Image default
ক্রীড়াবিদজীবনীফুটবল

উসমান দেম্বেলে: দুই পায়ের খ্যাপাটে জাদুকর

বার্সার সতীর্থরা ভাবল দেম্বেলে বুঝি আজকেও প্র্যাকটিসে লেট করার বাহানা খুঁজছে, অথচ ছেলে ওদিকে চুপিচুপি গিয়ে ‘কবুল’ বলে নিজের ক্যারিয়ারেরই ফিজিওথেরাপি করে ফেলেছে! 

রাত জেগে ভিডিও গেম খেলে অনুশীলনে লেট করা, আবার মাঠে নেমে চোখের পলকে প্রতিপক্ষের ডিফেন্স চুরমার করে দেওয়া ফুটবল বিশ্বে উসমান দেম্বেলের চেয়ে আনপ্রেডিক্টেবল ক্যারেক্টার আর একটিও নেই! সতীর্থদের না জানিয়ে চুপিচুপি বিয়ে করা থেকে শুরু করে দুই পায়ে সমান জাদুকরী ড্রিবলিং, এই ফরাসি তারকার লাইফস্টাইল সবসময়ই জমজমাট।

উসমান দেম্বেলের ব্যক্তিগত তথ্য:

নাম

মাসুর উসমান দেম্বেলে

জন্ম

১৫ মে ১৯৯৭ (বয়স ২৯)

জন্মস্থান

ভার্নন, ইউর , ফ্রান্স

উচ্চতা

১.৭৮ মিটার (৫ ফুট ১০ ইঞ্চি)

পজিশন

ফরোয়ার্ড / রাইট উইংগার

ক্লাব ক্যারিয়ার

রেনেস,বরুসিয়া ডর্টমুন্ড,বার্সেলোনা এবং বর্তমানে প্যারিস সেন্ট-জার্মেইন ক্লাবের হয়ে খেলছেন।

আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার

২০১৬– ফ্রান্স

উসমান দেম্বেলে খ্যাপাটে জাদুকর– Image Source: cdn.britannica.com

১৯৯৭ সালের ১৫ মে ফ্রান্সের নরম্যান্ডির ভের্নন নামক একটি ছোট শহরে জন্মগ্রহণ করেন উসমান দেম্বেলে। তাঁর মা ওসমানে সিউ ছিলেন মৌরিতানিয়ান এবং সেনেগালিজ বংশোদ্ভূত, আর বাবা মালির নাগরিক। ফ্রান্সের আর দশটা আফ্রিকান অভিবাসী পরিবারের মতোই দেম্বেলের শৈশব কেটেছে চরম অভাব আর স্ট্রাগলের মধ্য দিয়ে। তবে ফুটবলই ছিল তাঁর জীবনের একমাত্র ধ্যানজ্ঞান। রাস্তাঘাটে প্লাস্টিকের বল কিংবা ছেঁড়া জুতো নিয়েই সারাদিন কাটাতেন ছোট দেম্বেলে।

মাত্র সাত বছর বয়সে তিনি স্থানীয় ক্লাব আল এভরেক্স-এ যোগ দেন। সেখানে তাঁর অবিশ্বাস্য গতি এবং দুই পায়েই বল নিয়ন্ত্রণের সহজাত ক্ষমতা দেখে স্কাউটরা চমকে যান। ২০১০ সালে, মাত্র ১৩ বছর বয়সে দেম্বেলে ফ্রান্সের ঐতিহ্যবাহী ক্লাব রেনের যুব একাডেমিতে যোগ দেন। 

২০১৫ সালের নভেম্বরে মাত্র ১৮ বছর বয়সে রেনের মূল দলের হয়ে লিগ ওয়ানে তাঁর অভিষেক ঘটে। সেই সিজনে ২৬ ম্যাচে ১২টি গোল এবং ৫টি অ্যাসিস্ট করে তিনি পুরো ইউরোপের বড় বড় ক্লাবগুলোর নজর কাড়েন। বিশেষ করে ন্যান্টেসের বিপক্ষে প্রথমার্ধেই তাঁর করা দুর্দান্ত হ্যাটট্রিকটি ফরাসি ফুটবলে এক নতুন তারকার আগমনী বার্তা জানান দিচ্ছিল।

২০১৬ সালের মে মাসে প্রায় ১৫ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে জার্মানির ক্লাব বরুশিয়া ডর্টমুন্ডে যোগ দেন উসমান দেম্বেলে। বুন্দেসলিগার এই ক্লাবটি তরুণ প্রতিভাদের বিকাশের জন্য বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত, এবং দেম্বেলের জন্য এটি ছিল এক পারফেক্ট মঞ্চ।

উসমান দেম্বেলে– Image Source: sport.news.am

ডর্টমুন্ডের হলুদ জার্সিতে দেম্বেলে যা করেছিলেন, তা এক কথায় ছিল অবিশ্বাস্য। তৎকালীন কোচ টমাস টুখেলের অধীনে দেম্বেলে তাঁর ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা ফুটবল খেলেন। ডান উইং কিংবা বাম উইং যেকোনো প্রান্তে বল পেলেই তিনি প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের খেলনা বানিয়ে ছেড়ে দিতেন। 

২০১৬-১৭ সিজনে তিনি সব ধরনের প্রতিযোগিতায় ১০টি গোল এবং রেকর্ড ২১টি অ্যাসিস্ট করেন। ডর্টমুন্ডকে ডিএফবি-পোকাল জেতাতে ফাইনালে ফ্রাঙ্কফুর্টের বিপক্ষে প্রথম গোলটি করেছিলেন দেম্বেলেই। সিজন শেষে তিনি বুন্দেসলিগার ‘রুকি অফ দ্য সিজন’ এবং ‘টিম অফ দ্য সিজন’-এ জায়গা করে নেন। মাত্র এক সিজনেই দেম্বেলে প্রমাণ করেন যে, তিনি কেবল একজন সম্ভাবনাময় তরুণ নন, তিনি বিশ্ব ফুটবলের পরবর্তী সুপারস্টার।

২০১৭ সালের গ্রীষ্মকালীন দলবদল উইন্ডোটি ছিল ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে নাটকীয় সময়। নেইমার জুনিয়র যখন রেকর্ড ২২২ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে বার্সেলোনা ছেড়ে পিএসজিতে যোগ দিলেন, তখন বার্সার দরকার ছিল একজন উপযুক্ত প্রতিস্থাপন। ন্যু ক্যাম্পের কর্তারা ডর্টমুন্ডের ২০ বছর বয়সী তরুণ দেম্বেলেকে টার্গেট করেন। ডর্টমুন্ড সহজে ছাড়তে না চাইলে দেম্বেলে অনুশীলনে আসা বন্ধ করে দেন এবং ক্লাবের সাথে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। অবশেষে ১০৫ মিলিয়ন ইউরো রেকর্ড ফি-র বিনিময়ে দেম্বেলে বার্সেলোনায় যোগ দেন।

পিএসজি-র জার্সিতে উসমান দেম্বেলে– Image Source: assets.goal.com

নেইমারের জায়গায় বার্সেলোনায় আসা এবং এত বিশাল প্রাইস ট্যাগ ২০ বছরের এক তরুণের কাঁধে এই চাপটা ছিল হিমালয় পর্বতের মতো ভারী। ন্যু ক্যাম্পে দেম্বেলের শুরুটা ছিল মিশ্র। মাঠে নামলেই তাঁর জাদু দেখা যেত, কিন্তু সেই জাদু স্থায়ী হতো না এক নির্মম অভিশাপের কারণে ইনজুরি!

বার্সেলোনায় যোগ দেওয়ার মাত্র কয়েক সপ্তাহের মাথায় গ্যাটাফের বিপক্ষে ম্যাচে দেম্বেলের হ্যামস্ট্রিং ছিঁড়ে যায়, যা তাঁকে চার মাসের জন্য মাঠের বাইরে পাঠিয়ে দেয়। আর এটাই ছিল এক দীর্ঘ এবং বেদনাদায়ক ইনজুরি অধ্যায়ের শুরু। বার্সেলোনায় তাঁর ৬ বছরের ক্যারিয়ারে তিনি প্রায় ১৫ বারেরও বেশি বড় বড় ইনজুরিতে পড়েছেন, যার ফলে ৭০০ দিনেরও বেশি সময় তিনি মাঠের বাইরে কাটাতে বাধ্য হয়েছেন।

এই ইনজুরির পাশাপাশি দেম্বেলের ব্যক্তিগত লাইফস্টাইল নিয়েও কাতালুনিয়ায় ব্যাপক সমালোচনা হতো। স্প্যানিশ মিডিয়া প্রায়ই খবর ছাপত যে, দেম্বেলে রাত জেগে ভিডিও গেম খেলেন, ফাস্ট ফুড খান এবং অনুশীলনে সময়মতো আসেন না। এমনকি একবার ভিডিও গেম খেলতে খেলতে ভোর হয়ে যাওয়ায় তিনি অনুশীলনের সময় ঘুমিয়ে পড়েছিলেন এবং ক্লাব তাঁকে জরিমানা করেছিল। শৃঙ্খলাভঙ্গের এই ঘটনাগুলো তাঁর ক্যারিয়ারের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছিল।

সব সমালোচনা এবং ইনজুরির অন্ধকার পেরিয়ে দেম্বেলের ক্যারিয়ারে আলোর দিশারী হয়ে আসেন বার্সেলোনার কিংবদন্তি এবং তৎকালীন কোচ জাভি হার্নান্দেজ। জাভি দেম্বেলের ডায়েট, লাইফস্টাইল এবং অনুশীলনের ধরনে বড় পরিবর্তন আনেন। কোচের এই অন্ধ বিশ্বাস দেম্বেলেকে এক নতুন জীবন দেয়। 

২০২১-২২ সিজনে ইনজুরি কাটিয়ে ফিরে তিনি মাত্র ২১ ম্যাচে ১৩টি অ্যাসিস্ট করে প্রিমিয়ার লিগের ট্রাফিকের মতো স্প্যানিশ লিগের অ্যাসিস্ট চার্টের শীর্ষে চলে যান। বার্সেলোনার হয়ে তিনি দুটি লা লিগা, দুটি কোপা দেল রে এবং একটি সুপারকোপাদাস্পানা ট্রফি জেতেন। সব মিলিয়ে বার্সার জার্সিতে ১৮৫ ম্যাচে ৪০টি গোল এবং ৪৩টি অ্যাসিস্ট করেন তিনি।

বার্সেলোনার জার্সিতে উসমান দেম্বেলে– Image Source: e0.365dm.com

২০২৩ সালের আগস্টে ওসমানে দেম্বেলে ফুটবল বিশ্বকে আরেকবার চমকে দিয়ে ৫০ মিলিয়ন ইউরোর রিলিজ ক্লজের বিনিময়ে ফ্রান্সের জায়ান্ট ক্লাব পিএসজিতে যোগ দেন। 

পিএসজিতে লুইস এনরিকের অধীনে দেম্বেলেকে এক ভিন্ন ভূমিকায় দেখা যায়। এনরিকে তাঁকে কেবল একজন উইঙ্গার হিসেবেই নয়, মাঝেমধ্যে ‘ফলস নাইন’ বা সেন্ট্রাল ক্রিয়েটিভ মিডফিল্ডার হিসেবেও ব্যবহার করতে শুরু করেন। পিএসজির হয়ে প্রথম সিজনেই তিনি ফরাসি লিগ ওয়ান এবং ট্রফি দেস চ্যাম্পিয়নস জেতেন। উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে নিজের পুরনো ক্লাব বার্সেলোনার বিপক্ষে দুই লেগেই গোল করে বার্সেলোনাকে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে দেন দেম্বেলে, যা বার্সা সমর্থকদের মনে ক্ষোভের আগুন জ্বালিয়ে দিলেও প্যারিসে তাঁকে হিরো বানিয়ে দেয়। 

উসমান দেম্বেলের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারও ক্লাব ফুটবলের মতোই দারুণ রোমাঞ্চকর। ২০১৬ সালের আগস্টে ইতালির বিপক্ষে ম্যাচে ফ্রান্সের মূল জাতীয় দলে তাঁর অভিষেক হয়।

দিদিয়ে দেশমের অধীনে ২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপের ২৩ সদস্যের ফরাসি স্কোয়াডে জায়গা পান দেম্বেলে। টুর্নামেন্টের শুরুতে গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলোতে তিনি প্রথম একাদশে খেললেও পরবর্তীতে ট্যাকটিক্যাল কারণে কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং অলিভিয়ের জিরুদের প্রাধান্য দেওয়া হয়। তবে সুপার-সাব হিসেবে ফ্রান্সের সেই ঐতিহাসিক বিশ্বকাপ জয়ে দেম্বেলের অবদান ছিল অনস্বীকার্য। মাত্র ২১ বছর বয়সে নিজের নামের পাশে ‘বিশ্বকাপ জয়ী’ তকমাটি লাগিয়ে নেন তিনি।

২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে দেম্বেলে ছিলেন দিদিয়ে দেশমের দলের অন্যতম প্রধান অটোমেটিক চয়েস। ডান উইংয়ে তাঁর আর বাঁ উইংয়ে এমবাপ্পের গতি প্রতিপক্ষের ডিফেন্সকে ছাতু করে দিচ্ছিল। পুরো টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত খেলে ফ্রান্সকে ফাইনালে তুলতে বড় ভূমিকা রাখেন তিনি। তবে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ফাইনাল ম্যাচটি ছিল দেম্বেলের ক্যারিয়ারের অন্যতম এক অন্ধকার দিন। ম্যাচের শুরুতেই পেনাল্টি বক্সে আনহেল দি মারিয়াকে ফাউল করে আর্জেন্টিনাকে পেনাল্টি উপহার দেন তিনি। তাঁর অফ-ফর্মের কারণে কোচ দিদিয়ে দেশম ম্যাচের মাত্র ৪১ মিনিটেই তাঁকে মাঠ থেকে তুলে নেন। ফ্রান্স ফাইনালে টাইব্রেকারে হেরে রানার্স-আপ হয়, এবং দেম্বেলেকে তীব্র সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয়।

উসমান দেম্বেলের স্ত্রী রিমা এদবুশ– Image Source: sportal365images.com

মাঠের দেম্বেলে যতটা অস্থির এবং গতিশীল, মাঠের বাইরের দেম্বেলে ঠিক ততটাই শান্ত এবং কিছুটা অন্তর্মুখী। তরুণ বয়সের সেই রাত জেগে ভিডিও গেম খেলার স্বভাব এখন অনেকটাই কাটিয়ে উঠেছেন তিনি।

২০২১ সালের ডিসেম্বরে দেম্বেলে মরোক্কান বংশোদ্ভূত ফ্যাশন ডিজাইনার রিমা এদবুশকে সম্পূর্ণ গোপনীয়তার সাথে বিয়ে করেন। প্রথাগত মরোক্কান মুসলিম রীতিতে হওয়া এই বিয়ের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় আসার পর ভক্তরা বেশ চমকে গিয়েছিলেন। বিয়ের পর দেম্বেলের লাইফস্টাইলে এক বিশাল ইতিবাচক পরিবর্তন আসে। তিনি এখন অনেক বেশি ফ্যামিলি-ওরিয়েন্টেড, ডায়েটের প্রতি সচেতন এবং সুশৃঙ্খল। এছাড়া দেম্বেলে একজন ধর্মপ্রাণ মুসলিম এবং প্রতি বছর রমজান মাসে পেশাদার ফুটবলের কঠিন সূচির মধ্যেও তিনি নিয়মিত রোজা রাখেন।

ইনজুরি আর খামখেয়ালিপনার বৃত্ত ভেঙে উসমান দেম্বেলে যখন নিজের সেরা ফর্মে থাকেন, তখন বিশ্বমঞ্চে তাঁকে আটকানো যে অসম্ভব—তার চূড়ান্ত প্রমাণ মেলে ২০২৫ সালের ব্যালর ডি’অর জয়ের মাধ্যমে। ২০২৪-২৫ মৌসুমে প্যারিস সেন্ট জার্মেইর (পিএসজি) হয়ে এক অবিশ্বাস্য ফুটবল উপহার দেন এই ফরাসি ফরোয়ার্ড। পিএসজি-কে তাদের ইতিহাসের প্রথম উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ট্রফি এবং ঘরোয়া ডাবল জেতাতে তিনি খেলেন মূল ভূমিকা; পুরো সিজনে করেন রেকর্ড ৩৭টি গোল এবং ১৫টি অ্যাসিস্ট। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ‘প্লেয়ার অফ দ্য সিজন’ হওয়া দেম্বেলে ফুটবল বিশ্বের বাঘা বাঘা তারকা ও সাবেক সতীর্থ লামিন ইয়ামালকে পেছনে ফেলে নিজের হাতে তুলে নেন ফুটবলের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সম্মাননা ‘ব্যালর ডি’অর’। চোটের অন্ধকার অধ্যায় পেরিয়ে দেম্বেলের এই রাজকীয় প্রত্যাবর্তন ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা এক রূপকথা হয়ে থাকবে।

‘ব্যালর ডি’অর’ জয়ী উসমান দেম্বেলে– Image Source: ichef.bbci.co.uk

সামনেই আমেরিকা, কানাডা এবং মেক্সিকোর মাটিতে বসতে যাচ্ছে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ। দিদিয়ে দেশমের অফিশিয়াল ফরাসি স্কোয়াডে দেম্বেলে কেবল একজন নিয়মিত খেলোয়াড়ই নন, তিনি এখন দলের অন্যতম সিনিয়ার লিডার। কিলিয়ান এমবাপ্পের সাথে তাঁর বোঝাপড়া এবং পিএসজির হয়ে ইউরোপীয় মঞ্চের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ফ্রান্সকে আরও একটি বিশ্বকাপ ট্রফি এনে দেওয়াই এখন দেম্বেলের একমাত্র পাখির চোখ। কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালের সেই আক্ষেপ ঘুচিয়ে আমেরিকার মাটিতে বিশ্বজয়ের নায়ক হওয়াই হবে তাঁর ক্যারিয়ারের আলটিমেট লক্ষ্য।

Reference:

https://en.wikipedia.org/wiki/Ousmane_Demb%C3%A9l%C3%A9
https://www.transfermarkt.com/ousmane-dembele/profil/spieler/288230
https://www.britannica.com/biography/Ousmane-Dembele
https://www.bbc.com/sport/football/articles/c9v71gxp02ro

Related posts

অস্কার আহুমাডা: এক মন্তব্যে শেষ হয়ে যাওয়া ক্যারিয়ার

থালাপতি বিজয়: পর্দার নায়ক থেকে বাস্তবের অনুপ্রেরণা

সাম্বার ছন্দে ব্রাজিলীয় ফুটবলের এক কালজয়ী নায়ক বেবেতো

আশা রহমান

Leave a Comment

Table of Contents

    This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More