যে সাম্রাজ্য একসময় ভারতবর্ষ শাসন করত, তা ধীরে ধীরে ভেঙে পড়ে অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা আর নতুন শক্তির উত্থানের চাপে। মুঘল সাম্রাজ্যে একদিকে ছিল ক্ষমতার লড়াই, অন্যদিকে
জাপানের নাম শুনলে চোখের সামনে যে ছবিগুলো ভেসে ওঠে, তার মধ্যে অন্যতম হলো হাজার হাজার মানুষের একসাথে রাস্তা পার হওয়ার দৃশ্য। টোকিও’র শিবুয়া স্টেশনের ঠিক
খিরকা শরীফ হলো ইসলামী বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও পবিত্র ধর্মীয় স্থান। এটি কান্দাহার শহরের একটি বিশেষ জিয়ারতের স্থান হিসেবে পরিচিত। ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের বিশ্বাস অনুযায়ী, এখানে
ওরান আলজেরিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর নগরী এবং বাণিজ্যিক কেন্দ্র। এটি কেবল তার অর্থনৈতিক গুরুত্বের জন্যই পরিচিত নয়, বরং তার বৈচিত্র্যময় স্থাপত্য, সমৃদ্ধ সংগীত এবং চমৎকার
সেনসো-জি মন্দির মূলত আধুনিক টোকিও’র বুকেই লুকিয়ে থাকা এক টুকরো প্রাচীন জাপান। আসাকুসা এলাকার এই ঐতিহাসিক বৌদ্ধ মন্দিরটি প্রতি বছর বিশ্বের লক্ষ লক্ষ মানুষকে কাছে
এখানে শায়িত আছেন আহমদ শাহ দুররানি, যাকে আধুনিক আফগানিস্তানের “জাতির জনক” বলা হয়।xa0 আহমদ শাহ দুররানির এই মায়াবী সমাধিতে যেন মিশে আছে আধুনিক আফগানিস্তানের স্বপ্ন।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিনিক্স পাখির মতো জেগে ওঠার গল্প হলো আধুনিক জাপান। আর সেই জেগে ওঠার দৃশ্যমান প্রমাণ হিসেবে টোকিও শহরের মিনাতো এলাকায় মাথা
সুলতান আহমদ শাহ মসজিদ কুয়ান্তানের শহরের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। এটি পাহাং রাজ্যের প্রধান মসজিদগুলোর মধ্যে অন্যতম। এই মসজিদটি শুধু নামাজ আদায়ের স্থান
কুয়েত সিটির উপকূল ঘেঁষে দাঁড়িয়ে থাকা কুয়েত টাওয়ার কেবল একটি স্থাপত্য নয়, বরং দেশটির ইতিহাস, আধুনিকতা ও জাতীয় গৌরবের জীবন্ত প্রতীক। মরুভূমির বুকে সমুদ্রের তীরে
This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. AcceptRead More