“মিশরীয়দের বিরুদ্ধে পারসu200c্য সেনাবাহিনী যুদ্ধক্ষেত্রে বিড়াল প্রতিমার ছবি ব্যবহার করে এবং যুদ্ধক্ষেত্রে বিড়াল ছেড়ে দিয়ে যুদ্ধ জয় করে। এটি ছিলো ইতিহাসের অন্যতম সহজ যুদ্ধ জয়।”xa0
কী মনে হয়, সবচেয়ে সহজভাবে যুদ্ধ কেমন করে জয় করা যায়? বিড়ালকে ব্যবহার করে যুদ্ধ জয় করার কথা কখনো ভেবেছেন? হ্যাঁ। শুধুমাত্র শত্রুপক্ষের সাংস্কৃতিক বিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে ৫২৫ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে বিড়ালের প্রতিমা ব্যবহার করে— এমনকি যুদ্ধক্ষেত্রে বিড়াল ছেড়ে দিয়ে মিশরের বিরুদ্ধে পারসu200c্য বাহিনী যুদ্ধ জিতে যায়। কেননা প্রাচীন মিশরে বিড়াল পূজা করার প্রচলন বেশ জনপ্রিয় ছিলো এবং সেখানে বিড়ালকে হত্যার শাস্তি ছিলো মৃত্যুদণ্ড।xa0
যুদ্ধে বিড়ালের ব্যবহার করার প্রথম দৃষ্টান্তগুলির মধ্যে একটি হলো পেলুসিয়ামের যুদ্ধে বিড়ালের ব্যবহার। বিড়ালের প্রতি প্রাচীন মিশরীয়দের ভালবাসা এতটাই সুপরিচিত ছিল যে, পারস্যের রাজা দ্বিতীয় ক্যাম্বিসেস তার শত্রুর বিরুদ্ধে জিততে তাদেরই বিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে ছিলেন।xa0

প্রাচীন মিশরের যুদ্ধে বিড়াল
মিশরের বিড়ালের দেবীর নাম ছিলো “বাস্টেট”। বাস্টেটকে প্রেম, উর্বরতা, সঙ্গীত, গৃহস্থালির সুরক্ষা এবং নারীর গোপন শক্তির দেবী হিসাবে পূজা করা হতো। আর পার্সিয়ানরা দেবী বাস্টেটকে নিপুণভাবে ব্যবহার করেছিলেন যুদ্ধ ক্ষেত্রে।xa0
পেলুসিয়ামের যুদ্ধে ,পার্শিয়ানরা বাস্টেটের ছবি তাদের ঢালে আঁকেন এবং যুদ্ধক্ষেত্রে বিড়াল ছেড়ে দেন। যেহেতু মিশরীয়রা আইনত বিড়ালদের আঘাত বা হত্যা করতে এবং তাদের দেবতাকেও তারা আক্রমণ করতে পারতো না, তাই তারা শেষ পর্যন্ত আত্মসমর্পণ করে। এই ঘটনাকে পৃথিবীর অন্যতম সহজ যুদ্ধ জয় মনে করা হয়।xa0
অবাক করার মতো বিষয় হলো, মিশরে মানুষের মমির সাথে সাথে বিজ্ঞানীরা তিন লক্ষেরও বেশি বিড়ালের মমি আবিষ্কার করেছেন। এখান থেকেই মিশরীয়দের সাথে বিড়ালদের সম্পর্ক কতটা গভীর ছিলো তার আঁচ পাওয়া যায়।xa0xa0
নৌযুদ্ধে বিড়ালxa0
নৌযুদ্ধে বা নৌবাহিনীতে বিড়ালের সম্পৃক্ততার ইতিহাস বেশ মজার। কেননা, এখানে বিড়াল কখনো ইঁদুর থেকে খাবার রক্ষা করতে, কখনো কোন দ্বীপের বা ভ্রমণের মাসকট হিসেবে, কখনো বা আবহাওয়া পর্যবেক্ষণের ব্যারোমিটার কাজ করেছে। এমনকি একটা সময় ছিলো যখন বিড়ালকে “শুভ লক্ষণ “ হিসেবে মনে করা হতো এবং নাবিকরা যাত্রা শুরুর সময় সাগ্রহে নিজেদের সাথে বিড়াল রাখতেন।

নৌযুদ্ধে বিড়াল যেভাবে নাবিকদের সাহায্য করতো
বিড়াল এবং যুদ্ধ, এদের সম্পর্ক বুঝতে হলে, আমাদের নৌবাহিনীতে বিড়ালের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার গল্প শুনতে হবে।xa0
ইঁদুর ও পোকামাকড় দমন
ফিউমিগেশন, পেস্ট কন্ট্রোল বা কীটনাশক এবং কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়া উন্নত হওয়ার আগে জাহাজে ইঁদুর ও অন্যান্য পোকামাকড় ছিলো একটি মারাত্মক সমস্যা। এই সব ইঁদুর ও পোকামাকড় খাবার নষ্ট করে দিতো, দড়ি বা অন্যান্য সরঞ্জাম কেটে ফেলতো এবং এদের থেকে বিভিন্ন রকম রোগ ছড়াতো। আর এই খাবার নষ্ট থেকে শুরু করে দড়ি ছিঁড়ে যাওয়ার মত অনেক বড় বড় সমস্যার সমাধান ছিলো নাবিকদের সাথে থাকা বিড়াল। এ সময় নৌবাহিনীর বিড়ালগুলো তাদের তীক্ষ্ণ শিকারি ক্ষমতা দিয়ে ইঁদুর শিকার করতো।xa0
মনোবল বাড়ানো
শুধু খাবার রক্ষাই নয়, দীর্ঘ সমুদ্রযাত্রায় ও যুদ্ধে নাবিকরা প্রায়ই মানসিক চাপ, একাকীত্ব এবং ক্লান্তিতে ভুগতো। তখন বিড়াল হয়ে উঠতো তাদের “furry friend”। এদের সাথে খেলা আর সময় কাটানোর মাধ্যমেই যেন নাবিকরা জীবনের হারিয়ে যাওয়া আনন্দ খুঁজে পেত।xa0

আশার প্রতীক বিড়াল
প্রাচীন মিশরীয় যুগ থেকেই বিড়ালদের নৌবাহিনীতে শুভ লক্ষণ হিসেবে ধরা শুরু হয়। মিশরীয় বণিকরা বিড়ালদের সাথে সমুদ্রযাত্রা করতো, কারণ তারা বিশ্বাস করতো বিড়াল সৌভাগ্য ও সুরক্ষা আনতে পারে। বিড়াল থাকলে জাহাজ ঝড়-বিপদ থেকে মুক্ত থাকবে।
ইউরোপে এই ধারণা বিশেষভাবে জনপ্রিয়তা পায় মধ্যযুগের শেষভাগ এবং প্রারম্ভিক আধুনিক যুগে (১৫শ-১৭শ শতাব্দী)। এই সময় ইউরোপে বিড়াল নিয়ে নানা কুসংস্কার চালু হলেও নৌবাহিনীতে বিড়ালের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য বিড়ালদের সম্মান করা হতো। তাদেরকে বিভিন্ন সামরিক পদবীও দেওয়া হতো।

আবহাওয়া সম্পর্কে পূর্বাভাস: বিড়াল ব্যারোমিটারxa0
এক সময় নাবিকদের মধ্যে এক ধরনের বিশ্বাস ছিল যে, বিড়ালেরxa0 আচরণ থেকে ঝড় বা খারাপ আবহাওয়ার পূর্বাভাস পাওয়া যায়। যেমন বিড়াল লেজ খাড়া করে বিশেষভাবে নাড়াতে নাড়াতে হাটলে তারা ভাবতো বিড়ালরা রেগে আছে এবং এই রাগ প্রকাশ করতেই ভয়ংকর ঝড় তাদের আঘাত করবে।xa0
কিন্তু পরে তারা বুঝতে পারে যে বাতাসে হঠাৎ নিম্ন চাপ সৃষ্টি হলে বিড়ালরা এমন আচরণ করতো। এই আচরণের মাধ্যমে আসলে বিড়ালরা বোঝাতে চাইতো যে, জাহাজটি প্রতিকূল আবহাওয়ার দিকে যাচ্ছে। এরপর থেকেই নৌবাহিনী বিড়ালের বিভিন্ন আচরণ পর্যবেক্ষণ করা শুরু করে এবং নির্দিষ্ট কিছু আচরণকে তারা আবহাওয়ার পূর্বাভাস হিসেবে গ্রহণ করতে থাকে। এসময় থেকেই মনে হতো যেন বিড়ালরা একেকটা ব্যারোমিটার।xa0
মাসকট এবং ইনসিগনিয়া হিসেবে বিড়ালxa0
নৌবাহিনীতে বিড়ালকে মাসকট এবং ইন্সিগনিয়া হিসেবে ব্যবহার করার ঐতিহ্য দীর্ঘদিনের। বিশেষ করে মার্কিন বিমান বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের প্রতীক হিসেবে কাঁধে, বিমানের গায়ে বা অনu200c্যত্র বিড়ালের প্রতীক বu200c্যবহার করার বেশ কিছু দৃষ্টান্ত পাওয়া যায়।

বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিতে বিড়ালদের “ইউনিট মাসকট” হিসেবে গ্রহণ করা হয়। এমন কিছু দৃষ্টান্ত হলো-
|
বিড়ালের নাম |
বিবরণ |
| চিং | একটি অস্ট্রেলিয়ান বিড়াল, যা HMAS Swan নামের রয়্যাল অস্ট্রেলিয়ান নেভি ডেস্ট্রয়ার জাহাজে নাবিকদের সাথে পাঞ্জা মিলিয়ে বন্ধুত্ব দেখিয়েছিল। |
| ট্যাবি | একটি কানাডিয়ান সৈন্যদলের মাসকট। |
| টোগো | যুদ্ধজাহাজ HMS Dreadnought-এর মাসকট। |
| স্পার্ক প্লাগ | প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় দ্বিপাক্ষিক বিমানের পাইলটদের মাসকট। |
| ব্ল্যাকি | ব্রিটিশ রয়্যাল নেভির এইচএমএস প্রিন্স অফ ওয়েলস-এর মাসকট। |
| হুইস্কি এবং সোডা | দুটি সিংহ শাবক, যা ফরাসি ফ্লাইং ইউনিট লাফায়েত এসকাড্রিল-এর মাসকট ছিল। |
| বিলজওয়াটার | ইউএস কোস্ট গার্ড-এর মাসকট। |
| পিঞ্চার | এইচএমএস ভিনডেক্স-এর মাসকট। |
| ইয়ার্ডবার্ড | ব্ল্যাক ক্যাট স্কোয়াড্রনের কালো বিড়াল মাসকট। |
| এয়ারক্রু | ক্রেসি রয়্যাল অস্ট্রেলিয়ান এয়ার ফোর্স ফ্লাইং স্কুল-এর মাসকট। |
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বিভিন্ন বিমানের স্কোয়াড্রন এবং ইউনিট তাদের প্রতীক হিসেবে টাইগার ক্যাটস (Tiger Cats) ব্যবহার করত, যা ছিলো সাহসিকতা এবং তীক্ষ্ণতার প্রতীক। এমনকি রণতরীতেও বিড়ালের মাসকট ব্যবহার হয়েছে। বিশেষত ব্ল্যাক ক্যাট স্কোয়াড্রন ( Black Cat Squadron) বিড়ালের ছবি তাদের প্রতীক হিসেবে গ্রহণ করে।xa0
এ সময়ে অনেক যুদ্ধজাহাজইxa0 বিড়ালকে মাসকট হিসেবে রাখত। তাদের কাছে বিড়াল ছিলো ধূর্ততা, তীক্ষ্ণতা এবং সৌভাগ্যের প্রতীক।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে দুঃসাহসিক বিড়াল সাইমন
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বিড়ালের অংশগ্রহণের গল্পগুলো বেশ অসাধারণ ও হৃদয়স্পর্শী। যদিও বিড়াল সরাসরি যুদ্ধ করতো না, কিন্ত, ইদুর-পোকামাকড় থেকে খাবার-কাঁচামাল বাঁচানোর পাশাপাশি সব ক্ষেত্রের যোদ্ধাদেরই কর্মজীবনে মানসিক প্রশান্তির উৎস হয়ে উঠেছিলো তারা।
সাইমন (Simon) এমনই একটি HMS Amethyst নামের ব্রিটিশ রণতরীর একটি বিড়াল যে,xa0 ইঁদুর মারতে বিশেষ পারদর্শী ছিল এবং নাবিকদের খাবার মজুদ রক্ষা করত। সাইমন একবার আর্টিলারি হামলায় আহত হয়েছিল, কিন্তু আহত অবস্থাতেও সে তার কাজ চালিয়ে যায়।
সাইমন ছিল একমাত্র বিড়াল, যাকে PDSA Dickin Medal দেওয়া হয়, যা পশুদের জন্য বীরত্বের সর্বোচ্চ পুরস্কার। কেননা এই সময় বিড়ালদের কাজের জন্য তাদের সম্মাননা দেয়া হতো এবং তাদের খাদ্যের জন্যও আলাদা অর্থায়নের ব্যবস্থা ছিলো।xa0

কিংবদন্তি আনসিংকেবল স্যাম (Unsinkable Sam)xa0xa0
বিড়াল স্যাম—তিনবার জাহাজডুবির মুখোমুখি হয়েও অক্ষত ছিলো। তাই তার নাম দেওয়া হয়েছেxa0 “Unsinkable Sam”। প্রথমে, স্যাম ছিল জার্মান যুদ্ধজাহাজ বিসমার্ক এর কোনো এক নাবিকের বিড়াল। ১৯৪১ সালের মে মাসে বিসমার্ক যখন ব্রিটিশ নৌবাহিনীর আক্রমণে ডুবে যায়, তখন জাহাজে থাকা ২,২০০ ক্রু সদস্যের মধ্যে মাত্র ১১৫ জন বেঁচে যায়। বিসমার্ক ডুবে যাওয়ার পর স্যামকে একটি ভাসমান কাঠের টুকরোর উপর জীবিত পাওয়া যায়। ব্রিটিশ ডেস্ট্রয়ার এইচএমএস কসাক তাকে উদ্ধার করে।

কসাক তার নাম দেয় “অসকার”। কিছুদিন পর, কসাকও জার্মানদের টর্পেডো হামলায় ডুবে যায়। কিন্তু আবারও বেঁচে যায় স্যাম। এরপর তাকে ব্রিটিশ বিমানবাহী রণতরী এইচএমএস আর্ক রয়্যাল-এ নেওয়া হয়।
দুঃখজনকভাবে, আর্ক রয়্যালও একই বছরের নভেম্বরে ডুবে যায়। কিন্তু আনসিংকেবল স্যাম আবারও বেঁচে যায়। তাকে একটি প্ল্যাঙ্কের উপর ভেসে থাকতে দেখা যায়। এরপর স্যামকে স্থলভাগে নিয়ে যাওয়া হয়, এবং যুদ্ধ শেষ হওয়া পর্যন্ত সে সেখানেই থাকে।
অস্কারের এতবার বেঁচে যাওয়ার জন্যই তাকে আনসিংকেবল স্যাম বলা হয়। এই গল্পটি শুধু একটি বিড়ালের জীবনযুদ্ধের গল্প নয়; এটি নাবিকদের বেঁচে থাকার লড়াইয়ের এক অবিশ্বাস্য প্রতীক হয়ে উঠে সে সময়।
বিড়ালকে যুদ্ধাস্ত্র হিসেবে ব্যবহারxa0
বিড়ালদের এই শুভ সময়ের ইতি ঘটে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে যখন জাহাজে খাদ্য-পন্য পোকামাকড় থেকে বাঁচিয়ে রাখতে ফিউমিগেশন এবং পেস্ট কন্ট্রোলের ব্যবহার শুরু হয়। যুদ্ধক্ষেত্রে বিড়াল তাদের কাজ হারায়। এক সময় বিড়াল নিয়ে ভ্রমণ করাকে বোঝা হিসেবে দেখা শুরু হয়।
আরো দুঃখের বিষয়, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বিড়ালকে বোমা হিসেবেও বu200c্যবহার করার পরীক্ষা ও চেষ্টা করা হয়েছে। সৌভাগu200c্যের কথা হলো, খুব একটা সফল না হওয়াতে এই চেষ্টা পরিতu200c্যক্ত হয়।
যুদ্ধক্ষেত্রের ফ্রন্টলাইনে বিড়ালের পক্ষ-বদলের একটি গল্প
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শেষের দিকে ১৯১৮ সালে গিম্পি টাইম্u200cসে প্রকাশিত একটি ঘটনা ব্রিটিশ সেনাদের অনুপ্রাণিত করেছিল।
যুদ্ধের ফ্রন্টলাইনের গল্প। সীমান্তরক্ষী প্রহরীরা হঠাৎ দেখে তাদের সামনের জার্মান পরিখা থেকে খুব শান্তভাবে তাদের পরিখার দিকে একটি বিড়াল এগিয়ে আসছে। বিড়ালটি এরপর অফিসারদের দিকে তাকায় যারা এই ঘটনা পরিদর্শন করছিল। তারপরে বিড়ালটি আবার জার্মান সারিতে ফিরে যায়।xa0
ইংরেজরা ধরে নিয়েছিল যে, বিড়ালটির দেখা তারা আর পাবে না। কিন্তু, তাদেরকে বিস্মিত করে সে তার মুখে একটি বিড়ালছানা নিয়ে আবার হাজির হয়, সেনাদের পাশ কাটিয়ে পিছনের তুলনামূলক নিরাপদ ব্রিটিশ সেনাদের লুকানোর একটি গর্তে সে তার ছানাটিকে রাখে। এরপর সে জার্মান পরিখায় ফিরে যায় এবং একে একে দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিড়ালছানা নিয়ে আসে। এভাবে সেটি জার্মান এলাকা থেকে ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রিত এলাকায় এসে আশ্রয় নেয়।
যুদ্ধে হোক বা এখন আপনার সাথে আপনার বাসায় হোক, বিড়াল সবসময়ই এমন এক সঙ্গী যাকে আপনি এড়িয়ে যেতে পারবেন না। আজ হয়তো অনেকেইxa0 বিড়াল এবং যুদ্ধ জাহাজের ঐতিহাসিক সম্পর্ক জানেন না, কিন্তু, বিড়াল যেন তাদের সেই মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান এর কথা ভুলেনি। তাদের মাঝে সেই রেশ আপনি এখনো দেখতে পাবেন।

