর ভিত্তিক একটি ফাস্ট ফুড চেইন হলেও পুরো ইউরোপ জুড়ে তাদের সুখ্যাতি রয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারেও হেসবার্গারের রয়েছে সুখ্যাতি। হ্যামবার্গার, চিজ বার্গার, সালাদ, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, মিল্ক শেকের জন্য মূলত হেসবার্গারের সুখ্যাতি রয়েছে। এছাড়া, একটু সচেতন মানুষদের জন্য ভেজিটেবল বার্গারও আছে তাদের তালিকায়।

বার্গার কিং

বার্গার কিং একটি আমেরিকান ফাস্টফুড রেস্তোরাঁ। যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও সারা বিশ্বে এর ৬১টি দেশে এর ১২ হাজারেরও বেশি শাখা রয়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশেও চালু হয়েছে বার্গার কিং রেস্তোরাঁ। বার্গার কিং শুরু হয় ১৯৫৩ সালে। এটি বার্গার, ফ্রাই, সোডা ও মিল্কশেক বিক্রি করে থাকে।

বার্গার কিং রেস্তোরাঁ

বার্গার কেন এত জনপ্রিয়?

বেশ বড় হা করে খেতে হলেও বার্গার বেশ জনপ্রিয়। কারণ-

১। বার্গারের সাইজ এমন যা একটি খেলেই ফুল মিল হয়ে যায়ে। তাই সবাই সকালের নাস্তা, দুপুর কিংবা রাতের খাবারে বার্গার খায়। দামও যুক্তিসংগত বটে।

২। বার্গার খুব সহজ লভ্য। আজকাল ফুড ডেলিভারি ব্যবস্থা থাকায় যেকোন সময় ঘরে বসেই নামি দামি রেস্তোরা থেকে বার্গার খাওয়া যায়।

৩। বার্গার খুব মজার খাবার।

বার্গার খাওয়ার সহজ উপায়

অনেকেই রেস্তোরায় বসে বার্গার খেতে চায় না কারণ, হাতে মুখে মেখে যায়। তাই রয়েছে কিছু সহজ পদ্ধতি-

১। বার্গার অর্ধেক করে নিন

২। বার্গারটিকে উলটে ফেলুন। কারণ, নিচের দিকে থাকা সস উলটে ফেললে হাতে লাগার সম্ভাবনা কম থাকে।

৩। বার্গার খেতে ছুরির ব্যবহার করুন। বার্গারটিকে কেটে ফেলুন তারপর ফয়েল কাগজে রেখে খান এতে হাতে বা মুখে মাখবে না।

৪। টিস্যু রাখুন

আন্তর্জাতিক বার্গার দিবস

প্রতিবছর ২৮ মে আন্তর্জাতিক বার্গার দিবস পালিত হয়। আপনি জেনে হয়তো অবাক হবেন, হ্যামবার্গার আমেরিকান ফাস্ট ফুডের একটি প্রতীক। তবে এর উৎপত্তিস্থল কোথায় সেই তথ্য অস্পষ্ট।

এছাড়াও, ১৮ সেপ্টেম্বর রয়েছে চিজ বার্গার ডে।

গিনেস বুকে রেকর্ড করা বার্গার

২০২১ সালে নেদারল্যান্ডসের ভুরথুইজেন থেকে রবার্ট ভ্যান ডি জিন তৈরি করেছেন একটি নিখুঁত বার্গার, যা গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ডে সবচেয়ে দামি বার্গারের খেতাব অর্জন করেছে।

বার্গারটির দাম ৫০০০ ইউরো, যার বাংলাদেশি মূল্য ৪ লাখ ৮৩ হাজার ৭৭০ টাকা। শুনে অনেকেরই চোখ কপালে ওঠার কথা। কিন্তু এই বহুমূল্য বার্গারটি স্বাদে ভিন্ন ও নিখুঁত। এই হাম বার্গারের বানটি ভোজ্য সোনার পাতায় আবৃত ছিল। বার্গারটিতে জাপানি ওয়াগিউ গরুর মাংস, আলাস্কা কিং ক্র্যাব, হোয়াইট ট্রাফল এবং বেলুগা ক্যাভিয়ারসহ উচ্চমানের উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে।

পৃথিবীর সবচেয়ে দামি বার্গার

সবচেয়ে দামি বার্গার

পৃথিবীর সবচেয়ে দামি বার্গারটির দাম ২২ লাখ টাকা! হ্যাঁ ঠিকই পড়ছেন। আমেরিকার একটি বেসবল দলের পক্ষ থেকে বের করা এই বার্গারের মূল্য ২৫ হাজার মার্কিন ডলার। যা বাংলাদেশি মূল্যে প্রায় ২২ লাখ টাকা।

বেসবল আমেরিকায় অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি খেলা আর এই খেলার বেশ পরিচিত এক দল আটলান্টা ব্রেভস। সম্প্রতি ‘ওয়ার্ল্ড সিরিজ চ্যাম্পিয়নশিপ’ প্রতিযোগিতা উপলক্ষে তারা ভক্তদের জন্য এই বিশেষ বার্গারটি বানিয়েছে।xa0

আর এর নাম রাখা হয়েছে ‘ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়ন বার্গার’। দলের স্মারক হিসেবে একটি ওয়ার্ল্ড সিরিজ নামাঙ্কিত আংটি ও এই বার্গারটি একসঙ্গে বিক্রি করা হচ্ছে ২৫ হাজার ডলারে, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ২২ লাখ টাকা।

সোর্স

Related posts

বিশ্বের প্রথম ২৪ ঘণ্টার নিউজ চ্যানেল: সিএনএন-এর ইতিহাস

যেভাবে জন্ম নিল নন্টে ফন্টে: নারায়ণ দেবনাথের কালজয়ী সৃষ্টি

ছাত্র লীগের ইতিহাস: ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধ, এবং ২০২৫ সালের বিতর্কিত বাস্তবতা

আশা রহমান

Leave a Comment

Table of Contents

    This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More